আরোহের স্বরূপ
| | | | | |

আরোহ যুক্তি | আরোহের স্বরূপ | গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, উত্তর ও MCQ | Philosophy 2026

আরোহের স্বরূপ

আরোহের স্বরূপ | গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, উত্তর ও MCQ | Philosophy 2026

🎓 ISP GURUKUL — আপনার পড়াশোনার নির্ভরযোগ্য সঙ্গী

শুধু পড়া নয়, বুঝে পড়ুন—প্রস্তুতি নিন সঠিকভাবে।

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাকে আরও সহজ, সুন্দর ও পরীক্ষামুখী করার লক্ষ্যেই ISP Gurukul। এখানে আমাদের উদ্দেশ্য শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া নয়; বরং আরোহের স্বরূপ বিষয়টিকে সহজভাবে বোঝানো, গুরুত্বপূর্ণ ধারণাগুলি পরিষ্কার করা এবং পরীক্ষার জন্য সঠিকভাবে প্রস্তুত হতে সাহায্য করা।

🌐 কেন আপনি আমাদের Website Visit করবেন?

ISP Gurukul Website-এ আপনি এক জায়গায় পাবেন—

📚 অধ্যায়ভিত্তিক Notes
📝 Important Questions & Answers
❓ MCQ ও SAQ
📖 মান–২, মান–৫, মান–৮ ও মান–১০-এর প্রশ্নোত্তর
📄 প্রয়োজনীয় PDF Study Materials
🎯 Exam-Oriented Suggestions
📌 গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির সহজ ব্যাখ্যা
🔄 নিয়মিত নতুন শিক্ষামূলক কনটেন্ট

অর্থাৎ, আরোহের স্বরূপ অধ্যায়টি ভালোভাবে প্রস্তুত করার জন্য প্রয়োজনীয় পড়াশোনার উপকরণগুলো সহজভাবে এক জায়গায় পাওয়ার লক্ষ্যেই তৈরি ISP Gurukul।

▶️ কেন আমাদের YouTube ভিডিও দেখবেন?

সব বিষয় শুধু বই পড়ে বোঝা সবসময় সহজ হয় না। তাই আমাদের YouTube Channel-এ আরোহের স্বরূপ-সহ বিভিন্ন বিষয়কে সহজ ভাষায়, উদাহরণসহ এবং পরীক্ষার উপযোগীভাবে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়।

🎥 Concept Explained
📚 Chapter-wise Classes
📝 Important Questions
❓ MCQ Practice
✍️ Question & Answer Discussion
🎯 Exam Preparation
📢 প্রয়োজনীয় Educational Updates

আপনি যদি আরোহের স্বরূপ অধ্যায়ের কোনো বিষয় পড়ে বুঝতে না পারেন, তাহলে ভিডিও দেখে বিষয়টি বুঝতে পারবেন। আর ভিডিও দেখে আরও বিস্তারিত পড়তে চাইলে আমাদের Website থেকে Notes, Questions, Answers ও PDF সংগ্রহ করতে পারবেন।

🔄 Website + YouTube = সম্পূর্ণ প্রস্তুতি

YouTube → বুঝুন
⬇️
Website → পড়ুন
⬇️
Questions → অনুশীলন করুন
⬇️
MCQ/SAQ → নিজেকে যাচাই করুন
⬇️
Revision → পরীক্ষার প্রস্তুতি নিন

🌟 আমাদের লক্ষ্য

আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক দিকনির্দেশনা, নিয়মিত অনুশীলন এবং সহজভাবে বোঝার সুযোগ একজন শিক্ষার্থীর প্রস্তুতিকে আরও কার্যকর করে তুলতে পারে।

তাই ISP Gurukul-এর লক্ষ্য শুধু কনটেন্ট তৈরি করা নয়—শিক্ষার্থীদের জন্য এমন একটি Learning Platform তৈরি করা, যেখানে তারা আরোহের স্বরূপ-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় পড়তে, দেখতে, অনুশীলন করতে এবং নিজের প্রস্তুতি যাচাই করতে পারে।

আজকের পড়াশোনা হোক আগামী দিনের সাফল্যের ভিত্তি।

📚 Learn • Practice • Revise • Succeed

ISP GURUKUL
Your Learning Partner

🌐 WWW.ISPGURUKUL.COM
▶️ YouTube: ISP TUFAN KHADIM | ISP SCIENCE HUB

আরোহের স্বরূপ

আরোহ যুক্তি কাকে বলে?

যে যুক্তি প্রক্রিয়ায় এক বা একাধিক বিশেষ দৃষ্টান্ত, ঘটনা বা অভিজ্ঞতা পর্যবেক্ষণ করে সেইগুলির ভিত্তিতে একটি সাধারণ নিয়ম বা সার্বিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়, তাকে আরোহ যুক্তি বলে।

উদাহরণ:
লোহা উত্তাপে প্রসারিত হয়।
তামা উত্তাপে প্রসারিত হয়।
অ্যালুমিনিয়াম উত্তাপে প্রসারিত হয়।
∴ ধাতু উত্তাপে প্রসারিত হয়।

এখানে কয়েকটি বিশেষ দৃষ্টান্ত থেকে একটি সাধারণ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়েছে।

আরোহের স্বরূপ

আরোহ যুক্তির মূল স্বরূপ হলো বিশেষ থেকে সাধারণে, অভিজ্ঞতা থেকে অনভিজ্ঞতায় এবং জানা ঘটনা থেকে অজানা ঘটনার দিকে অগ্রসর হওয়া। আরোহে সাধারণত পর্যবেক্ষণ, অভিজ্ঞতা, পরীক্ষা ও দৃষ্টান্তের সাহায্যে একটি সাধারণ নিয়ম প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা হয়।

আরোহ যুক্তির সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্য থেকে সম্পূর্ণ অনিবার্যভাবে অনুসৃত হয় না; বরং দৃষ্টান্তগুলির ভিত্তিতে সিদ্ধান্তটি সম্ভাব্য বা সম্ভাবনামূলকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

আরোহ যুক্তির বৈশিষ্ট্য

১. বিশেষ থেকে সাধারণে গমন:
আরোহে কয়েকটি বিশেষ ঘটনা বা দৃষ্টান্ত থেকে একটি সাধারণ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়।

২. অভিজ্ঞতানির্ভর:
আরোহ যুক্তির ভিত্তি হলো পর্যবেক্ষণ, অভিজ্ঞতা ও বাস্তব তথ্য।

৩. নতুন জ্ঞান প্রদান করে:
আরোহের সিদ্ধান্ত সাধারণত আশ্রয়বাক্যে সরাসরি প্রকাশিত থাকে না। তাই এটি নতুন জ্ঞান লাভে সাহায্য করে।

৪. সিদ্ধান্ত সম্ভাবনামূলক:
আরোহের সিদ্ধান্ত সাধারণত নিশ্চিত নয়; দৃষ্টান্তের ভিত্তিতে তা সম্ভাব্যভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

৫. পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষার গুরুত্ব:
বিশেষ করে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা আরোহের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

৬. সাধারণ নিয়ম প্রতিষ্ঠা:
বিভিন্ন বিশেষ ঘটনার মধ্যে মিল বা নিয়ম আবিষ্কার করে সাধারণ সূত্র প্রতিষ্ঠা করা আরোহের অন্যতম উদ্দেশ্য।

৭. ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জ্ঞান লাভে সাহায্য করে:
অতীত ও বর্তমানের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ ঘটনা সম্পর্কে অনুমান করতে আরোহ সাহায্য করে।

আরোহ যুক্তির প্রকারভেদ

আরোহ যুক্তিকে প্রধানত নিম্নলিখিত ভাগে আলোচনা করা হয়—

১. পূর্ণাঙ্গ আরোহ (Complete Induction):
কোনো শ্রেণির সমস্ত সদস্য বা দৃষ্টান্ত পরীক্ষা করে সাধারণ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হলে তাকে পূর্ণাঙ্গ আরোহ বলে।

২. অপূর্ণাঙ্গ আরোহ (Incomplete Induction):
কোনো শ্রেণির কয়েকটি সদস্য বা দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণ করে সমগ্র শ্রেণি সম্পর্কে সাধারণ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হলে তাকে অপূর্ণাঙ্গ আরোহ বলে।

৩. বৈজ্ঞানিক আরোহ (Scientific Induction):
পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা, কারণ-কার্য সম্পর্ক এবং প্রয়োজনীয় নিয়মের সাহায্যে সাধারণ সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হলে তাকে বৈজ্ঞানিক আরোহ বলে।

৪. সাদৃশ্যানুমান (Analogy):
দুটি বা ততোধিক বস্তুর কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে সাদৃশ্য দেখে তাদের অন্য কোনো বৈশিষ্ট্য সম্পর্কেও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হলে তাকে সাদৃশ্যানুমান বলা হয়।

আরোহের স্বরূপ MCQ

1. যে যুক্তিতে বিশেষ দৃষ্টান্ত থেকে সাধারণ সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া হয়, তাকে কী বলে?
ক) অবরোহ যুক্তি
খ) আরোহ যুক্তি
গ) সাদৃশ্যানুমান
ঘ) নিরপেক্ষ ন্যায়
উত্তর: খ) আরোহ যুক্তি

2. আরোহ যুক্তির প্রধান গতি কোনটি?
ক) সাধারণ থেকে বিশেষ
খ) বিশেষ থেকে সাধারণ
গ) সাধারণ থেকে সাধারণ
ঘ) বিশেষ থেকে বিশেষ
উত্তর: খ) বিশেষ থেকে সাধারণ

3. আরোহ যুক্তির মূল ভিত্তি কী?
ক) কল্পনা
খ) অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ
গ) সংজ্ঞা
ঘ) ভাষা
উত্তর: খ) অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ

4. আরোহ যুক্তির সিদ্ধান্ত সাধারণত কেমন হয়?
ক) অনিবার্য
খ) সম্ভাবনামূলক
গ) স্বতঃসিদ্ধ
ঘ) সংজ্ঞামূলক
উত্তর: খ) সম্ভাবনামূলক

5. আরোহ যুক্তি কোন ধরনের জ্ঞান লাভে বিশেষভাবে সাহায্য করে?
ক) নতুন জ্ঞান
খ) পুরোনো জ্ঞান
গ) কেবল ভাষাগত জ্ঞান
ঘ) কেবল গাণিতিক জ্ঞান
উত্তর: ক) নতুন জ্ঞান

6. আরোহ যুক্তিতে কোন বিষয়টির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে?
ক) পর্যবেক্ষণ
খ) মুখস্থবিদ্যা
গ) সংজ্ঞা
ঘ) শব্দার্থ
উত্তর: ক) পর্যবেক্ষণ

7. আরোহ যুক্তির অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য কী?
ক) বিশেষ ঘটনা থেকে সাধারণ নিয়ম প্রতিষ্ঠা করা
খ) সাধারণ নিয়মকে বিশেষ ঘটনায় প্রয়োগ করা
গ) শব্দের অর্থ নির্ণয় করা
ঘ) সংজ্ঞা তৈরি করা
উত্তর: ক) বিশেষ ঘটনা থেকে সাধারণ নিয়ম প্রতিষ্ঠা করা

8. আরোহ যুক্তি সাধারণত কোন বিষয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত?
ক) অভিজ্ঞতা
খ) কল্পনা
গ) অলংকার
ঘ) ব্যাকরণ
উত্তর: ক) অভিজ্ঞতা

9. আরোহ যুক্তির সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্যের তুলনায় সাধারণত—
ক) কম ব্যাপক
খ) বেশি ব্যাপক
গ) সমান ব্যাপক
ঘ) কোনো সম্পর্ক নেই
উত্তর: খ) বেশি ব্যাপক

10. আরোহ যুক্তির মাধ্যমে কী প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা হয়?
ক) সাধারণ নিয়ম
খ) ব্যক্তিগত মতামত
গ) শব্দের অর্থ
ঘ) সংজ্ঞা
উত্তর: ক) সাধারণ নিয়ম

11. সমস্ত দৃষ্টান্ত পরীক্ষা করে সাধারণ সিদ্ধান্তে পৌঁছানোকে কী বলা হয়?
ক) অপূর্ণাঙ্গ আরোহ
খ) পূর্ণাঙ্গ আরোহ
গ) সাদৃশ্যানুমান
ঘ) অবরোহ
উত্তর: খ) পূর্ণাঙ্গ আরোহ

12. কয়েকটি দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণ করে সমগ্র শ্রেণি সম্পর্কে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোকে কী বলে?
ক) পূর্ণাঙ্গ আরোহ
খ) অপূর্ণাঙ্গ আরোহ
গ) অবরোহ
ঘ) নিরপেক্ষ ন্যায়
উত্তর: খ) অপূর্ণাঙ্গ আরোহ

13. পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা ও কারণ-কার্য সম্পর্কের সাহায্যে সাধারণ সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করাকে কী বলা হয়?
ক) বৈজ্ঞানিক আরোহ
খ) অবরোহ
গ) পূর্ণাঙ্গ আরোহ
ঘ) সাদৃশ্যানুমান
উত্তর: ক) বৈজ্ঞানিক আরোহ

14. আরোহ যুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো—
ক) এটি নতুন জ্ঞান প্রদান করে
খ) এটি কখনও অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে না
গ) এর সিদ্ধান্ত সবসময় অনিবার্য
ঘ) এতে পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন নেই
উত্তর: ক) এটি নতুন জ্ঞান প্রদান করে

15. আরোহ যুক্তিতে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জ্ঞান লাভের ভিত্তি কী?
ক) অতীত ও বর্তমানের অভিজ্ঞতা
খ) কল্পনা
গ) অনুমানহীন সিদ্ধান্ত
ঘ) সংজ্ঞা
উত্তর: ক) অতীত ও বর্তমানের অভিজ্ঞতা

16. “লোহা উত্তাপে প্রসারিত হয়, তামা উত্তাপে প্রসারিত হয়, অ্যালুমিনিয়াম উত্তাপে প্রসারিত হয়; অতএব ধাতু উত্তাপে প্রসারিত হয়”—এটি কী ধরনের যুক্তি?
ক) অবরোহ
খ) আরোহ
গ) নিরপেক্ষ ন্যায়
ঘ) বৈকল্পিক ন্যায়
উত্তর: খ) আরোহ

17. আরোহ যুক্তিতে বিশেষ ঘটনা থেকে যে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয় তা সাধারণত—
ক) নিশ্চয়তামূলক
খ) সম্ভাব্যতামূলক
গ) সংজ্ঞামূলক
ঘ) স্ববিরোধী
উত্তর: খ) সম্ভাব্যতামূলক

18. আরোহ যুক্তির ক্ষেত্রে ‘সাধারণীকরণ’ বলতে কী বোঝায়?
ক) বিশেষ দৃষ্টান্তের ভিত্তিতে সাধারণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ
খ) সাধারণ সিদ্ধান্তকে অস্বীকার করা
গ) একটি বিশেষ ঘটনা ব্যাখ্যা করা
ঘ) শব্দের অর্থ পরিবর্তন করা
উত্তর: ক) বিশেষ দৃষ্টান্তের ভিত্তিতে সাধারণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ

19. আরোহ যুক্তির বৈজ্ঞানিক প্রয়োগে কোনটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ?
ক) পরীক্ষা
খ) অলংকার
গ) মুখস্থবিদ্যা
ঘ) সংজ্ঞা
উত্তর: ক) পরীক্ষা

20. আরোহ যুক্তি কোন দিক থেকে অবরোহ যুক্তির বিপরীত?
ক) জ্ঞানের বিষয়ের দিক থেকে
খ) যুক্তির গতির দিক থেকে
গ) ভাষার দিক থেকে
ঘ) সংজ্ঞার দিক থেকে
উত্তর: খ) যুক্তির গতির দিক থেকে

21. আরোহ যুক্তিতে পর্যবেক্ষণ করা দৃষ্টান্তগুলিকে কী বলা যায়?
ক) বিশেষ ঘটনা
খ) সাধারণ নিয়ম
গ) সিদ্ধান্ত
ঘ) সংজ্ঞা
উত্তর: ক) বিশেষ ঘটনা

22. আরোহ যুক্তির সিদ্ধান্ত যদি আশ্রয়বাক্যে সরাসরি না থাকে, তবে তা কী প্রদান করে?
ক) নতুন জ্ঞান
খ) পুরোনো জ্ঞান
গ) কেবল ভাষাগত জ্ঞান
ঘ) কোনো জ্ঞান নয়
উত্তর: ক) নতুন জ্ঞান

23. “কয়েকটি কাক কালো, অতএব সব কাক কালো”—এটি কোন ধরনের যুক্তির উদাহরণ?
ক) অবরোহ
খ) আরোহ
গ) বৈকল্পিক
ঘ) প্রাকল্পিক
উত্তর: খ) আরোহ

24. আরোহ যুক্তির সিদ্ধান্তের সত্যতা প্রধানত কীসের উপর নির্ভর করে?
ক) পর্যবেক্ষিত দৃষ্টান্তের যথার্থতা ও পর্যাপ্ততা
খ) কেবল ভাষার উপর
গ) কেবল সংজ্ঞার উপর
ঘ) কেবল কল্পনার উপর
উত্তর: ক) পর্যবেক্ষিত দৃষ্টান্তের যথার্থতা ও পর্যাপ্ততা

25. আরোহ যুক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
ক) বিশেষ থেকে সাধারণে গমন
খ) সাধারণ থেকে বিশেষে গমন
গ) সিদ্ধান্তে নতুন কিছু যোগ না করা
ঘ) অভিজ্ঞতাকে অস্বীকার করা
উত্তর: ক) বিশেষ থেকে সাধারণে গমন

আরোহের স্বরূপ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর SAQ

১. আরোহ অনুমান কাকে বলে?
উত্তর: যে অনুমানে কয়েকটি বিশেষ দৃষ্টান্ত বা অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে একটি সার্বিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া হয়, তাকে আরোহ অনুমান বলে।

২. আরোহ অনুমানের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।
উত্তর:
১. আরোহ অনুমানে বিশেষ দৃষ্টান্ত থেকে সার্বিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া হয়।
২. আরোহের সিদ্ধান্ত সাধারণত সম্ভাব্য, সুনিশ্চিত নয়।

৩. অবরোহ ও আরোহ অনুমানের দুটি পার্থক্য লেখ।
উত্তর:
১. অবরোহে সার্বিক থেকে বিশেষে যাওয়া হয়, কিন্তু আরোহে বিশেষ থেকে সার্বিকে যাওয়া হয়।
২. অবরোহের সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্য থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয়, কিন্তু আরোহের সিদ্ধান্ত সাধারণত সম্ভাব্য।

৪. আরোহমূলক লাভ বা ঝুঁকি কাকে বলে?
উত্তর: বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণ করে সেই দৃষ্টান্তগুলির বাইরে নতুন কোনো বিষয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে যে নতুন জ্ঞান লাভ হয়, তাকে আরোহমূলক লাভ বা ঝুঁকি বলে।

৫. আরোহের লক্ষ্য কী?
উত্তর: আরোহের প্রধান লক্ষ্য হলো বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের ভিত্তিতে একটি সার্বিক নিয়ম বা সাধারণ সত্য প্রতিষ্ঠা করা এবং অজ্ঞাত বিষয় সম্পর্কে সম্ভাব্য জ্ঞান লাভ করা।

৬. একটি সংশ্লেষক ও একটি বিশ্লেষক বচনের উদাহরণ দাও।
উত্তর:
সংশ্লেষক বচন: সকল ধাতু উত্তাপে প্রসারিত হয়।
বিশ্লেষক বচন: সকল অবিবাহিত পুরুষ অবিবাহিত।

৭. সাধারণীকরণ কাকে বলে বা কী?
উত্তর: কয়েকটি বিশেষ দৃষ্টান্তের পর্যবেক্ষণ করে তাদের মধ্যে সাধারণ ধর্ম আবিষ্কার করে সমজাতীয় সকল বস্তুর ক্ষেত্রে সেই ধর্ম আরোপ করাকে সাধারণীকরণ বলে।

৮. আরোহ যুক্তিকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী?
উত্তর: আরোহ যুক্তিকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়—
১. বৈজ্ঞানিক আরোহ
২. অবৈজ্ঞানিক আরোহ।

৯. যুক্তিবিজ্ঞানী মিলের মতে আরোহ অনুমান কয় প্রকার ও কী কী?
উত্তর: মিলের মতে আরোহ অনুমান প্রধানত তিন প্রকার—
১. পূর্ণাঙ্গ আরোহ
২. অপূর্ণাঙ্গ আরোহ
৩. বৈজ্ঞানিক আরোহ।

১০. বৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমান কাকে বলে?
উত্তর: পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা, প্রকৃতির একরূপতা এবং কার্য-কারণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বিশেষ বিশেষ ঘটনা থেকে সার্বিক ও সম্ভাব্য সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়াকে বৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমান বলে।

১১. বৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমানের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।
উত্তর:
১. এটি পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষার উপর প্রতিষ্ঠিত।
২. এতে কার্য-কারণ সম্পর্ক এবং প্রকৃতির একরূপতার নীতি ব্যবহৃত হয়।

১২. বৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমানের সিদ্ধান্তটি সুনিশ্চিত না সম্ভাব্য?
উত্তর: বৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত সম্ভাব্য, সুনিশ্চিত নয়।

১৩. আরোহ অনুমানের সিদ্ধান্তটি সুনিশ্চিত না সম্ভাব্য?
উত্তর: আরোহ অনুমানের সিদ্ধান্ত সাধারণত সম্ভাব্য।

১৪. আরোহ অনুমানে বস্তুগত ভিত্তি বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: আরোহ অনুমানের ক্ষেত্রে যেসব বাস্তব ঘটনা, পর্যবেক্ষণ, অভিজ্ঞতা ও পরীক্ষার উপর সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠিত হয়, সেগুলিকে আরোহের বস্তুগত ভিত্তি বলে।

১৫. বস্তুগত ভিত্তিগুলি কী কী?
উত্তর: আরোহের প্রধান বস্তুগত ভিত্তি হলো—
১. পর্যবেক্ষণ
২. পরীক্ষা-নিরীক্ষা
৩. বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্ত
৪. কার্য-কারণ সম্পর্ক।

১৬. আকারগত ভিত্তিগুলি কী কী?
উত্তর: আরোহের প্রধান আকারগত ভিত্তি হলো—
১. প্রকৃতির একরূপতার নীতি
২. কার্যকারণ সম্পর্কের নীতি।

১৭. প্রকৃতির একরূপতা নীতির মূল বক্তব্য কী?
উত্তর: প্রকৃতি একই অবস্থায় একইভাবে আচরণ করে। অর্থাৎ একই ধরনের কারণ একই ধরনের পরিস্থিতিতে একই ধরনের কার্য উৎপন্ন করে।

১৮. অবৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমান কাকে বলে?
উত্তর: যে আরোহ অনুমানে যথাযথ পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা ও কার্য-কারণ অনুসন্ধানের সাহায্য ছাড়াই কয়েকটি দৃষ্টান্তের ভিত্তিতে সাধারণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, তাকে অবৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমান বলে।

১৯. অবৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমান আর কী কী নামে পরিচিত?
উত্তর: অবৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমানকে লৌকিক আরোহ বা অপূর্ণ গণনামূলক আরোহ নামেও অভিহিত করা হয়।

২০. অবৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমানের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।
উত্তর:
১. এতে যথাযথ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ও অনুসন্ধান থাকে না।
২. অল্প কয়েকটি দৃষ্টান্তের ভিত্তিতে সাধারণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

২১. বৈজ্ঞানিক ও অবৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমানের দুটি পার্থক্য লেখ।
উত্তর:
১. বৈজ্ঞানিক আরোহ পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা ও কার্য-কারণ সম্পর্কের উপর নির্ভরশীল; অবৈজ্ঞানিক আরোহ প্রধানত সাধারণ পর্যবেক্ষণ ও অভিজ্ঞতার উপর নির্ভরশীল।
২. বৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত তুলনামূলকভাবে অধিক নির্ভরযোগ্য; অবৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত অপেক্ষাকৃত কম নির্ভরযোগ্য।

২২. অবৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমানের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: “আমি যত কাক দেখেছি, সব কাক কালো। অতএব, সব কাকই কালো।” — এটি অবৈজ্ঞানিক আরোহের উদাহরণ।

২৩. বৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমানের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: বিভিন্ন ধাতুকে উত্তপ্ত করে দেখা গেল যে উত্তাপে তারা প্রসারিত হয়। এই পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত করা হলো— সব ধাতু উত্তাপে প্রসারিত হয়।

২৪. উপমা যুক্তি কাকে বলে?
উত্তর: দুটি বা ততোধিক বস্তুর মধ্যে কয়েকটি ক্ষেত্রে সাদৃশ্য দেখে, তাদের অন্য একটি ক্ষেত্রেও সাদৃশ্য থাকার সম্ভাবনা অনুমান করাকে উপমা যুক্তি বলে।

২৫. উপমা যুক্তিকে কয়ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী?
উত্তর: উপমা যুক্তিকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়—
১. ভালো উপমা
২. মন্দ উপমা।

২৬. ভালো উপমা যুক্তি কাকে বলে?
উত্তর: যে উপমা যুক্তিতে তুলনীয় বস্তুর মধ্যে প্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বপূর্ণ সাদৃশ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, তাকে ভালো উপমা যুক্তি বলে।

২৭. মন্দ উপমা যুক্তি কাকে বলে?
উত্তর: যে উপমা যুক্তিতে প্রাসঙ্গিক নয় এমন বাহ্যিক বা অগুরুত্বপূর্ণ সাদৃশ্যের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, তাকে মন্দ উপমা যুক্তি বলে।

২৮. উপমাযুক্তির সিদ্ধান্ত কী রূপ?
উত্তর: উপমাযুক্তির সিদ্ধান্ত সম্ভাব্য প্রকৃতির হয়।

২৯. আরোহ অনুমানে বৈজ্ঞানিক ও অবৈজ্ঞানিক অনুমানের সিদ্ধান্ত কী রূপ?
উত্তর: উভয় ক্ষেত্রেই সিদ্ধান্ত সম্ভাব্য প্রকৃতির; তবে বৈজ্ঞানিক আরোহে পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা ও কার্য-কারণ অনুসন্ধানের কারণে সিদ্ধান্ত অধিক সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।

৩০. উপমাযুক্তির দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।
উত্তর:
১. দুটি বা ততোধিক বস্তুর মধ্যে সাদৃশ্যের উপর উপমাযুক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।
২. সাদৃশ্যের ভিত্তিতে নতুন কোনো ধর্ম সম্পর্কে সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

৩১. আরোহ যুক্তির যুক্তিবাক্য কীভাবে পাওয়া যায়?
উত্তর: বিশেষ বিশেষ ঘটনা, পর্যবেক্ষণ, অভিজ্ঞতা ও পরীক্ষার মাধ্যমে আরোহ যুক্তির যুক্তিবাক্য বা ভিত্তি পাওয়া যায়।

৩২. উপমাযুক্তির ভিত্তি কী?
উত্তর: উপমাযুক্তির প্রধান ভিত্তি হলো সাদৃশ্য।

৩৩. লৌকিক আরোহের ভিত্তি কী?
উত্তর: লৌকিক আরোহের ভিত্তি হলো অল্প কয়েকটি বিশেষ দৃষ্টান্তের পর্যবেক্ষণ ও সাধারণীকরণ।

৩৪. বৈজ্ঞানিক আরোহের ভিত্তি কী?
উত্তর: বৈজ্ঞানিক আরোহের ভিত্তি হলো পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা, কার্য-কারণ সম্পর্ক এবং প্রকৃতির একরূপতার নীতি।

৩৫. বৈজ্ঞানিক আরোহের লক্ষ্য কী?
উত্তর: বৈজ্ঞানিক আরোহের লক্ষ্য হলো কার্য-কারণ সম্পর্ক আবিষ্কার করে সার্বিক ও সম্ভাব্য নিয়ম প্রতিষ্ঠা করা।

৩৬. লৌকিক আরোহকে অপূর্ণগণনা মূলক আরোহ বলা হয় কেন?
উত্তর: লৌকিক আরোহে কোনো শ্রেণির সমস্ত দৃষ্টান্ত পরীক্ষা না করে কয়েকটি দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণ করে সমগ্র শ্রেণি সম্পর্কে সাধারণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। তাই একে অপূর্ণগণনামূলক আরোহ বলা হয়।

৩৭. কৃত্রিম শ্রেণী কাকে বলে?
উত্তর: মানুষের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা সুবিধার জন্য বিভিন্ন বস্তুকে কোনো বিশেষ বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে কৃত্রিমভাবে যে শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়, তাকে কৃত্রিম শ্রেণী বলে।

৩৮. মন্দ ও ভালো উপমা কী?
উত্তর: যে উপমায় প্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বপূর্ণ সাদৃশ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, তাকে ভালো উপমা বলে। আর যে উপমায় অপ্রাসঙ্গিক বা বাহ্যিক সাদৃশ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, তাকে মন্দ উপমা বলে।

সত্য/মিথ্যা & শূন্যস্থান পূরণ কর

১. আরোহের সিদ্ধান্ত …………………………….. হয়। (শূন্যস্থান পূরণ কর)

২. আরোহের সিদ্ধান্ত যুক্তিবাক্যকে ………………………………………। (শূন্যস্থান পূরণ কর)

৩. অবৈজ্ঞানিক আরোহের মূল্য দৃষ্টান্তের …………………………………………… উপর নির্ভর করে। (শূন্যস্থান পূরণ কর)

৪. আরোহে যুক্তিবাক্য সিদ্ধান্তের মধ্যে প্রসক্তি সম্পর্ক ……………………………..। (শূন্যস্থান পূরণ কর)

৫. প্রকৃতির একরূপতা নীতি আরোহের ………………………………………. ভিত্তি। (শূন্যস্থান পূরণ কর)

৬. উপমাযুক্তিতে ………………………………… যুক্তিবাক্য থাকে। (শূন্যস্থান পূরণ কর)

৭. আরোহ বৈধ বা অবৈধ হতে পারে। (সত্য / মিথ্যা)

৮. উপমাযুক্তির সিদ্ধান্ত দৃষ্টান্তের সংখ্যার উপর নির্ভর করে। (সত্য / মিথ্যা)

৯. লৌকিক আরোহের সিদ্ধান্ত কার্য-কারণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। (সত্য / মিথ্যা)

১০. লৌকিক আরোহের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত। (সত্য / মিথ্যা)

১১. উপমাযুক্তি ভালো বা মন্দ হতে পারে। (সত্য / মিথ্যা)

১২. উপমাযুক্তির ভিত্তি হলো সাধারণীকরণ। (সত্য / মিথ্যা)

১৩. উপমাযুক্তির ভিত্তি হলো অবাধ অভিজ্ঞতা। (সত্য / মিথ্যা)

১৪. আরোহের সিদ্ধান্ত নির্ভর হতে পারে। (সত্য / মিথ্যা)

১৫. আরোহ অনুমানে সিদ্ধান্ত যুক্তিবাক্য থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয়। (সত্য / মিথ্যা)

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *