আবর্তন ও বিবর্তন
| | | | | |

আবর্তন ও বিবর্তন | সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ছোট, বড় প্রশ্ন ও MCQ | philosophy 2026

আবর্তন ও বিবর্তন

যুক্তিবিদ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আবর্তন ও বিবর্তন। কোনো বচনের মূল অর্থ ও যৌক্তিক সম্পর্ক বজায় রেখে কীভাবে সেই বচনের রূপ পরিবর্তন করে নতুন বচন তৈরি করা যায়, তা বোঝার ক্ষেত্রে আবর্তন ও বিবর্তনের ধারণা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তির বিভিন্ন প্রক্রিয়া এবং বচনের পারস্পরিক সম্পর্ক বুঝতে এই বিষয়টির যথাযথ জ্ঞান অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। https://www.youtube.com/watch?v=ullNLvNyk5E&list=PLVFsSQ1obPzlQooqRz0N9wSKKC0H7lJv6

আবর্তন (Conversion) ও বিবর্তন (Obversion)-এর ক্ষেত্রে বচনের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের পরিবর্তন, বচনের গুণের পরিবর্তন এবং মূল বচনের সঙ্গে নতুন বচনের যৌক্তিক সম্পর্ক—এই বিষয়গুলি বিশেষভাবে লক্ষ্য করা হয়। তাই এই অধ্যায়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন নিয়ম, সূত্র এবং উদাহরণ ভালোভাবে বোঝা প্রয়োজন। নিয়মগুলি পরিষ্কারভাবে জানা থাকলে যেকোনো বচন থেকে সঠিকভাবে আবর্তিত বা বিবর্তিত বচন তৈরি করা অনেক সহজ হয়ে যায়।

এই পেজে আবর্তন ও বিবর্তন অধ্যায়ের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর একসঙ্গে সাজানো হয়েছে। এখানে রয়েছে ছোট প্রশ্ন, বড় প্রশ্ন, MCQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর এবং পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। প্রতিটি বিষয় সহজভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা বিষয়টি বুঝে পড়তে পারে এবং প্রয়োজনের সময় দ্রুত পুনরাবৃত্তি করতে পারে।

বিশেষ করে আবর্তনের নিয়ম, বিবর্তনের নিয়ম, বিভিন্ন প্রকার বচনের ক্ষেত্রে আবর্তন ও বিবর্তনের প্রয়োগ এবং দৃষ্টান্তসহ ব্যাখ্যা ভালোভাবে অনুশীলন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু উত্তর মুখস্থ না করে প্রতিটি নিয়মের প্রয়োগ বুঝে অনুশীলন করলে প্রশ্নের ধরন পরিবর্তিত হলেও সঠিক উত্তর দেওয়া সহজ হবে।

পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় এই অধ্যায়ের MCQ, মান–১-এর প্রশ্ন, ছোট প্রশ্ন এবং বড় প্রশ্ন নিয়মিত অনুশীলন করুন। গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা, নিয়ম ও উদাহরণগুলি বারবার পড়ার পাশাপাশি নিজে খাতায় লিখে অনুশীলন করলে বিষয়টির উপর দক্ষতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

আবর্তন ও বিবর্তন অধ্যায়টি ভালোভাবে আয়ত্ত করার মূল উদ্দেশ্য হলো—বিভিন্ন বচনের যৌক্তিক রূপ বুঝে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে সঠিকভাবে নতুন বচন গঠন করতে শেখা। এই পেজের সমস্ত প্রশ্নোত্তর মনোযোগ দিয়ে পড়ুন, নিয়মগুলি বুঝে নিন এবং পরীক্ষার আগে একবার সম্পূর্ণ অধ্যায়টি রিভিশন করুন।

Table of Contents

আবর্তন ও বিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ MCQ

১. আবর্তন কী ধরনের অনুমান?
ক) মাধ্যম অনুমান
খ) অমাধ্যম অনুমান
গ) আরোহ অনুমান
ঘ) উপমা অনুমান

উত্তর: খ) অমাধ্যম অনুমান

২. আবর্তন কী ধরনের অনুমান?
ক) আরোহ অনুমান
খ) মাধ্যম অনুমান
গ) অমাধ্যম অনুমান
ঘ) উপমান অনুমান

উত্তর: গ) অমাধ্যম অনুমান

৩. ‘A’ বচনের সরল আবর্তন—
ক) সর্বদাই সম্ভব
খ) কখনই সম্ভব নয়
গ) শুধুমাত্র বিশেষ ক্ষেত্রে সম্ভব
ঘ) O বচনের ক্ষেত্রে সম্ভব

উত্তর: গ) শুধুমাত্র বিশেষ ক্ষেত্রে সম্ভব

৪. ‘O’ বচনের আবর্তন—
ক) সর্বদাই সম্ভব
খ) সরলভাবে সম্ভব
গ) সম্ভব নয়
ঘ) সীমিতভাবে সম্ভব

উত্তর: গ) সম্ভব নয়

৫. ‘E’ বচনের সরল আবর্তন—
ক) সম্ভব
খ) অসম্ভব
গ) কেবল বিশেষ ক্ষেত্রে সম্ভব
ঘ) কেবল A বচনে সম্ভব

উত্তর: ক) সম্ভব

৬. ‘I’ বচনের আবর্তনে কোন বচন পাওয়া যায়?
ক) A
খ) E
গ) I
ঘ) O

উত্তর: গ) I

৭. আবর্তনের ক্ষেত্রে যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের কী হয়?
ক) উভয়ই অপরিবর্তিত থাকে
খ) স্থান পরিবর্তন করে
গ) উভয়ই বাদ যায়
ঘ) উভয়ই বিপরীত পদে পরিণত হয়

উত্তর: খ) স্থান পরিবর্তন করে

৮. বিবর্তনের ক্ষেত্রে হেতুবাক্য ও সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য পদ—
ক) আলাদা থাকে
খ) স্থান পরিবর্তন করে
গ) একই থাকে
ঘ) উভয়ই পরিবর্তিত হয়

উত্তর: গ) একই থাকে

৯. আবর্তনের ক্ষেত্রে হেতুবাক্য ও সিদ্ধান্তের গুণের মধ্যে—
ক) পার্থক্য থাকে
খ) কোনো পার্থক্য থাকে না
গ) সম্পূর্ণ বিপরীত হয়
ঘ) পরিমাণের পরিবর্তন ঘটে

উত্তর: খ) কোনো পার্থক্য থাকে না

১০. ‘E’ বচনের বিবর্তন করলে কোন বচন পাওয়া যায়?
ক) A
খ) E
গ) I
ঘ) O

উত্তর: ক) A

১১. ‘কোনো S নয় P’ থেকে ‘সকল অ-S হয় P’ সিদ্ধান্তটি—
ক) বৈধ
খ) অবৈধ
গ) সরল আবর্তন
ঘ) সরল বিবর্তন

উত্তর: খ) অবৈধ

১২. ‘কোনো S নয় P’ থেকে ‘কোনো P নয় S’ সিদ্ধান্তটি—
ক) বৈধ
খ) অবৈধ
গ) অসম্ভব
ঘ) বিবর্তিত সিদ্ধান্ত

উত্তর: ক) বৈধ

১৩. বস্তুগত বিবর্তনের ক্ষেত্রে—
ক) উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয়ই অপরিবর্তিত থাকে
খ) উদ্দেশ্য পদ পরিবর্তিত থাকতে পারে
গ) কেবল গুণ পরিবর্তিত হয়
ঘ) কেবল পরিমাণ পরিবর্তিত হয়

উত্তর: খ) উদ্দেশ্য পদ পরিবর্তিত থাকতে পারে

১৪. সকল অমাধ্যম অনুমানে সিদ্ধান্তের গুণ—
ক) পরিবর্তিত হয়
খ) পরিবর্তিত হয় না
গ) সর্বদা নঞর্থক হয়
ঘ) সর্বদা সদর্থক হয়

উত্তর: খ) পরিবর্তিত হয় না

১৫. বস্তুগত বিবর্তনের প্রবর্তক কে?
ক) মিল
খ) বেইন
গ) অ্যারিস্টটল
ঘ) বেকন

উত্তর: খ) বেইন

১৬. সংজ্ঞার্থজ্ঞাপক ‘A’-বচনের কী ধরনের আবর্তন সম্ভব?
ক) সরল আবর্তন
খ) অসম আবর্তন
গ) নিষেধমূলক আবর্তন
ঘ) কোনো আবর্তনই সম্ভব নয়

উত্তর: ক) সরল আবর্তন

১৭. কোন বচনকে আবর্তিত করা যায় না?
ক) A
খ) E
গ) I
ঘ) O

উত্তর: ঘ) O

১৮. আবর্তনের যুক্তিবাক্যকে কী বলা হয়?
ক) আবর্তিত
খ) আবর্তনীয়
গ) বিবর্তিত
ঘ) বিবর্তনীয়

উত্তর: খ) আবর্তনীয়

১৯. বিবর্তনের সিদ্ধান্তকে কী বলা হয়?
ক) বিবর্তনীয়
খ) আবর্তিত
গ) বিবর্তিত
ঘ) আবর্তনীয়

উত্তর: গ) বিবর্তিত

২০. ‘E’ এবং ‘I’ বচনের আবর্তন হল—
ক) অসম আবর্তন
খ) সরল আবর্তন
গ) নিষেধমূলক আবর্তন
ঘ) বস্তুগত আবর্তন

উত্তর: খ) সরল আবর্তন

২১. বিবর্তনের আবর্তনের পুনরায় বিবর্তনকে কী বলা হয়?
ক) সরল আবর্তন
খ) অসম আবর্তন
গ) সমবিবর্তন
ঘ) বস্তুগত বিবর্তন

উত্তর: গ) সমবিবর্তন

২২. বিবর্তনীয় বচন ‘E’ হলে বিবর্তিত বচন হবে—
ক) A
খ) E
গ) I
ঘ) O

উত্তর: ক) A

২৩. বিবর্তনীয় বচনের বিধেয় পদের বিরুদ্ধ পদটি বিবর্তিত বচনের কোন পদ হবে?
ক) উদ্দেশ্য পদ
খ) বিধেয় পদ
গ) সংযোজক
ঘ) পরিমাণচিহ্ন

উত্তর: খ) বিধেয় পদ

২৪. বিবর্তনে দুটি বচনের কোনটি সমান হয় না?
ক) উদ্দেশ্য
খ) পরিমাণ
গ) গুণ
ঘ) বিধেয়

উত্তর: গ) গুণ

২৫. বিবর্তনে দুটি বচনের কোনটি সমান থাকে?
ক) গুণ
খ) পরিমাণ
গ) বিধেয় পদ
ঘ) বিরুদ্ধ পদ

উত্তর: খ) পরিমাণ

২৬. কোন প্রক্রিয়ায় দুটি বচনের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তন করা হয়?
ক) বিবর্তন
খ) আবর্তন
গ) সমবিবর্তন
ঘ) বিরোধানুমান

উত্তর: খ) আবর্তন

২৭. কোন অনুমানে একটি মাত্র যুক্তিবাক্য থাকে?
ক) মাধ্যম অনুমান
খ) অমাধ্যম অনুমান
গ) আরোহ অনুমান
ঘ) ন্যায় অনুমান

উত্তর: খ) অমাধ্যম অনুমান

২৮. কোন বচনকে আবর্তিত করা যায় না?
ক) A
খ) E
গ) I
ঘ) O

উত্তর: ঘ) O

২৯. কোন বচনের সমবিবর্তন সম্ভব নয়?
ক) A
খ) E
গ) I
ঘ) O

উত্তর: গ) I

৩০. ‘E’ বচনের বিবর্তন হল—
ক) A বচন
খ) E বচন
গ) I বচন
ঘ) O বচন

উত্তর: ক) A বচন

আবর্তন ও বিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন মান – ২

১. আবর্তন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: যে অমাধ্যম অনুমানে হেতুবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তন করে সিদ্ধান্ত পাওয়া যায় এবং বচনের গুণ ও পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে, তাকে আবর্তন বলে।
উদাহরণ: কোনো মানুষ নয় মরণশীল নয় — কোনো মরণশীল নয় মানুষ।

২. বিবর্তন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: যে অমাধ্যম অনুমানে হেতুবাক্যের উদ্দেশ্য পদকে অপরিবর্তিত রেখে বিধেয় পদের পরিবর্তে তার বিরুদ্ধ পদ বসিয়ে এবং বচনের গুণ পরিবর্তন করে সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়, তাকে বিবর্তন বলে।
উদাহরণ: সকল মানুষ হয় মরণশীল — কোনো মানুষ নয় অমরণশীল।

৩. আবর্তনের নিয়মগুলি লেখ।

উত্তর: আবর্তনের প্রধান নিয়মগুলি হলো—
১. আবর্তনে হেতুবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তিত হয়।
২. বচনের গুণ অপরিবর্তিত থাকে।
৩. বচনের পরিমাণ সাধারণত অপরিবর্তিত থাকে; তবে A-বচনের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ম প্রযোজ্য।
৪. O-বচনের সরল আবর্তন সম্ভব নয়।

৪. বিবর্তনের নিয়মগুলি লেখ।

উত্তর: বিবর্তনের প্রধান নিয়মগুলি হলো—
১. হেতুবাক্যের উদ্দেশ্য পদ সিদ্ধান্তেও উদ্দেশ্য পদ থাকে।
২. হেতুবাক্যের বিধেয় পদের পরিবর্তে তার বিরুদ্ধ পদ বসে।
৩. বচনের গুণ পরিবর্তিত হয়।
৪. বচনের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে।

৫. আবর্তন ও বিবর্তনের দুটি পার্থক্য লেখ।

উত্তর:
১. আবর্তনে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তন হয়; বিবর্তনে উদ্দেশ্য পদের স্থান পরিবর্তন হয় না।
২. আবর্তনে বচনের গুণ অপরিবর্তিত থাকে; বিবর্তনে বচনের গুণ পরিবর্তিত হয়।

৬. আবর্তনের সঙ্গে বিবর্তনের দুটি সাদৃশ্য লেখ।

উত্তর:
১. আবর্তন ও বিবর্তন উভয়ই অমাধ্যম অনুমান।
২. উভয় ক্ষেত্রেই একটি মাত্র হেতুবাক্য থেকে একটি সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়।

৭. আবর্তনের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।

উত্তর:
১. আবর্তনে হেতুবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তন হয়।
২. আবর্তনে হেতুবাক্য ও সিদ্ধান্তের গুণ অপরিবর্তিত থাকে।

৮. বিবর্তনের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।

উত্তর:
১. বিবর্তনে হেতুবাক্যের উদ্দেশ্য পদ অপরিবর্তিত থাকে।
২. বিধেয় পদের পরিবর্তে তার বিরুদ্ধ পদ বসে এবং বচনের গুণ পরিবর্তিত হয়।

৯. সরল বা সম আবর্তন কাকে বলে?

উত্তর: যে আবর্তনে হেতুবাক্য ও সিদ্ধান্তের পরিমাণ এবং গুণ উভয়ই অপরিবর্তিত থাকে এবং শুধু উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তন হয়, তাকে সরল বা সম আবর্তন বলে।
উদাহরণ: কোনো মানুষ নয় পশু — কোনো পশু নয় মানুষ।

১০. অসম বা অসরল আবর্তন কাকে বলে?

উত্তর: যে আবর্তনে হেতুবাক্য ও সিদ্ধান্তের গুণ একই থাকলেও পরিমাণের পরিবর্তন ঘটে, তাকে অসম বা অসরল আবর্তন বলে।
উদাহরণ: সকল মানুষ হয় মরণশীল — কোনো কোনো মরণশীল হয় মানুষ।

১১. সরল আবর্তনের সঙ্গে অসম আবর্তনের দুটি পার্থক্য লেখ।

উত্তর:
১. সরল আবর্তনে হেতুবাক্য ও সিদ্ধান্তের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে; অসম আবর্তনে পরিমাণ পরিবর্তিত হয়।
২. সরল আবর্তনে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের স্থান পরিবর্তন করেই সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়; অসম আবর্তনে প্রয়োজনে বচনের পরিমাণও পরিবর্তিত হয়।

১২. আবর্তনকে অমাধ্যম অনুমান বলা হয় কেন?

উত্তর: আবর্তনে একটি মাত্র হেতুবাক্য থেকে কোনো মধ্যপদ বা তৃতীয় বচনের সাহায্য ছাড়াই সরাসরি একটি সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়। তাই আবর্তনকে অমাধ্যম অনুমান বলা হয়।

১৩. বিবর্তনকে মাধ্যম অনুমান বলা হয় না কেন?

উত্তর: বিবর্তনের ক্ষেত্রে কোনো মধ্যপদ ব্যবহার করা হয় না এবং একটি মাত্র হেতুবাক্য থেকেই সরাসরি সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়। তাই বিবর্তনকে অমাধ্যম অনুমান বলা হয়, মাধ্যম অনুমান নয়।

১৪. বস্তুগত বিবর্তন কাকে বলে?

উত্তর: যে বিবর্তনে বচনের বস্তু বা অর্থের পরিবর্তন ঘটে এবং সেই পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন বচন গঠিত হয়, তাকে বস্তুগত বিবর্তন বলে। বস্তুগত বিবর্তনের প্রবর্তক হিসেবে মিল (J. S. Mill)-এর নাম উল্লেখ করা হয়।

১৫. ‘O’-বচনের আবর্তন সম্ভব নয় কেন?

উত্তর: ‘O’-বচনে উদ্দেশ্য পদ অব্যাপ্য এবং বিধেয় পদ ব্যাপ্য থাকে। আবর্তনের সময় উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তন করলে অবৈধভাবে অব্যাপ্য পদকে ব্যাপ্য করতে হয়। তাই ‘O’-বচনের আবর্তন সম্ভব নয়।

১৬. কোন কোন ক্ষেত্রে ‘A’-বচনের সরল আবর্তন সম্ভব?

উত্তর: ‘A’-বচনের সরল আবর্তন কেবল তখনই সম্ভব, যখন হেতুবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদ সমব্যাপক হয়। অর্থাৎ উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদ যদি একই পরিমাণের শ্রেণিকে নির্দেশ করে, তখন ‘A’-বচনের সরল আবর্তন করা যায়।
উদাহরণ: সকল ত্রিভুজ হয় তিন-কোণবিশিষ্ট চিত্র — সকল তিন-কোণবিশিষ্ট চিত্র হয় ত্রিভুজ।

আবর্তন ও বিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন মান – 10

১. মাধ্যম অনুমান ও অমাধ্যম অনুমানের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

উত্তর:
যুক্তিবিদ্যায় অনুমান বলতে এমন একটি প্রক্রিয়াকে বোঝায়, যার সাহায্যে এক বা একাধিক প্রদত্ত বচনের ভিত্তিতে একটি নতুন বচন বা সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয়। অনুমানের গঠন, হেতুবাক্যের সংখ্যা এবং সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে অনুমান প্রধানত দুই প্রকার— মাধ্যম অনুমান এবং অমাধ্যম অনুমান।

মাধ্যম অনুমান:
যে অনুমানে দুই বা ততোধিক যুক্তিবাক্যের সাহায্যে একটি সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং হেতুবাক্য ও সিদ্ধান্তের মধ্যে একটি মধ্যপদ থাকে, তাকে মাধ্যম অনুমান বলে। এখানে হেতুবাক্যগুলির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনকারী একটি মধ্যপদ থাকে এবং সেই মধ্যপদের সাহায্যে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়।

উদাহরণ:
সকল মানুষ হয় মরণশীল।
রাম হয় মানুষ।
∴ রাম হয় মরণশীল।

এখানে ‘মানুষ’ হল মধ্যপদ। দুটি হেতুবাক্যের সাহায্যে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে এটি মাধ্যম অনুমানের উদাহরণ।

অমাধ্যম অনুমান:
যে অনুমানে একটি মাত্র হেতুবাক্যের সাহায্যে কোনো মধ্যপদ বা তৃতীয় বচনের সাহায্য ছাড়াই সরাসরি একটি সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠিত হয়, তাকে অমাধ্যম অনুমান বলে।

উদাহরণ:
কোনো মানুষ নয় অমর।
∴ কোনো অমর নয় মানুষ।

এখানে একটি মাত্র হেতুবাক্য থেকে সরাসরি সিদ্ধান্ত পাওয়া গেছে এবং কোনো মধ্যপদ ব্যবহৃত হয়নি। তাই এটি অমাধ্যম অনুমান।

মাধ্যম ও অমাধ্যম অনুমানের পার্থক্য:
১. মাধ্যম অনুমানে দুই বা ততোধিক হেতুবাক্য থাকে; অমাধ্যম অনুমানে একটি মাত্র হেতুবাক্য থাকে।
২. মাধ্যম অনুমানে মধ্যপদ থাকে; অমাধ্যম অনুমানে কোনো মধ্যপদ থাকে না।
৩. মাধ্যম অনুমানে হেতুবাক্যের সাহায্যে পরোক্ষভাবে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয়; অমাধ্যম অনুমানে সরাসরি সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়।
৪. মাধ্যম অনুমানে একাধিক বচনের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়; অমাধ্যম অনুমানে একটি বচনের মধ্যেই নিহিত সম্পর্কের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়।
৫. আবর্তন ও বিবর্তন অমাধ্যম অনুমানের অন্তর্ভুক্ত।

সুতরাং বলা যায়, মধ্যপদের সাহায্যে একাধিক হেতুবাক্য থেকে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হলে তা মাধ্যম অনুমান এবং একটি মাত্র হেতুবাক্য থেকে সরাসরি সিদ্ধান্ত পাওয়া গেলে তা অমাধ্যম অনুমান।

২. ‘O’-বচনের আবর্তন সম্ভব নয় কেন?

উত্তর:
যে অমাধ্যম অনুমানে হেতুবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তন করে সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়, তাকে আবর্তন বলে। আবর্তনের একটি প্রধান নিয়ম হল— হেতুবাক্যে কোনো পদ অব্যাপ্য থাকলে সিদ্ধান্তে সেই পদকে ব্যাপ্য করা যায় না।

‘O’-বচনের সাধারণ রূপ হল— কোনো কোনো S হয় না P। এই বচনে উদ্দেশ্য পদ ‘S’ অব্যাপ্য এবং বিধেয় পদ ‘P’ ব্যাপ্য।

এখন ‘O’-বচনের আবর্তন করতে গেলে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তন করতে হবে। ফলে মূল হেতুবাক্যের অব্যাপ্য উদ্দেশ্য পদ সিদ্ধান্তে বিধেয় পদ হয়ে ব্যাপ্য হয়ে যাবে। এর ফলে আবর্তনের মৌলিক নিয়ম লঙ্ঘিত হবে।

উদাহরণ:
হেতুবাক্য: কোনো কোনো মানুষ নয় দার্শনিক।

যদি এর সরল আবর্তন করার চেষ্টা করি, তাহলে পাওয়া যাবে—
কোনো কোনো দার্শনিক নয় মানুষ।

কিন্তু মূল বচনে ‘মানুষ’ পদটি অব্যাপ্য ছিল, অথচ সিদ্ধান্তে ‘মানুষ’ পদটি ব্যাপ্য হয়ে গেছে। তাই এই সিদ্ধান্ত বৈধ নয়।

আরও সহজভাবে বলা যায়, O-বচনের উদ্দেশ্য পদকে ব্যাপ্য না করে তাকে বিধেয় পদে স্থানান্তর করা যায় না। ফলে O-বচনের সরল আবর্তন যুক্তিগতভাবে অসম্ভব।

সুতরাং, ‘O’-বচনের সরল আবর্তন সম্ভব নয়।

৩. ‘A’-বচনের সরল আবর্তন সম্ভব—এ বিষয়ে যুক্তি দাও।

উত্তর:
‘A’-বচনের সাধারণ রূপ হল— সকল S হয় P। এখানে ‘S’ বা উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য এবং ‘P’ বা বিধেয় পদ অব্যাপ্য। তাই সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী ‘A’-বচনের সরল আবর্তন করা যায় না। কারণ উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের স্থান পরিবর্তন করলে মূল বচনের অব্যাপ্য বিধেয় পদ সিদ্ধান্তে ব্যাপ্য হয়ে যেতে পারে।

তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ‘A’-বচনের সরল বা সম-আবর্তন সম্ভব। সেই বিশেষ ক্ষেত্রটি হল— যখন হেতুবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদ সমব্যাপক হয়। অর্থাৎ দুটি পদ যদি একই শ্রেণি বা একই পরিসরকে নির্দেশ করে, তাহলে তাদের স্থান পরিবর্তন করলেও ব্যাপ্যতার নিয়ম লঙ্ঘিত হয় না।

উদাহরণ:
হেতুবাক্য: সকল ত্রিভুজ হয় তিন-কোণবিশিষ্ট চিত্র।
সিদ্ধান্ত: সকল তিন-কোণবিশিষ্ট চিত্র হয় ত্রিভুজ।

এখানে ‘ত্রিভুজ’ এবং ‘তিন-কোণবিশিষ্ট চিত্র’ একই শ্রেণিকে নির্দেশ করছে। তাই দুটি পদ সমব্যাপক। ফলে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের স্থান পরিবর্তন করেও বৈধ সিদ্ধান্ত পাওয়া সম্ভব।

তবে সব A-বচনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।

যেমন—
সকল মানুষ হয় মরণশীল।

এর সরল আবর্তন করে যদি বলা হয়—
সকল মরণশীল হয় মানুষ,
তাহলে তা বৈধ হবে না। কারণ সকল মরণশীল মানুষ নয়।

এই ক্ষেত্রে অসম আবর্তনের মাধ্যমে বলা যায়—
কোনো কোনো মরণশীল হয় মানুষ।

অতএব, A-বচনের সরল আবর্তন সাধারণভাবে সম্ভব নয়; কেবল উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদ সমব্যাপক হলে A-বচনের সরল আবর্তন সম্ভব।

৪. সরল বা সম-আবর্তন এবং অসম বা অ-সম-আবর্তনের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

উত্তর:
আবর্তন হল এমন একটি অমাধ্যম অনুমান, যেখানে হেতুবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তন করে সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়। আবর্তনের প্রকৃতি অনুসারে এটি প্রধানত দুই প্রকার— সরল বা সম-আবর্তন এবং অসম বা অ-সম-আবর্তন।

সরল বা সম-আবর্তন:
যে আবর্তনে হেতুবাক্য ও সিদ্ধান্তের গুণ এবং পরিমাণ উভয়ই অপরিবর্তিত থাকে এবং কেবল উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তন করা হয়, তাকে সরল বা সম-আবর্তন বলে।

উদাহরণ:
কোনো মানুষ নয় পশু।
∴ কোনো পশু নয় মানুষ।

এখানে উভয় বচনই নঞর্থক সার্বিক বা E-বচন। তাই গুণ ও পরিমাণ অপরিবর্তিত রয়েছে।

অসম বা অ-সম-আবর্তন:
যে আবর্তনে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বচনের পরিমাণের পরিবর্তন ঘটে, তাকে অসম বা অ-সম-আবর্তন বলে।

উদাহরণ:
সকল মানুষ হয় মরণশীল।
∴ কোনো কোনো মরণশীল হয় মানুষ।

এখানে হেতুবাক্যটি সার্বিক সদর্থক A-বচন, কিন্তু সিদ্ধান্তটি বিশেষ সদর্থক I-বচন। অর্থাৎ পরিমাণের পরিবর্তন হয়েছে।

দুটি আবর্তনের পার্থক্য:
১. সরল আবর্তনে গুণ ও পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে; অসম আবর্তনে পরিমাণ পরিবর্তিত হয়।
২. সরল আবর্তনে একই ধরনের বচন পাওয়া যায়; অসম আবর্তনে সার্বিক বচন থেকে বিশেষ বচন পাওয়া যেতে পারে।
৩. E ও I বচনের সরল আবর্তন সম্ভব; A-বচনের ক্ষেত্রে বিশেষ শর্তে সরল আবর্তন সম্ভব।
৪. A-বচনের ক্ষেত্রে সাধারণত অসম আবর্তনের সাহায্যে বৈধ সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়।
৫. O-বচনের সরল আবর্তন সম্ভব নয়।

সুতরাং, যেখানে বচনের গুণ ও পরিমাণ অপরিবর্তিত রেখে শুধু পদদ্বয়ের স্থান পরিবর্তন হয়, সেটি সরল আবর্তন; আর যেখানে পরিমাণের পরিবর্তন ঘটে, সেটি অসম আবর্তন।

৫. আবর্তন ও বিবর্তনের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

উত্তর:
আবর্তন ও বিবর্তন উভয়ই অমাধ্যম অনুমানের অন্তর্ভুক্ত। উভয় ক্ষেত্রেই একটি মাত্র হেতুবাক্য থেকে সরাসরি সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়। কিন্তু বচনের রূপান্তরের পদ্ধতি এবং নিয়মের দিক থেকে এদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।

আবর্তন:
যে অমাধ্যম অনুমানে হেতুবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তন করে সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়, তাকে আবর্তন বলে।

বিবর্তন:
যে অমাধ্যম অনুমানে হেতুবাক্যের উদ্দেশ্য পদ অপরিবর্তিত রেখে বিধেয় পদের পরিবর্তে তার বিরুদ্ধ পদ বসানো হয় এবং বচনের গুণ পরিবর্তন করে সিদ্ধান্ত গঠন করা হয়, তাকে বিবর্তন বলে।

পার্থক্য:
১. আবর্তনে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তন হয়; বিবর্তনে উদ্দেশ্য পদ অপরিবর্তিত থাকে।
২. আবর্তনে বচনের গুণ অপরিবর্তিত থাকে; বিবর্তনে বচনের গুণ পরিবর্তিত হয়।
৩. আবর্তনে বিধেয় পদ উদ্দেশ্য পদে এবং উদ্দেশ্য পদ বিধেয় পদে পরিণত হয়; বিবর্তনে বিধেয় পদের পরিবর্তে তার বিরুদ্ধ পদ বসে।
৪. আবর্তনে বচনের পরিমাণ কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তিত হতে পারে; বিবর্তনে বচনের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে।
৫. O-বচনের আবর্তন সম্ভব নয়; কিন্তু A, E, I ও O—চার ধরনের বচনেরই বিবর্তন করা যায়।

উদাহরণ:
আবর্তন: কোনো মানুষ নয় পশু → কোনো পশু নয় মানুষ।

বিবর্তন: সকল মানুষ হয় মরণশীল → কোনো মানুষ নয় অমরণশীল।

অতএব, পদের স্থান পরিবর্তন হল আবর্তনের প্রধান বৈশিষ্ট্য এবং বিধেয়ের বিরুদ্ধ পদ গ্রহণ ও গুণের পরিবর্তন হল বিবর্তনের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

৬. অমাধ্যম অনুমান কাকে বলে? উদাহরণসহ আলোচনা কর।

উত্তর:
যে অনুমানে একটি মাত্র হেতুবাক্য থেকে কোনো মধ্যপদ বা তৃতীয় বচনের সাহায্য ছাড়াই সরাসরি একটি সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠিত হয়, তাকে অমাধ্যম অনুমান বলে। ‘অমাধ্যম’ শব্দের অর্থ হল মধ্যপদ বা মধ্যস্থতার সাহায্য ছাড়া।

অমাধ্যম অনুমানে হেতুবাক্য ও সিদ্ধান্তের মধ্যে কোনো মধ্যপদ থাকে না। একটি বচনের মধ্যেই যে সম্পর্ক বা তথ্য নিহিত থাকে, তার ভিত্তিতে সেই বচনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নতুন বচনকে সিদ্ধান্ত হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

উদাহরণ:
হেতুবাক্য: কোনো মানুষ নয় অমর।
সিদ্ধান্ত: কোনো অমর নয় মানুষ।

এখানে মাত্র একটি হেতুবাক্য রয়েছে এবং কোনো মধ্যপদ ব্যবহার করা হয়নি। হেতুবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত পাওয়া গেছে। তাই এটি অমাধ্যম অনুমানের উদাহরণ।

অমাধ্যম অনুমানের বৈশিষ্ট্য:
১. এতে একটি মাত্র হেতুবাক্য থাকে।
২. এতে কোনো মধ্যপদ থাকে না।
৩. হেতুবাক্য থেকে সরাসরি সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়।
৪. সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য তৃতীয় কোনো বচনের প্রয়োজন হয় না।
৫. আবর্তন ও বিবর্তন অমাধ্যম অনুমানের গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি।

অমাধ্যম অনুমানের সাহায্যে একটি বচনের উপর ভিত্তি করে তার সঙ্গে যৌক্তিকভাবে সম্পর্কযুক্ত অন্য একটি বচন প্রতিষ্ঠা করা হয়।

সুতরাং, মধ্যপদের সাহায্য ছাড়াই একটি মাত্র হেতুবাক্য থেকে সরাসরি সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াই অমাধ্যম অনুমান।

৭. বস্তুগত বিবর্তন কাকে বলে? একে কি প্রকৃত বিবর্তন বলা যায়?

উত্তর:
যে বিবর্তনে বচনের বস্তু, বিষয়বস্তু বা অর্থের পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন বচন গঠন করা হয়, তাকে বস্তুগত বিবর্তন বলে। এখানে বচনের কেবল বাহ্যিক বা গঠনগত পরিবর্তন নয়, বচনের অর্থ বা বিষয়বস্তুর দিকটিও বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়।

প্রকৃত বিবর্তনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়। হেতুবাক্যের উদ্দেশ্য পদ অপরিবর্তিত থাকে, বিধেয় পদের পরিবর্তে তার বিরুদ্ধ পদ বসানো হয় এবং বচনের গুণ পরিবর্তিত হয়। কিন্তু বস্তুগত বিবর্তনের ক্ষেত্রে বচনের বিষয়বস্তু বা অর্থের পরিবর্তন প্রধান হয়ে ওঠে।

এই কারণে বস্তুগত বিবর্তনকে প্রকৃত বা শুদ্ধ বিবর্তনের সঙ্গে সম্পূর্ণ অভিন্ন বলা যায় না। প্রকৃত বিবর্তনের নির্দিষ্ট যৌক্তিক নিয়মের তুলনায় বস্তুগত বিবর্তনে বক্তব্যের বিষয়বস্তু ও অর্থের পরিবর্তন বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

উদাহরণ:
কোনো বক্তব্যের অর্থকে তার বিপরীত বা সম্পর্কযুক্ত বক্তব্যের সাহায্যে পরিবর্তিত করে প্রকাশ করলে তা বস্তুগত বিবর্তনের উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

তাই বস্তুগত বিবর্তনকে প্রকৃত বিবর্তন বলা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। কারণ এখানে প্রকৃত বিবর্তনের নির্দিষ্ট গঠনগত নিয়ম সবসময় অনুসরণ করা হয় না।

অতএব, বস্তুগত বিবর্তনকে প্রকৃত বিবর্তনের পরিবর্তে পৃথক ধরনের বিবর্তন হিসেবে বিবেচনা করা অধিক যুক্তিসঙ্গত।

৮. আবর্তন কাকে বলে? আবর্তনের বিভিন্ন নিয়মগুলি উদাহরণসহ আলোচনা কর।

উত্তর:
যে অমাধ্যম অনুমানে হেতুবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তন করে সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়, তাকে আবর্তন বলে। আবর্তনের ক্ষেত্রে মূল বচনের গুণ ও ব্যাপ্যতার নিয়ম অবশ্যই বজায় রাখতে হয়।

আবর্তনের প্রধান নিয়মগুলি নিম্নরূপ—

১. E-বচনের আবর্তন:
E-বচনের সরল আবর্তন সম্ভব। এখানে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের স্থান পরিবর্তন করলেও উভয় পদই ব্যাপ্য থাকে।

উদাহরণ:
কোনো মানুষ নয় পশু।
∴ কোনো পশু নয় মানুষ।

২. I-বচনের আবর্তন:
I-বচনের সরল আবর্তন সম্ভব।

উদাহরণ:
কোনো কোনো মানুষ হয় দার্শনিক।
∴ কোনো কোনো দার্শনিক হয় মানুষ।

এখানে উভয় বচনের পরিমাণ ও গুণ একই রয়েছে।

৩. A-বচনের আবর্তন:
A-বচনের সরল আবর্তন সাধারণভাবে সম্ভব নয়। তবে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদ সমব্যাপক হলে সরল আবর্তন করা যায়। অন্য ক্ষেত্রে অসম আবর্তন করা হয়।

উদাহরণ:
সকল মানুষ হয় মরণশীল।
∴ কোনো কোনো মরণশীল হয় মানুষ।

এখানে A-বচন থেকে I-বচন পাওয়া গেছে।

৪. O-বচনের আবর্তন:
O-বচনের সরল আবর্তন সম্ভব নয়। কারণ O-বচনে উদ্দেশ্য পদ অব্যাপ্য এবং বিধেয় পদ ব্যাপ্য থাকে। পদদ্বয়ের স্থান পরিবর্তন করলে অব্যাপ্য পদ ব্যাপ্য হয়ে যায়।

আবর্তনের সাধারণ সূত্র:
A → I
E → E
I → I
O → সম্ভব নয়

তবে A-বচনের ক্ষেত্রে সমব্যাপক পদ থাকলে সরল আবর্তন সম্ভব হতে পারে।

সুতরাং, আবর্তনের ক্ষেত্রে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তন করা হয় এবং প্রত্যেক বচনের ক্ষেত্রে তার নিজস্ব ব্যাপ্যতা ও বৈধতার নিয়ম অনুসরণ করতে হয়।

৯. বিবর্তন কাকে বলে? বিবর্তনের বিভিন্ন নিয়মগুলি উদাহরণসহ আলোচনা কর।

উত্তর:
যে অমাধ্যম অনুমানে হেতুবাক্যের উদ্দেশ্য পদ অপরিবর্তিত রেখে বিধেয় পদের পরিবর্তে তার বিরুদ্ধ পদ বসানো হয় এবং বচনের গুণ পরিবর্তন করে সিদ্ধান্ত গঠন করা হয়, তাকে বিবর্তন বলে।

বিবর্তনের সময় উদ্দেশ্য পদ একই থাকে। কিন্তু বিধেয় পদের পরিবর্তে তার বিরুদ্ধ বা পরস্পর-বিরোধী পদ গ্রহণ করা হয়। একই সঙ্গে বচনের গুণ অর্থাৎ সদর্থক বা নঞর্থক রূপ পরিবর্তিত হয়। তবে বচনের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে।

বিবর্তনের নিয়মগুলি হল—

১. A-বচনের বিবর্তন:
A-বচন বিবর্তিত হয়ে E-বচনে পরিণত হয়।

উদাহরণ:
সকল মানুষ হয় মরণশীল।
∴ কোনো মানুষ নয় অমরণশীল।

এখানে ‘মানুষ’ উদ্দেশ্য পদ অপরিবর্তিত রয়েছে এবং ‘মরণশীল’-এর বিরুদ্ধ পদ ‘অমরণশীল’ গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সদর্থক বচন নঞর্থক হয়েছে।

২. E-বচনের বিবর্তন:
E-বচন বিবর্তিত হয়ে A-বচনে পরিণত হয়।

উদাহরণ:
কোনো মানুষ নয় অমর।
∴ সকল মানুষ হয় অমর নয় এমন।

৩. I-বচনের বিবর্তন:
I-বচন বিবর্তিত হয়ে O-বচনে পরিণত হয়।

উদাহরণ:
কোনো কোনো ফুল হয় সুগন্ধি।
∴ কোনো কোনো ফুল নয় অসুগন্ধি।

৪. O-বচনের বিবর্তন:
O-বচন বিবর্তিত হয়ে I-বচনে পরিণত হয়।

উদাহরণ:
কোনো কোনো মানুষ নয় সুখী।
∴ কোনো কোনো মানুষ হয় অসুখী।

বিবর্তনের সূত্র:
A → E
E → A
I → O
O → I

অতএব, বিবর্তনে উদ্দেশ্য পদ অপরিবর্তিত থাকে, বিধেয়ের বিরুদ্ধ পদ বসে, বচনের গুণ পরিবর্তিত হয় এবং পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে।

১০. সম-বিবর্তন কাকে বলে? উদাহরণসহ আলোচনা কর।

উত্তর:
যে প্রক্রিয়ায় কোনো বচনকে প্রথমে বিবর্তন এবং পরে প্রাপ্ত বচনকে আবর্তন করে একটি নতুন বচন বা সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়, তাকে সম-বিবর্তন বলে। অর্থাৎ সম-বিবর্তনের ক্ষেত্রে দুটি অমাধ্যম অনুমান-প্রক্রিয়া ধারাবাহিকভাবে ব্যবহৃত হয়— প্রথমে বিবর্তন এবং পরে আবর্তন।

সম-বিবর্তনের প্রথম ধাপে মূল বচনের বিবর্তন করা হয়। অর্থাৎ উদ্দেশ্য পদ অপরিবর্তিত রেখে বিধেয় পদের পরিবর্তে তার বিরুদ্ধ পদ বসানো হয় এবং বচনের গুণ পরিবর্তন করা হয়। এরপর প্রাপ্ত বচনের আবর্তন করে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের স্থান পরিবর্তন করা হয়।

উদাহরণ:
হেতুবাক্য: সকল মানুষ হয় মরণশীল।

প্রথমে বিবর্তন করলে—
কোনো মানুষ নয় অমরণশীল।

এখন প্রাপ্ত E-বচনটির আবর্তন করলে—
কোনো অমরণশীল নয় মানুষ।

এখানে প্রথমে বিবর্তন এবং পরে আবর্তন করা হয়েছে। তাই এটি সম-বিবর্তনের উদাহরণ।

সম-বিবর্তনের বৈশিষ্ট্য:
১. এটি অমাধ্যম অনুমানের উপর ভিত্তি করে গঠিত।
২. এতে দুটি ধাপ থাকে।
৩. প্রথম ধাপে বিবর্তন করা হয়।
৪. দ্বিতীয় ধাপে আবর্তন করা হয়।
৫. মূল বচনের সঙ্গে সিদ্ধান্তের যৌক্তিক সম্পর্ক বজায় রাখা হয়।

সুতরাং, বিবর্তন ও আবর্তনের ধারাবাহিক প্রয়োগের মাধ্যমে যে নতুন বচন বা সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়, তাকে সম-বিবর্তন বলে।

আবর্তন ও বিবর্তনের পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

মান–১ : অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

১. আবর্তন কাকে বলে?

২. বিবর্তন কাকে বলে?

৩. আবর্তন কোন ধরনের অনুমান?

৪. বিবর্তন কোন ধরনের অনুমান?

৫. সরল বা সম-আবর্তন কাকে বলে?

৬. অসম বা অ-সম-আবর্তন কাকে বলে?

৭. বস্তুগত বিবর্তন কাকে বলে?

৮. ‘O’-বচনের আবর্তন সম্ভব নয় কেন?

৯. ‘E’-বচনের সরল আবর্তন সম্ভব কি?

১০. ‘I’-বচনের সরল আবর্তন সম্ভব কি?

১১. কোন বচনের আবর্তন সম্ভব নয়?

১২. আবর্তনে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের কী পরিবর্তন হয়?

১৩. বিবর্তনে উদ্দেশ্য পদের কী পরিবর্তন হয়?

১৪. বিবর্তনে বিধেয় পদের কী পরিবর্তন হয়?

১৫. আবর্তন ও বিবর্তন কোন ধরনের অমাধ্যম অনুমান?

মান–২ : গুরুত্বপূর্ণ

১. আবর্তন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

২. বিবর্তন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

৩. আবর্তনের দুটি নিয়ম লেখ।

৪. বিবর্তনের দুটি নিয়ম লেখ।

৫. আবর্তন ও বিবর্তনের দুটি পার্থক্য লেখ।

৬. আবর্তন ও বিবর্তনের দুটি সাদৃশ্য লেখ।

৭. আবর্তনের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।

৮. বিবর্তনের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।

৯. সরল বা সম-আবর্তন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

১০. অসম বা অ-সম-আবর্তন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

১১. সরল আবর্তন ও অসম আবর্তনের দুটি পার্থক্য লেখ।

১২. আবর্তনকে অমাধ্যম অনুমান বলা হয় কেন?

১৩. বিবর্তনকে অমাধ্যম অনুমান বলা হয় কেন?

১৪. বস্তুগত বিবর্তন কাকে বলে?

১৫. ‘O’-বচনের আবর্তন সম্ভব নয় কেন?

১৬. কোন কোন ক্ষেত্রে ‘A’-বচনের সরল আবর্তন সম্ভব?

মান–৫ : গুরুত্বপূর্ণ

১. মাধ্যম অনুমান ও অমাধ্যম অনুমানের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

২. আবর্তন কাকে বলে? আবর্তনের নিয়মগুলি উদাহরণসহ আলোচনা কর।

৩. বিবর্তন কাকে বলে? বিবর্তনের নিয়মগুলি উদাহরণসহ আলোচনা কর।

৪. সরল বা সম-আবর্তন ও অসম বা অ-সম-আবর্তনের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

৫. আবর্তন ও বিবর্তনের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

৬. অমাধ্যম অনুমান কাকে বলে? উদাহরণসহ আলোচনা কর।

৭. বস্তুগত বিবর্তন কাকে বলে? একে কি প্রকৃত বিবর্তন বলা যায়?

৮. ‘A’-বচনের সরল আবর্তন কোন কোন ক্ষেত্রে সম্ভব? উদাহরণসহ আলোচনা কর।

মান–১০ : সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ

১. আবর্তন কাকে বলে? আবর্তনের বিভিন্ন নিয়মগুলি উদাহরণসহ আলোচনা কর।

২. বিবর্তন কাকে বলে? বিবর্তনের বিভিন্ন নিয়মগুলি উদাহরণসহ আলোচনা কর।

৩. আবর্তন ও বিবর্তনের মধ্যে পার্থক্য আলোচনা কর।

৪. মাধ্যম অনুমান ও অমাধ্যম অনুমানের মধ্যে পার্থক্য উদাহরণসহ আলোচনা কর।

৫. অমাধ্যম অনুমান কাকে বলে? এর বিভিন্ন প্রকার ও বৈশিষ্ট্য আলোচনা কর।

৬. সরল বা সম-আবর্তন এবং অসম বা অ-সম-আবর্তন কাকে বলে? উদাহরণসহ তাদের পার্থক্য আলোচনা কর।

৭. ‘A’-বচনের সরল আবর্তন সম্ভব কি না—যুক্তিসহ আলোচনা কর।

৮. ‘O’-বচনের আবর্তন সম্ভব নয় কেন—যুক্তিসহ ব্যাখ্যা কর।

৯. বস্তুগত বিবর্তন কাকে বলে? একে প্রকৃত বিবর্তন বলা যায় কি না, যুক্তিসহ আলোচনা কর।

১০. সম-বিবর্তন কাকে বলে? উদাহরণসহ এর পদ্ধতি ও বৈশিষ্ট্য আলোচনা কর।

বিশেষভাবে প্রস্তুত করবে:
আবর্তনের সংজ্ঞা ও নিয়ম, বিবর্তনের সংজ্ঞা ও নিয়ম, A-বচনের আবর্তন, O-বচনের আবর্তন, সরল ও অসম আবর্তনের পার্থক্য, আবর্তন ও বিবর্তনের পার্থক্য, অমাধ্যম অনুমান এবং বস্তুগত বিবর্তন।

আবর্তন ও বিবর্তন

আবর্তন ও বিবর্তন LOGIC

১) এমন নয় যে, সব লোক স্বার্থপর।
L.F – O – কোনো কোনো লোক নয় স্বার্থপর।
আবর্তন :- O – বচনের আবর্তন অসম্ভব।

২) যদি কোনো বস্তু জড় হয় তাহলে, তার ওজন আছে।
L.F – A – সকল জড় বস্তু হয় ওজনশীল।
আবর্তন :- I – কোনো কোনো ওজনশীল হয় জড় বস্তু।

৩) কেবল নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই মন্ত্রী হতে পারে।
L.F – A – সকল মন্ত্রী হয় নির্বাচিত প্রতিনিধি।
আবর্তন :- I – কোনো কোনো নির্বাচিত প্রতিনিধি হয় মন্ত্রী।

৪) অর্থ কে না চায়?
L.F – A – সকল ব্যক্তি হয় অর্থ কামনাকারী।
আবর্তন :- I – কোনো কোনো কামনাকারী হয় ব্যক্তি।

৫) অশান্তি কে চায়?
L.F – E – কোনো ব্যক্তি নয় অশান্তি কামনাকারী।
আবর্তন :- E – কোনো অশান্তি কামনাকারী নয় ব্যক্তি।

৬) কেবল প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদেরই ভোটাধিকার আছে।
L.F – A – সকল ভোটাধিকার হয় প্রাপ্তবয়স্ক।
আবর্তন :- I – কোনো কোনো প্রাপ্তবয়স্ক হয় ভোটাধিকার।

৭) গরু একটি তৃণভোজী প্রাণী।
L.F – A – সকল গরু হয় তৃণভোজী।
আবর্তন :- I – কোনো কোনো তৃণভোজী হয় গরু।

৮) ডাক্তার ছাড়া আর কেউ এই পদের যোগ্য নয়।
L.F – A – সকল ক্ষেত্রে এই পদের যোগ্য হয় ডাক্তার।
আবর্তন :- I – কোনো কোনো ডাক্তার হয় এই পদের যোগ্য।

৯) একটি ছাড়া সব ধাতুই কঠিন।
L.F – I – কোনো কোনো ধাতু হয় কঠিন।
আবর্তন :- I – কোনো কোনো কঠিন হয় ধাতু।

১০) একটি চোর পালিয়ে গিয়েছিল।
L.F – I – কোনো কোনো চোর হয় পলাতক।
আবর্তন :- I – কোনো কোনো পলাতক হয় চোর।

১১) কোনো ব্যক্তি একইসঙ্গে শোষক ও সাম্যবাদী হতে পারে না।
L.F – E – কোনো শোষক নয় সাম্যবাদী।
আবর্তন :- E – কোনো সাম্যবাদী নয় শোষক।

১২) ফুল সুগন্ধি।
L.F – I – কোনো কোনো ফুল হয় সুগন্ধি।
আবর্তন :- I – কোনো কোনো সুগন্ধি হয় ফুল।

১৩) ফুল সুন্দর।
L.F – A – সকল ফুল হয় সুন্দর।
আবর্তন :- I – কোনো কোনো সুন্দর হয় ফুল।

১৪) সুখী নয় এমন মানুষের সংখ্যা খুব কম।
L.F – I – কোনো কোনো মানুষ হয় সুখী।
আবর্তন :- I – কোনো কোনো সুখী হয় মানুষ।

১৫) লোহার তৈরি অথচ ভারী নয়—এমন বস্তু থাকতে পারে না।
L.F – A – সকল লোহার তৈরি জিনিস হয় ভারী।
আবর্তন :- I – কোনো কোনো ভারী বস্তু হয় লোহার তৈরি জিনিস।

১৬) সৎ লোক আছে।
L.F – I – কোনো কোনো লোক হয় সৎ।
আবর্তন :- I – কোনো কোনো সৎ হয় লোক।

১৭) বিনয়ী ব্যক্তির অহংকার নেই।
L.F – E – কোনো বিনয়ী ব্যক্তি নয় অহংকারী।
আবর্তন :- E – কোনো অহংকারী নয় বিনয়ী ব্যক্তি।

১৮) পাখির ডানা আছে।
L.F – A – সকল পাখি হয় ডানাযুক্ত।
আবর্তন :- I – কোনো কোনো ডানাযুক্ত হয় পাখি।

১৯) উট পাখি উড়তে পারে না।
L.F – E – কোনো উট পাখি নয় উড্ডয়নশীল।
আবর্তন :- E – কোনো উড্ডয়নশীল নয় উট পাখি।

২০) অল্প মানুষই স্বার্থশূন্য।
L.F – I – কোনো কোনো মানুষ হয় স্বার্থশূন্য।
আবর্তন :- I – কোনো কোনো স্বার্থশূন্য হয় মানুষ।

১) সব ফুল লাল নয়।
L.F – O – বচন – কোনো কোনো ফুল নয় লাল। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – I বচন – কোনো কোনো ফুল হয় অ-লাল। — বিবর্তন

২) হীরাই একমাত্র চকচকে বস্তু নয়।
L.F – O – বচন – কোনো কোনো হীরা নয় চকচকে বস্তু। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – I বচন – কোনো কোনো হীরা হয় অ-চকচকে বস্তু। — বিবর্তন

৩) কেবলমাত্র শিক্ষিত ব্যক্তিরাই প্রতিবাদী।
L.F – A – বচন – সকল প্রতিবাদী হন শিক্ষিত। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – E বচন – কোনো প্রতিবাদী নন অ-শিক্ষিত। — বিবর্তন

৪) অসৎ ব্যক্তিরা সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর।
L.F – A – বচন – সকল অসৎ ব্যক্তি হন সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – E বচন – কোনো অসৎ ব্যক্তি নন অ-সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর। — বিবর্তন

৫) ভালো ছাত্ররা কদাচিৎ সময়ের অপচয় করে।
L.F – O – বচন – কোনো কোনো ছাত্র নয় সময়ের অপচয়কারী। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – I বচন – কোনো কোনো ছাত্র হয় অ-সময়ের অপচয়কারী। — বিবর্তন

৬) জাতিভেদ প্রথা কখনই ঐক্য আনে না।
L.F – E – বচন – কোনো জাতিভেদ প্রথা নয় ঐক্যকারী। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – A বচন – সকল জাতিভেদ প্রথা হয় অ-ঐক্যকারী। — বিবর্তন

৭) অর্থনৈতিক স্ব-নির্ভরতা কে না চায়?
L.F – A – বচন – সকল ব্যক্তি হন অর্থ কামনাকারী। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – E বচন – কোনো ব্যক্তি নন অ-অর্থ কামনাকারী। — বিবর্তন

৮) একজনও আসেনি।
L.F – E – বচন – কোনো ব্যক্তি নয় উপস্থিত। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – A বচন – সকল ব্যক্তি হয় অ-উপস্থিত। — বিবর্তন

৯) রাম ছাড়া সবাই অছাত্র।
L.F – A – বচন – সকল ব্যক্তি (রাম ছাড়া) হয় অছাত্র। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – E বচন – কোনো ব্যক্তি (রাম ছাড়া) নয় ছাত্র। — বিবর্তন

১০) প্রায় প্রত্যেকটি মানুষ ভুল করে।
L.F – A – বচন – সকল মানুষ হয় ভুলকারী। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – E বচন – কোনো মানুষ নয় অ-ভুলকারী। — বিবর্তন

১১) পণ্ডিত ব্যক্তি ভালো শিক্ষক নাও হতে পারে।
L.F – O – বচন – কোনো কোনো পণ্ডিত ব্যক্তি নন ভালো শিক্ষক। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – I বচন – কোনো কোনো পণ্ডিত ব্যক্তি হন অ-ভালো শিক্ষক। — বিবর্তন

১২) যে ভাববাদী সে আত্মবাদী—এ কথা সত্য হতে নাও পারে।
L.F – O – বচন – কোনো কোনো ভাববাদী নন আত্মবাদী। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – I বচন – কোনো কোনো ভাববাদী হন অ-আত্মবাদী। — বিবর্তন

১৩) যাদের শিক্ষা আছে তারাই কুসংস্কারমুক্ত হতে পারে।
L.F – A – বচন – সকল শিক্ষিত ব্যক্তি হন কুসংস্কারমুক্ত। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – E বচন – কোনো শিক্ষিত ব্যক্তি নন অ-কুসংস্কারমুক্ত। — বিবর্তন

১৪) একমাত্র স্নাতকরাই এই পদের জন্য দরখাস্ত করতে পারে।
L.F – A – বচন – সকল ক্ষেত্রে এই পদের জন্য দরখাস্ত করতে পারা ব্যক্তি হন স্নাতক। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – E বচন – কোনো ক্ষেত্রে এই পদের জন্য দরখাস্ত করতে পারা ব্যক্তি নন অ-স্নাতক। — বিবর্তন

১৫) চিরস্থায়ী বলে কোনো কিছু নেই।
L.F – E – বচন – কোনো কিছু নয় চিরস্থায়ী। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – A বচন – সকল কিছু হয় অ-চিরস্থায়ী। — বিবর্তন

১৬) একটি ধাতু অকঠিন।
L.F – I – বচন – কোনো কোনো ধাতু হয় কঠিন। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – O বচন – কোনো কোনো ধাতু নয় অ-কঠিন। — বিবর্তন

১৭) ভারতীয় দর্শন প্রধানত অধ্যাত্মবাদী।
L.F – A – বচন – সকল ভারতীয় দর্শন হয় অধ্যাত্মবাদী। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – E বচন – কোনো ভারতীয় দর্শন নয় অ-অধ্যাত্মবাদী। — বিবর্তনীয়

১৮) ধনীদের অভাব নেই।
L.F – A – বচন – কোনো ধনী নয় অভাবী। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – A বচন – সকল ধনী হয় অ-অভাবী। — বিবর্তনীয়

১৯) স্বাবলম্বীরা কদাচিৎ অদৃষ্টবাদী।
L.F – O – বচন – কোনো কোনো স্বাবলম্বী নয় অদৃষ্টবাদী। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – I বচন – কোনো কোনো স্বাবলম্বী হয় অ-অদৃষ্টবাদী। — বিবর্তন

২০) একজন প্রতিবন্ধী স্বাবলম্বী হতে পারে।
L.F – I – বচন – কোনো কোনো প্রতিবন্ধী হন স্বাবলম্বী। — বিবর্তনীয়
বিবর্তন – O বচন – কোনো কোনো প্রতিবন্ধী নন অ-স্বাবলম্বী। — বিবর্তনীয়

১) যুক্তিবাদীরা কুসংস্কারে বিশ্বাস করে না।
L.F – E – কোনো যুক্তিবাদী নয় কুসংস্কারে বিশ্বাসী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – E – কোনো কুসংস্কারে বিশ্বাসী নয় যুক্তিবাদী। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল যুক্তিবাদী হয় কুসংস্কারে অবিশ্বাসী। — বিবর্তন

২) লাল গোলাপ আছে।
L.F – I – কোনো কোনো গোলাপ হয় লাল। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো লাল হয় গোলাপ। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো গোলাপ নয় অ-লাল। — বিবর্তন

৩) মানুষ একটি দ্বিপদ প্রাণী।
L.F – A – সকল মানুষ হয় দ্বিপদ প্রাণী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো দ্বিপদ প্রাণী হয় মানুষ। — আবর্তন
বিবর্তন – E – কোনো দ্বিপদ প্রাণী নয় অমানুষ। — বিবর্তন

৪) সব মানুষই সবসময় অসুখী নয়।
L.F – O – কোনো কোনো মানুষ নয় অসুখী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – আবর্তন অসম্ভব।
বিবর্তন – I – কোনো কোনো মানুষ হয় সুখী। — বিবর্তন

৫) ছাত্ররাই কেবল সদস্য।
L.F – A – সকল ছাত্র হয় সদস্য। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো সদস্য হয় ছাত্র। — আবর্তন
বিবর্তন – E – কোনো ছাত্র নয় অ-সদস্য। — বিবর্তন

৬) ভালো খেলোয়াড় কদাচিৎ খেলায় হারে।
L.F – O – কোনো কোনো ভালো খেলোয়াড় নয় খেলায় জেতা ব্যক্তি। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – O – আবর্তন অসম্ভব।
বিবর্তন – I – কোনো কোনো ভালো খেলোয়াড় হয় খেলায় অজেতা ব্যক্তি। — বিবর্তন

৭) সরস উড়ে।
L.F – A – সকল সরস হয় উড়ন্ত প্রাণী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো উড়ন্ত প্রাণী হয় সরস। — আবর্তন
বিবর্তন – E – কোনো সরস নয় অ-উড়ন্ত প্রাণী। — বিবর্তন

৮) দার্শনিকরা সচরাচর উদার হন।
L.F – I – কোনো কোনো দার্শনিক হয় উদার। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো উদার হয় দার্শনিক। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো দার্শনিক নয় অনুদার। — বিবর্তন

৯) শোষকরা কখনই শান্তিকামী হতে পারে না।
L.F – E – কোনো শোষক নয় শান্তিকামী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – E – কোনো শান্তিকামী নয় শোষক। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল শোষক হয় অশান্তিকামী। — বিবর্তন

১০) খুব কম সংখ্যক মানুষই স্বার্থপর নয়।
L.F – I – কোনো কোনো মানুষ হয় স্বার্থপর। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো স্বার্থপর হয় মানুষ। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো মানুষ নয় অস্বার্থপর। — বিবর্তন

১১) সকল অবিবাহিত পুরুষ হয় অকুমার।
L.F – A – সকল অবিবাহিত পুরুষ হয় অকুমার। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো অকুমার হয় অবিবাহিত। — আবর্তন
বিবর্তন – E – কোনো অবিবাহিত নয় কুমার। — বিবর্তন

১২) কোনো কোনো বাঙালি হয় মৎস্যভোজী।
L.F – I – কোনো কোনো বাঙালি হয় মৎস্যভোজী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো মৎস্যভোজী হয় বাঙালি। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো বাঙালি হয় অ-মৎস্যভোজী। — বিবর্তন

১৩) মানুষ সর্বজ্ঞ নয়।
L.F – E – কোনো মানুষ নয় সর্বজ্ঞ। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – E – কোনো সর্বজ্ঞ নয় মানুষ। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল মানুষ হয় অসর্বজ্ঞ। — বিবর্তন

১৪) যার শিক্ষা আছে তার দৃষ্টিভঙ্গি উদার।
L.F – A – সকল শিক্ষিত ব্যক্তি হয় দৃষ্টিভঙ্গিতে উদার। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো দৃষ্টিভঙ্গিতে উদার হয় অশিক্ষিত ব্যক্তি। — আবর্তন
বিবর্তন – E – কোনো শিক্ষিত ব্যক্তি হয় দৃষ্টিভঙ্গিতে অনুদার। — বিবর্তন

১৫) ভারতের অধিকাংশ মানুষ দারিদ্রতার নিচে বসবাস করে।
L.F – I – কোনো কোনো মানুষ হয় দারিদ্রতার নিচে বসবাসকারী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো দারিদ্রতার নিচে বসবাসকারী হয় মানুষ। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো মানুষ নয় অদারিদ্রতার নিচে বসবাসকারী। — বিবর্তন

১৬) বিবাহিত পুরুষরা অবশ্যই স্বামী।
L.F – A – সকল বিবাহিত পুরুষ হয় স্বামী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো স্বামী হয় বিবাহিত। — আবর্তন
বিবর্তন – E – কোনো বিবাহিত পুরুষ নয় অস্বামী। — বিবর্তন

১৭) যারা উচ্চপদে আসীন তাঁরা অনেকেই যোগ্য ব্যক্তি নয়।
L.F – O – কোনো কোনো উচ্চপদে আসীন ব্যক্তি নয় যোগ্য ব্যক্তি। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – আবর্তন অসম্ভব।
বিবর্তন – I – কোনো কোনো উচ্চপদে আসীন ব্যক্তি হয় অযোগ্য ব্যক্তি। — বিবর্তন

১৮) যুক্তিবাদীরা সাধারণত অবিজ্ঞানমনস্ক হয়।
L.F – I – কোনো কোনো যুক্তিবাদী হয় অবিজ্ঞানমনস্ক। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো অবিজ্ঞানমনস্ক হয় যুক্তিবাদী। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো যুক্তিবাদী নয় বিজ্ঞানমনস্ক। — বিবর্তন

১৯) মালিকেরা শ্রমিকের বন্ধু হতে পারে না।
L.F – E – কোনো মালিক নয় শ্রমিকের বন্ধু। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – E – কোনো শ্রমিকের বন্ধু নয় মালিক। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল মালিক হয় শ্রমিকের অবন্ধু। — বিবর্তন

২০) কম্পিউটার কি বিদ্যুৎ নষ্ট করে?
L.F – A – সকল কম্পিউটার হয় বিদ্যুৎ নষ্টকারী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো বিদ্যুৎ নষ্টকারী হয় কম্পিউটার। — আবর্তন
বিবর্তন – E – কোনো কম্পিউটার হয় অবিদ্যুৎ নষ্টকারী। — বিবর্তন

১) পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘোরে।
L.F – A – পৃথিবী হয় সূর্যের চারিদিকে ঘোরা বস্তু। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো সূর্যের চারিদিকে ঘোরা বস্তু হয় পৃথিবী। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো সূর্যের চারিদিকে ঘোরা বস্তু নয় অ-পৃথিবী। — বিবর্তন

২) মূল্যবান পুস্তক কদাচিৎ পঠিত হয়।
L.F – O – কোনো কোনো মূল্যবান পুস্তক নয় কদাচিৎ পঠিত। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব।
বিবর্তন – I – এক্ষেত্রে বিবর্তন ও অসম্ভব।

৩) তুমি সুখী হও।
L.F – A – তুমি হও সুখী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো সুখী হও তুমি। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো সুখী নও অ-তুমি। — বিবর্তন

৪) এখন গরম।
L.F – A – আবহাওয়াটি হয় গরম। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো গরম হয় আবহাওয়া। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো গরম নয় অ-আবহাওয়া। — বিবর্তন

৫) মিথ্যাবাদীরা কখনই ভালো নয়।
L.F – E – কোনো মিথ্যাবাদী নয় ভালো। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – E – কোনো ভালো নয় মিথ্যাবাদী। — আবর্তন
বিবর্তন – A – কোনো ভালো হয় অ-মিথ্যাবাদী। — বিবর্তন

৬) কখনও মিথ্যা বলিও না।
L.F – E – তুমি নও মিথ্যা কথা বলা ব্যক্তি। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – E – কোনো মিথ্যা কথা বলা ব্যক্তি নও তুমি। — আবর্তন
বিবর্তন – A – কোনো মিথ্যা কথা বলা ব্যক্তি হও অ-তুমি। — বিবর্তন

৭) ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয়।
L.F – A – সকল ইচ্ছা হয় উপায়কারী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো উপায়কারী হয় ইচ্ছা। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো উপায়কারী নয় অ-ইচ্ছা। — বিবর্তন

৮) প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয় সুখী।
L.F – A – প্রধানমন্ত্রী হয় সুখী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো সুখী হয় প্রধানমন্ত্রী। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো সুখী নয় অ-প্রধানমন্ত্রী। — বিবর্তন

৯) কেবলমাত্র পরিশ্রমী ব্যক্তিরাই জীবনে সাফল্য লাভ করে।
L.F – A – সকল জীবনে সাফল্য লাভকারী ব্যক্তি হয় পরিশ্রমী ব্যক্তি। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো পরিশ্রমী ব্যক্তি হয় জীবনে সাফল্য লাভকারী ব্যক্তি। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো পরিশ্রমী ব্যক্তি নয় অ-জীবনে সাফল্য লাভকারী ব্যক্তি। — বিবর্তন

১০) লাল ফুলের গন্ধ নেই।
L.F – E – কোনো লাল ফুল নয় গন্ধ যুক্ত। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – E – কোনো গন্ধ যুক্ত নয় ফুল। — আবর্তন
বিবর্তন – A – কোনো গন্ধ যুক্ত হয় অ-ফুল। — বিবর্তন

১১) সে কখনও সত্য কথা বলে না।
L.F – E – সে নয় সত্য কথা বলা ব্যক্তি। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – E – কোনো সত্য কথা বলা ব্যক্তি নয় সে। — আবর্তন
বিবর্তন – A – কোনো সত্য কথা বলা ব্যক্তি হয় অ-সে। — বিবর্তন

১২) প্রত্যেক শিক্ষক কবি নয়।
L.F – O – কোনো কোনো শিক্ষক নয় কবি। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব।
বিবর্তন – O – বিবর্তনও অসম্ভব।

১৩) সকল সাপ বিষাক্ত নয়।
L.F – O – কোনো কোনো সাপ নয় বিষাক্ত। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব।
বিবর্তন – O – বিবর্তনও অসম্ভব।

১৪) অধিকাংশ ছাত্রই ইংরেজীতে দুর্বল।
L.F – I – কোনো কোনো ছাত্র হয় ইংরেজীতে দুর্বল। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো ইংরেজীতে দুর্বল হয় ছাত্র। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো ইংরেজীতে দুর্বল নয় অ-ছাত্র। — বিবর্তন

১৫) কাজটি কর।
L.F – A – আমার আদেশ হয় তোমার কাজটি করা। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো তোমার কাজটি করা হয় আমার আদেশ। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো তোমার কাজটি করা নয় অ-আমার আদেশ। — বিবর্তন

১৬) বইগুলি দরকারী।
L.F – A – বইগুলি হয় দরকারী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো দরকারী হয় বইগুলি। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো দরকারী নয় অ-বইগুলি। — বিবর্তন

১৭) কে স্বাধীন হতে না চায়?
L.F – A – সকল ব্যক্তি হয় স্বাধীন হতে চাওয়া ব্যক্তি। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো স্বাধীন হতে চাওয়া ব্যক্তি হয় ব্যক্তি। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো স্বাধীন হতে চাওয়া ব্যক্তি নয় অ-ব্যক্তি। — বিবর্তন

১৮) একটি ছাড়া সব ফুল সুন্দর।
L.F – I – কোনো কোনো ফুল হয় সুন্দর। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো সুন্দর হয় ফুল। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো সুন্দর নয় অ-ফুল। — বিবর্তন

১৯) তুমি দীর্ঘজীবী হও।
L.F – A – তুমি হও দীর্ঘজীবী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো দীর্ঘজীবী হও তুমি। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো দীর্ঘজীবী নও অ-তুমি। — বিবর্তন

২০) এখন প্রাতঃকাল।
L.F – A – সময়টি হয় প্রাতঃকাল। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো প্রাতঃকাল হয় সময়টি। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো প্রাতঃকাল নয় অ-সময়টি। — বিবর্তন

১) কদাচিৎ ছাত্র বুদ্ধিম্যান।
L.F – I – কোনো কোনো ছাত্র হয় বুদ্ধিম্যান। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো বুদ্ধিম্যান হয় ছাত্র। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো বুদ্ধিম্যান নয় অ-ছাত্র। — বিবর্তন
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব।

২) কোনো মানুষ নয় সৎ।
L.F – E – কোনো মানুষ নয় সৎ। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – E – কোনো সৎ নয় মানুষ। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল সৎ হয় অ-মানুষ। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-মানুষ হয় সৎ। — আবর্তন

৩) গোলাপি ইঁদুর নেই।
L.F – E – কোনো ইঁদুর নয় গোলাপি। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – E – কোনো গোলাপি নয় ইঁদুর। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল গোলাপি হয় অ-ইঁদুর। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-ইঁদুর হয় গোলাপি। — আবর্তন

৪) সাদা বাঘ আছে।
L.F – I – কোনো কোনো বাঘ হয় সাদা। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো সাদা হয় বাঘ। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো সাদা নয় অ-বাঘ। — বিবর্তন
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব।

৫) সত্যবাদী রাজনৈতিক নেতা নেই।
L.F – E – কোনো রাজনৈতিক নেতা নয় সত্যবাদী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – E – কোনো সত্যবাদী নয় রাজনৈতিক নেতা। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল সত্যবাদী হয় অ-রাজনৈতিক নেতা। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-রাজনৈতিক নেতা হয় সত্যবাদী। — আবর্তন

৬) এমন নয় যে সব মানুষ সত্যবাদী।
L.F – O – কোনো কোনো মানুষ নয় সত্যবাদী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব।
বিবর্তন – I – বিবর্তনও অসম্ভব।
আবর্তন – I – আবর্তনও অসম্ভব।

৭) কালো কাক আছে।
L.F – I – কোনো কোনো কাক হয় কালো। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো কালো হয় কাক। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো কালো নয় অ-কাক। — বিবর্তন
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব। — আবর্তন

৮) যারা প্রশংসা করে তারা সকলেই বন্ধু নয়।
L.F – O – কোনো কোনো প্রশংসাকারী নয় প্রকৃত বন্ধু। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব।
বিবর্তন – I – বিবর্তনও অসম্ভব।
আবর্তন – I – আবর্তনও অসম্ভব।

৯) কুকুর কি কখনও বিদ্বান হয়?
L.F – E – কোনো কুকুর নয় বিদ্বান। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – E – কোনো বিদ্বান নয় কুকুর। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল বিদ্বান হয় অ-কুকুর। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-কুকুর হয় বিদ্বান। — আবর্তন

১০) সাদা বাঘ নেই।
L.F – E – কোনো বাঘ নয় সাদা। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – E – কোনো সাদা নয় বাঘ। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল সাদা হয় অ-বাঘ। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-বাঘ হয় সাদা। — আবর্তন

১১) সত্যবাদী রাজনৈতিক নেতা আছে।
L.F – I – কোনো কোনো রাজনৈতিক নেতা হয় সত্যবাদী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – O – কোনো কোনো সত্যবাদী নয় রাজনৈতিক নেতা। — আবর্তন
বিবর্তন – I – কোনো কোনো সত্যবাদী হয় অ-রাজনৈতিক নেতা। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-রাজনৈতিক নেতা হয় সত্যবাদী। — আবর্তন

১২) রাজনীতিবিদেরা সর্বদা মিথ্যা কথা বলেন না।
L.F – E – কোনো রাজনীতিবিদ নন সর্বদা মিথ্যা কথা বলা ব্যক্তি। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – E – কোনো সর্বদা মিথ্যা কথা বলা ব্যক্তি নন রাজনীতিবিদ। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল সর্বদা মিথ্যা কথা বলা ব্যক্তি হন অ-রাজনীতিবিদ। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-রাজনীতিবিদ হন সর্বদা মিথ্যা কথা বলা ব্যক্তি। — আবর্তন

১৩) চিনির স্বাদ মিষ্টি।
L.F – A – সকল চিনি হয় মিষ্টি। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো মিষ্টি হয় চিনি। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো মিষ্টি নয় অ-চিনি। — বিবর্তন
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব।

১৪) সবুজ হাঁস নেই।
L.F – E – কোনো হাঁস নয় সবুজ। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – E – কোনো সবুজ নয় হাঁস। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল সবুজ হয় অ-হাঁস। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-হাঁস হয় সবুজ। — আবর্তন

১৫) এমন কোনো মুদ্রা নেই যা ধাতু দিয়ে তৈরি নয়।
L.F – A – সকল মুদ্রা হয় ধাতু দ্বারা নির্মিত। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো ধাতু দ্বারা নির্মিত হয় মুদ্রা। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো ধাতু দ্বারা নির্মিত নয় অ-মুদ্রা। — বিবর্তন
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব।

১৬) সকলেই বন্ধু নয়, যাদের বন্ধু বলে মনে হয়।
L.F – O – কোনো কোনো বন্ধু নয় প্রকৃত বন্ধু। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব।
বিবর্তন – I – বিবর্তনও অসম্ভব।
আবর্তন – I – আবর্তনও অসম্ভব।

১৭) যদি কোনো দেশ স্বাধীন হয় তাহলে সেই দেশ অবশ্যই উন্নতিশীল।
L.F – A – সকল স্বাধীন দেশ হয় উন্নতিশীল। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো উন্নতিশীল হয় স্বাধীন দেশ। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো উন্নতিশীল নয় অ-স্বাধীন দেশ। — বিবর্তন
আবর্তন – O – বচনে আবর্তনও অসম্ভব।

১৮) যদি কোনো কিছু দুর্লভ হয় তাহলে তা দুর্মূল্য।
L.F – A – সকল দুর্লভ হয় দুর্মূল্য। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো দুর্মূল্য হয় দুর্লভ। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো দুর্মূল্য নয় অ-দুর্লভ। — বিবর্তন
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব।

১৯) কোনো কিছুই একসঙ্গে সাদা ও কালো হতে পারে না।
L.F – E – কোনো সাদা নয় কালো। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – E – কোনো কালো নয় সাদা। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল কালো হয় অ-সাদা। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-সাদা হয় কালো। — আবর্তন

২০) সৎ এবং পরিশ্রমী ছাত্র আছে।
L.F – I – কোনো কোনো ছাত্র হয় সৎ এবং পরিশ্রমী। — যুক্তিবাক্য
আবর্তন – I – কোনো কোনো সৎ এবং পরিশ্রমী হয় ছাত্র। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো সৎ এবং পরিশ্রমী নয় অ-ছাত্র। — বিবর্তন
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব।

অবশ্যই। ১৪১–১৬০-এর সিরিয়াল নম্বর ১ থেকে ২০ পর্যন্ত করে দিলাম। আপনার দেওয়া বিষয়বস্তু ও উত্তরগুলোর কাঠামো অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

১) এমন কোনো মানুষ নেই যে অমর।
L.F – E – কোনো মানুষ নয় অমর। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সকল মানুষ হয় অ-অমর। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-অমর হয় মানুষ। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো অ-অমর নয় অ-মানুষ। — বিবর্তন

২) গরু তৃণভোজী।
L.F – A – সকল গরু হয় তৃণভোজী। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো গরু নয় অ-তৃণভোজী। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো অ-তৃণভোজী নয় গরু। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল অ-তৃণভোজী হয় অ-গরু। — বিবর্তন

৩) মৃতব্যক্তি কি কখনও কথা বলে?
L.F – E – কোনো মৃতব্যক্তি নয় কথা বলতে পারা ব্যক্তি। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সকল মৃতব্যক্তি হয় অ-কথা বলতে পারা ব্যক্তি। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-কথা বলতে পারা ব্যক্তি হয় মৃতব্যক্তি। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো অ-কথা বলতে পারা ব্যক্তি নয় অ-মৃতব্যক্তি। — বিবর্তন

৪) সৌরভ ছাড়া আর কেউ ভারতের অধিনায়ক নয়।
L.F – A – সকল ক্ষেত্রে ভারতের অধিনায়ক হয় সৌরভ। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো ভারতের অধিনায়ক নয় অ-সৌরভ। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো অ-সৌরভ নয় ভারতের অধিনায়ক। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল অ-সৌরভ হয় অ-ভারতের অধিনায়ক। — বিবর্তন

৫) যদি কেউ মানুষ হয় তাহলে সে অমর নয়।
L.F – E – কোনো মানুষ নয় অমর। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সকল মানুষ হয় অ-অমর। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-অমর হয় মানুষ। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো অ-অমর নয় অ-মানুষ। — বিবর্তন

৬) যদি এটি বৃত্ত হয় তাহলে এটি চতুষ্কোণ নয়।
L.F – E – কোনো বৃত্ত নয় চতুষ্কোণ। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সকল বৃত্ত হয় অ-চতুষ্কোণ। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-চতুষ্কোণ হয় বৃত্ত। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো অ-চতুষ্কোণ নয় অ-বৃত্ত। — বিবর্তন

৭) খুব কম লোক ধনী।
L.F – O – কোনো কোনো লোক নয় ধনী। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – I – কোনো কোনো লোক হয় অ-ধনী। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-ধনী হয় লোক। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো অ-ধনী নয় অ-লোক। — বিবর্তন

৮) যোদ্ধারা কখনই শান্তিকামী নয়।
L.F – E – কোনো যোদ্ধা নয় শান্তিকামী। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সকল যোদ্ধা হয় অ-শান্তিকামী। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-শান্তিকামী হয় যোদ্ধা। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো অ-শান্তিকামী নয় অ-যোদ্ধা। — বিবর্তন

৯) উটপাখি উড়তে পারে না।
L.F – E – কোনো উটপাখি নয় উড়ন্তশীল। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সকল উটপাখি হয় অ-উড়ন্তশীল। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-উড়ন্তশীল হয় উটপাখি। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো অ-উড়ন্তশীল নয় উটপাখি। — বিবর্তন

১০) সবুজ পাখি আছে।
L.F – I – কোনো কোনো পাখি হয় সবুজ। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – O – কোনো কোনো পাখি নয় অ-সবুজ। — বিবর্তন
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব।
বিবর্তন – I – বিবর্তনও অসম্ভব।

১১) এভারেস্ট সর্বোচ্চ পর্বত শিখর।
L.F – A – সকল এভারেস্ট হয় সর্বোচ্চ পর্বত শিখর। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো এভারেস্ট নয় অ-সর্বোচ্চ পর্বত শিখর। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো অ-সর্বোচ্চ পর্বত শিখর নয় এভারেস্ট। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল অ-সর্বোচ্চ পর্বত শিখর হয় অ-এভারেস্ট। — বিবর্তন

১২) ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
L.F – A – ইন্দিরা গান্ধী হন এমন যিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – ইন্দিরা গান্ধী নন অ-এমন যিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। — বিবর্তন
আবর্তন – E – অ-এমন যিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নন ইন্দিরা গান্ধী। — আবর্তন
বিবর্তন – A – অ-এমন যিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন হন অ-ইন্দিরা গান্ধী। — বিবর্তন

১৩) মানুষ ঠকে শেখে।
L.F – A – সকল মানুষ হয় ঠকে শেখা ব্যক্তি। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো মানুষ নয় অ-ঠকে শেখা ব্যক্তি। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো অ-ঠকে শেখা ব্যক্তি নয় মানুষ। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল অ-ঠকে শেখা ব্যক্তি হয় অ-মানুষ। — বিবর্তন

১৪) জঙ্গলে একটিও শাল গাছ নেই।
L.F – E – জঙ্গলটি নয় একটিও শাল গাছ যুক্ত। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – জঙ্গলটি হয় অ-একটিও শাল গাছ যুক্ত। — বিবর্তন
আবর্তন – I – অ-একটিও শাল গাছ যুক্ত হয় জঙ্গলটি। — আবর্তন
বিবর্তন – O – অ-একটিও শাল গাছ যুক্ত নয় অ-জঙ্গলটি। — বিবর্তন

১৫) যাদের দারিদ্র্য বলে মনে হয় তারা সকলেই দারিদ্র্য নয়।
L.F – O – কোনো কোনো দারিদ্র্য বলা ব্যক্তি নয় দরিদ্র। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – I – কোনো কোনো দারিদ্র্য বলা ব্যক্তি হয় অ-দরিদ্র। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-দরিদ্র হয় দারিদ্র্য বলা ব্যক্তি। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো অ-দরিদ্র নয় অ-দারিদ্র্য বলা ব্যক্তি। — বিবর্তন

১৬) সব শিক্ষক জোরে কথা বলতে পারে না।
L.F – O – কোনো কোনো শিক্ষক নয় জোরে কথা বলা ব্যক্তি। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – I – কোনো কোনো শিক্ষক হয় অ-জোরে কথা বলা ব্যক্তি। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-জোরে কথা বলা ব্যক্তি হয় শিক্ষক। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো অ-জোরে কথা বলা ব্যক্তি নয় অ-শিক্ষক। — বিবর্তন

১৭) দাড়িওয়ালা মহিলা নেই।
L.F – E – কোনো মহিলা নয় দাড়িওয়ালা। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – কোনো মহিলা হয় অ-দাড়িওয়ালা। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-দাড়িওয়ালা হয় মহিলা। — আবর্তন
বিবর্তন – O – কোনো কোনো অ-দাড়িওয়ালা নয় অ-মহিলা। — বিবর্তন

১৮) যেখানেই উন্নতি সেখানেই পরিশ্রম।
L.F – A – সকল উন্নতি হয় পরিশ্রম। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো উন্নতি নয় অ-পরিশ্রম। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো অ-পরিশ্রম নয় উন্নতি। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল অ-পরিশ্রম হয় অ-উন্নতি। — বিবর্তন

১৯) মন ছাড়া আর কোনো দ্রব্য চেতন নয়।
L.F – A – সকল ক্ষেত্রে চেতন দ্রব্য হয় মন। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো চেতন দ্রব্য নয় অ-মন। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো অ-মন নয় চেতন দ্রব্য। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল অ-মন হয় অ-চেতন দ্রব্য। — বিবর্তন

২০) সব ভালো তার শেষ ভালো।
L.F – A – সকল ভালো হয় তার শেষ ভালো। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো ভালো নয় অ-তার শেষ ভালো। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো অ-তার শেষ ভালো নয় ভালো। — আবর্তন
বিবর্তন – A – সকল অ-তার শেষ ভালো হয় অ-ভালো। — বিবর্তন

অবশ্যই। ১৬১–১৮০-এর সিরিয়াল নম্বর ১ থেকে ২০ পর্যন্ত করে দিলাম। আপনার দেওয়া বিষয়বস্তু ও উত্তরগুলোর কাঠামো অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

১) মানুষ স্বয়ংসংপূর্ণ নয়।
L.F – E – কোনো মানুষ নয় স্বয়ংসংপূর্ণ। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সকল মানুষ হয় অ-স্বয়ংসংপূর্ণ। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-স্বয়ংসংপূর্ণ হয় মানুষ। — আবর্তন

২) বোম্বাইয়ের বোম্বেটে সিনেমা খুব কম কিশোরই দেখেনি।
L.F – I – কোনো কোনো কিশোর হয় বোম্বাইয়ের বোম্বেটে সিনেমা দেখা ব্যক্তি। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – O – কোনো কোনো কিশোর নয় অ-বোম্বাইয়ের বোম্বেটে সিনেমা দেখা ব্যক্তি। — বিবর্তন
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব।

৩) সুন্দর মুখ সর্বদাই আদৃত।
L.F – A – সকল সুন্দর মুখ হয় আদৃত। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো সুন্দর মুখ নয় অ-আদৃত। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো অ-আদৃত নয় সুন্দর মুখ। — আবর্তন

৪) শান্ত ক্রোধে উত্তর প্রশমিত হয়।
L.F – A – সকল শান্ত ক্রোধ হয় উত্তর প্রশমিত। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো শান্ত ক্রোধ নয় অ-উত্তর প্রশমিত। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো অ-উত্তর নয় শান্ত ক্রোধ। — আবর্তন

৫) আঙুর নাসিক থেকে আসে।
L.F – I – কোনো কোনো আঙুর হয় নাসিক থেকে আসা ফল। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – O – কোনো কোনো আঙুর নয় অ-নাসিক থেকে আসা ফল। — বিবর্তন
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব।

৬) মতান্তর থেকেই মনান্তর তৈরি হয়।
L.F – A – সকল মতান্তর হয় মনান্তরকারী। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো মতান্তর নয় অ-মনান্তরকারী। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো অ-মনান্তর নয় মতান্তর। — আবর্তন

৭) আজকাল কোনো মেয়েই কলেজে শাড়ি পরে যায় না।
L.F – E – কোনো মেয়ে নয় কলেজে শাড়ি পরে যাওয়া ব্যক্তি। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সকল মেয়ে হয় অ-কলেজে শাড়ি পরে যাওয়া ব্যক্তি। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-কলেজে শাড়ি পরে যাওয়া ব্যক্তি হয় মেয়ে। — আবর্তন

৮) আকাশে সময়টা এখন ভালো নয়।
L.F – A – আবহাওয়াটি হয় ভালো। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো আবহাওয়াটি নয় অ-ভালো। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো অ-ভালো নয় আবহাওয়াটি। — আবর্তন

৯) যারাই গির্জায় যায় তারাই সাধু নয়।
L.F – O – কোনো কোনো গির্জায় যাওয়া ব্যক্তি নয় সাধু ব্যক্তি। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – I – কোনো কোনো গির্জায় যাওয়া ব্যক্তি হয় অ-সাধু ব্যক্তি। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-সাধু ব্যক্তি হয় গির্জায় যাওয়া ব্যক্তি। — আবর্তন

১০) সেই প্রার্থনা করে যে ভালোবাসে।
L.F – A – সকল ভালোবাসা ব্যক্তি হয় প্রার্থনাকারী। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো ভালোবাসা ব্যক্তি নয় অ-প্রার্থনাকারী। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো অ-প্রার্থনাকারী নয় ভালোবাসা ব্যক্তি। — আবর্তন

১১) মহান হওয়া মানেই তাকে ভুল বোঝা।
L.F – A – সকল ক্ষেত্রে মহান হওয়া হয় ভুল বোঝা। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো ক্ষেত্রে মহান হওয়া নয় অ-ভুল বোঝা। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো কোনো অ-ভুল নয় ক্ষেত্রে মহান হওয়া। — আবর্তন

১২) মাঝে মাঝে আমাদের সকল চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
L.F – I – কোনো কোনো ক্ষেত্রে আমাদের চেষ্টা হয় ব্যর্থ। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – O – কোনো কোনো ক্ষেত্রে আমাদের চেষ্টা নয় অ-ব্যর্থ। — বিবর্তন
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব।

১৩) সে কাউকে প্রশংসা করে না।
L.F – E – সে নয় কাউকে প্রশংসাকারী। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সে হয় অ-কাউকে প্রশংসাকারী। — বিবর্তন
আবর্তন – I – অ-কাউকে প্রশংসাকারী হয় সে। — আবর্তন

১৪) ভালো হিসাবরক্ষক কখনোই ভুল করতে পারে না।
L.F – E – কোনো ভালো হিসাব রক্ষক নয় ভুলকারী। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সকল হিসাব রক্ষক হয় অ-ভুলকারী। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-ভুলকারী হয় রক্ষক। — আবর্তন

১৫) সব কিছুই ঠিক নয় যা দেখে মনে হয়।
L.F – E – কোনো কিছু নয় ঠিক যা দেখে মনে হয়। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সকল কিছু হয় অ-ঠিক যা দেখে মনে হয়। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-ঠিক যা দেখে মনে হয় কিছু। — আবর্তন

১৬) সে তার নিজের ছায়া দেখতে পায় না যে সূর্যের দিকে চেয়ে থাকে।
L.F – E – কোনো ক্ষেত্রে সূর্যের দিকে চেয়ে ব্যক্তি নয় এমন যে নিজের ছায়া দেখতে পায়। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সকল ক্ষেত্রে সূর্যের দিকে চেয়ে ব্যক্তি হয় অ-এমন যে নিজের ছায়া দেখতে পায়। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-এমন যে নিজের ছায়া দেখতে পায় হয় সূর্যের দিকে চেয়ে ব্যক্তি। — আবর্তন

১৭) মূর্খ ছাড়া আর কেউ মূর্খদের মহান বলে মনে করে না।
L.F – A – সকল ক্ষেত্রে নিজেকে মহান বলে মনে করা ব্যক্তি হয় মূর্খ। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো ক্ষেত্রে নিজেকে মহান বলে মনে করা ব্যক্তি নয় অ-মূর্খ। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো অ-মূর্খ নয় নিজেকে মহান বলে মনে করা ব্যক্তি। — আবর্তন

১৮) খুব কম লোকই প্রকৃত সুখী।
L.F – O – কোনো কোনো লোক নয় প্রকৃত সুখী। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – I – কোনো কোনো লোক হয় অ-প্রকৃত সুখী। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-প্রকৃত হয় লোক। — আবর্তন

১৯) পরিচিতি লোভ বাড়ায়।
L.F – I – কোনো কোনো পরিচিতি হয় লোভদায়ক। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – O – কোনো কোনো পরিচিতি নয় অ-লোভদায়ক। — বিবর্তন
আবর্তন – O – বচনে আবর্তন অসম্ভব।

২০) ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয়।
L.F – A – সকল ইচ্ছা হয় উপায়কারী। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো ইচ্ছা নয় অ-উপায়কারী। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো অ-উপায়কারী নয় ইচ্ছা। — আবর্তন

১) বোকারাই এরূপ আচরণ করে।
L.F – A – সকল বোকা হয় এইরূপ আচরণকারী। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো বোকা হয় এইরূপ অব্যবহারকারী। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো এইরূপ আচরণকারী হয় বোকা। — আবর্তন

২) টেবিলটি অপসারণের জন্য অল্প লোক যথেষ্ট নয়।
L.F – E – টেবিলটি নয় অল্প লোকের দ্বারা অপসারণের যোগ্য। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – টেবিলটি হয় অ-অল্প লোকের দ্বারা অপসারণের যোগ্য। — বিবর্তন
আবর্তন – E – অল্প লোকের দ্বারা অপসারণের যোগ্য নয় টেবিলটি। — আবর্তন

৩) কেবলমাত্র ভারতীয়রা বিজ্ঞানী।
L.F – A – সকল বিজ্ঞানী হয় ভারতীয়। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো বিজ্ঞানী নয় অ-ভারতীয়। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো ভারতীয় হয় বিজ্ঞানী। — আবর্তন

৪) যে পলায়ন করে সেই ভীরু।
L.F – A – সকল ভীরু হয় পলায়নকারী। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো ভীরু নয় অ-পলায়নকারী। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো পলায়নকারী হয় ভীরু। — আবর্তন

৫) যখন ভিখারি মারা যায় তখন ধূমকেতু হয় না।
L.F – E – কোনো ক্ষেত্রে ভিখারির মৃত্যু নয় ধূমকেতুর কারণ। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সকল ক্ষেত্রে ভিখারির মৃত্যু নয় অ-ধূমকেতুর কারণ। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো ধূমকেতুর কারণ নয় ভিখারির মৃত্যু। — আবর্তন

৬) সব মানুষই কোনো না কোনো সময় ভ্রমে পতিত হয়।
L.F – A – সকল মানুষ হয় কোনো না কোনো সময় ভ্রমে পতিত। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো মানুষ নয় অ-কোনো না কোনো সময় ভ্রমে পতিত। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো কোনো না কোনো সময় ভ্রমে পতিত হয় মানুষ। — আবর্তন

৭) সব পাথরের দেওয়াল কারাগার তৈরি করে না।
L.F – O – কোনো কোনো পাথরের দেওয়াল নয় কারাগার তৈরিকারী। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – I – কোনো কোনো পাথরের দেওয়াল হয় অ-কারাগার তৈরিকারী। — বিবর্তন
আবর্তন – O – আবর্তন অসম্ভব।

৮) একটি উত্তরও ঠিক নয়।
L.F – E – কোনো উত্তর নয় ঠিক। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সকল উত্তর হয় অ-ঠিক। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো ঠিক নয় উত্তর। — আবর্তন

৯) সে প্রেমিক নয় যে সবসময় অনু রক্ত হয়।
L.F – E – কোনো প্রকৃত প্রেমিক নয় সর্বদা অনুরক্তকারী। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সকল প্রকৃত প্রেমিক হয় অ-সর্বদা অনুরক্তকারী। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো সর্বদা অনুরক্তকারী নয় প্রকৃত প্রেমিক। — আবর্তন

১০) প্রতিবেশীরা সাধারণত সহানুভূতিশীল।
L.F – I – কোনো কোনো প্রতিবেশী হয় সহানুভূতিশীল। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – O – কোনো কোনো প্রতিবেশী নয় অ-সহানুভূতিশীল। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো সহানুভূতিশীল হয় প্রতিবেশী। — আবর্তন

১১) সে কখনও কাজে যাওয়ার সময় গাড়ি ব্যবহার করে না।
L.F – E – সে নয় কাজে যাওয়ার সময় গাড়ি ব্যবহারকারী। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সে হয় অ-কাজে যাওয়ার সময় গাড়ি ব্যবহারকারী। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো কাজে যাওয়ার সময় গাড়ি ব্যবহারকারী নয় সে। — আবর্তন

১২) যাদের ন্যায়পরায়ণ বলে মনে হয় তারা সবাই ন্যায়পরায়ণ নয়।
L.F – O – কোনো কোনো ন্যায়পরায়ণ বলে মনে করা ব্যক্তি নয় ন্যায়পরায়ণ। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – I – কোনো কোনো ন্যায়পরায়ণ বলে মনে করা ব্যক্তি হয় অ-ন্যায়পরায়ণ। — বিবর্তন
আবর্তন – O – আবর্তন অসম্ভব।

১৩) হারানো সময় কখনও ফিরে পাওয়া যায় না।
L.F – E – কোনো হারানো সময় নয় ফিরে পাওয়া সময়। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সকল হারানো সময় হয় অ-ফিরে পাওয়া সময়। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো ফিরে পাওয়া সময় নয় হারানো সময়। — আবর্তন

১৪) দেবতারা যাদের ভালোবাসেন তারা অল্প বয়সে মারা যান।
L.F – A – সকল ক্ষেত্রে দেবতার ভালোবাসা হয় অল্প বয়সে মৃত্যুর কারণ। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো দেবতার ভালোবাসা নয় অ-অল্প বয়সে মৃত্যুর কারণ। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অল্প বয়সে মৃত্যুর কারণ হয় দেবতার ভালোবাসা। — আবর্তন

১৫) কেবলমাত্র ছাত্রই পরিশ্রমী।
L.F – A – সকল পরিশ্রমী হয় ছাত্র। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো পরিশ্রমী নয় অ-ছাত্র। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অ-ছাত্র হয় পরিশ্রমী। — আবর্তন

১৬) একটি ছাত্রও পরীক্ষা দেয়নি।
L.F – E – কোনো ছাত্র নয় পরীক্ষায় উপস্থিত। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সকল ছাত্র হয় পরীক্ষায় অ-উপস্থিত। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো পরীক্ষায় উপস্থিত নয় ছাত্র। — আবর্তন

১৭) কয়েকজন লোক বিজ্ঞানী নয়।
L.F – O – কোনো কোনো লোক নয় বিজ্ঞানী। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – I – কোনো কোনো লোক হয় অ-বিজ্ঞানী। — বিবর্তন
আবর্তন – O – আবর্তন অসম্ভব।

১৮) মানুষ এবং কেবল মানুষই অনুশোচনা করে।
L.F – A – সকল মানুষ হয় অনুশোচনাকারী। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো মানুষ নয় অ-অনুশোচনাকারী। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো অনুশোচনাকারী হয় মানুষ। — আবর্তন

১৯) সদস্যরা কেবল সামনের দরজা ব্যবহার করতে পারবে।
L.F – A – সকল সদস্য হয় সামনের দরজা ব্যবহারকারী। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – E – কোনো সদস্য নয় অ-সামনের দরজা ব্যবহারকারী। — বিবর্তন
আবর্তন – I – কোনো কোনো সামনের দরজা ব্যবহারকারী হয় সদস্য। — আবর্তন

২০) কোনো সৎ ব্যক্তি অসৎ নয়।
L.F – E – কোনো সৎ ব্যক্তি নয় অসৎ। — যুক্তিবাক্য
বিবর্তন – A – সকল সৎ ব্যক্তি হয় অ-অসৎ। — বিবর্তন
আবর্তন – E – কোনো অ-অসৎ নয় সৎ ব্যক্তি। — আবর্তন

📚 অধ্যায়ের সমাপ্তি

আশা করি “ভেনচিত্র (Venn Diagram)” অধ্যায়টির সম্পূর্ণ আলোচনা, গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর, MCQ, SAQ, মান–২, মান–৫ ও মান–৮-এর প্রশ্ন এবং ভেনচিত্রের মাধ্যমে উদাহরণগুলি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক হবে।

পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য শুধুমাত্র প্রশ্নগুলি পড়লেই হবে না, প্রতিটি বিষয়ের ধারণা বুঝে নিয়মিত অনুশীলন করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বুলীয় লিপি ও ভেনচিত্রের সম্পর্কগুলি বারবার অনুশীলন করলে বিষয়টি সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।

আরও গুরুত্বপূর্ণ নোট, প্রশ্নোত্তর ও পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটের অন্যান্য অধ্যায়গুলিও পড়ুন।

🎓 শিক্ষাই সাফল্যের প্রথম ধাপ।
📖 Learn Today • Lead Tomorrow

Website: WWW.ISPGURUKUL.COM
YouTube: ISP TUFAN KHADIM
PDF / WhatsApp: 8768762727

ধন্যবাদ। আবার দেখা হবে পরবর্তী অধ্যায়ে। ❤️📚

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *