আরোহ
| | | | | |

অপসারণ সূত্র ও মিলের আরোহ পদ্ধতি | গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, উত্তর ও MCQ | Philosophy 2026

কারণ

অপসারণ সূত্র ও মিলের আরোহ পদ্ধতি | গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, উত্তর ও MCQ | Philosophy 2026

🎓 ISP GURUKUL — আপনার পড়াশোনার নির্ভরযোগ্য সঙ্গী

শুধু পড়া নয়, বুঝে পড়ুন—প্রস্তুতি নিন সঠিকভাবে।

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাকে আরও সহজ, সুন্দর ও পরীক্ষামুখী করার লক্ষ্যেই ISP Gurukul। এখানে আমাদের উদ্দেশ্য শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া নয়; বরং অপসারণ সূত্র ও মিলের আরোহ পদ্ধতি অধ্যায়টিকে সহজভাবে বোঝানো, গুরুত্বপূর্ণ ধারণাগুলি পরিষ্কার করা এবং পরীক্ষার জন্য সঠিকভাবে প্রস্তুত হতে সাহায্য করা।

🌐 কেন আপনি আমাদের Website Visit করবেন?

ISP Gurukul Website-এ আপনি এক জায়গায় পাবেন—

📚 অধ্যায়ভিত্তিক Notes
📝 Important Questions & Answers
❓ MCQ ও SAQ
📖 মান–২, মান–৫, মান–৮ ও মান–১০-এর প্রশ্নোত্তর
📄 প্রয়োজনীয় PDF Study Materials
🎯 Exam-Oriented Suggestions
📌 গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির সহজ ব্যাখ্যা
🔄 নিয়মিত নতুন শিক্ষামূলক কনটেন্ট

অর্থাৎ, অপসারণ সূত্র ও মিলের আরোহ পদ্ধতি অধ্যায়টি ভালোভাবে প্রস্তুত করার জন্য প্রয়োজনীয় পড়াশোনার উপকরণগুলো সহজভাবে এক জায়গায় পাওয়ার লক্ষ্যেই তৈরি ISP Gurukul।

▶️ কেন আমাদের YouTube ভিডিও দেখবেন?

সব বিষয় শুধু বই পড়ে বোঝা সবসময় সহজ হয় না। তাই আমাদের YouTube Channel-এ অপসারণ সূত্র ও মিলের আরোহ পদ্ধতি-সহ বিভিন্ন বিষয়কে সহজ ভাষায়, উদাহরণসহ এবং পরীক্ষার উপযোগীভাবে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়।

🎥 Concept Explained
📚 Chapter-wise Classes
📝 Important Questions
❓ MCQ Practice
✍️ Question & Answer Discussion
🎯 Exam Preparation
📢 প্রয়োজনীয় Educational Updates

আপনি যদি অপসারণ সূত্র ও মিলের আরোহ পদ্ধতি অধ্যায়ের কোনো বিষয় পড়ে বুঝতে না পারেন, তাহলে ভিডিও দেখে বিষয়টি বুঝতে পারবেন। আর ভিডিও দেখে আরও বিস্তারিত পড়তে চাইলে আমাদের Website থেকে Notes, Questions, Answers ও PDF সংগ্রহ করতে পারবেন।

🔄 Website + YouTube = সম্পূর্ণ প্রস্তুতি

YouTube → বুঝুন
⬇️
Website → পড়ুন
⬇️
Questions → অনুশীলন করুন
⬇️
MCQ/SAQ → নিজেকে যাচাই করুন
⬇️
Revision → পরীক্ষার প্রস্তুতি নিন

🌟 আমাদের লক্ষ্য

আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক দিকনির্দেশনা, নিয়মিত অনুশীলন এবং সহজভাবে বোঝার সুযোগ একজন শিক্ষার্থীর প্রস্তুতিকে আরও কার্যকর করে তুলতে পারে।

তাই ISP Gurukul-এর লক্ষ্য শুধু কনটেন্ট তৈরি করা নয়—শিক্ষার্থীদের জন্য এমন একটি Learning Platform তৈরি করা, যেখানে তারা অপসারণ সূত্র ও মিলের আরোহ পদ্ধতি-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় পড়তে, দেখতে, অনুশীলন করতে এবং নিজের প্রস্তুতি যাচাই করতে পারে।

আজকের পড়াশোনা হোক আগামী দিনের সাফল্যের ভিত্তি।

📚 Learn • Practice • Revise • Succeed

ISP GURUKUL
Your Learning Partner

🌐 WWW.ISPGURUKUL.COM
▶️ YouTube: ISP TUFAN KHADIM | ISP SCIENCE HUB

অপসারণ সূত্র ও মিলের আরোহ পদ্ধতি

1. অপসারণ সূত্র কাকে বলে?

উত্তর: কোনো ঘটনা বা কার্যের একাধিক সম্ভাব্য কারণ থাকতে পারে। পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষার মাধ্যমে যেসব সম্ভাব্য কারণ ওই কার্যটির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়, সেগুলিকে একে একে বাদ দিয়ে যখন প্রকৃত কারণ বা কারণের অংশ নির্ণয় করা হয়, তখন যে নীতির সাহায্য নেওয়া হয়, তাকে অপসারণ সূত্র বলে।
অর্থাৎ, অপ্রাসঙ্গিক কারণগুলিকে বাদ দিয়ে প্রাসঙ্গিক কারণ নির্ণয় করাই অপসারণ সূত্রের মূল উদ্দেশ্য। বৈজ্ঞানিক আরোহে কারণ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই সূত্র বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

2. মিলের আরোহ পদ্ধতি কী?

উত্তর: কোনো কার্যের সংঘটিত বিভিন্ন দৃষ্টান্তের মধ্যে যদি একটি মাত্র সাধারণ পূর্ববর্তী ঘটনা বা উপাদান পাওয়া যায় এবং অন্যান্য ঘটনাগুলি বিভিন্ন হয়, তাহলে সেই সাধারণ ঘটনাটিকে ওই কার্যের কারণ বা কারণের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হয়। এই পদ্ধতিকে মিলের অন্বয় পদ্ধতি বা মিলের আরোহ পদ্ধতি (Method of Agreement) বলে।

এই পদ্ধতির মূল কথা হলো—“যেখানে যেখানে কার্যটি ঘটে, সেই সকল দৃষ্টান্তে যদি একটি সাধারণ ঘটনা উপস্থিত থাকে, তবে সেই সাধারণ ঘটনাটি কার্যটির কারণ বা কারণের অংশ।”

উদাহরণ:
একজন ব্যক্তি বিভিন্ন দিনে বিভিন্ন ধরনের খাবার খেলেন এবং প্রতিবারই দেখা গেল, যে খাবারটির সঙ্গে দুধ ছিল, তার পরেই তাঁর অসুস্থতা দেখা দিয়েছে। অন্য খাবারগুলি প্রতিবার পরিবর্তিত হলেও দুধটি সাধারণ ছিল। তাই প্রাথমিকভাবে দুধকে অসুস্থতার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে।

3. মিলের আরোহ পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য

উত্তর: মিলের আরোহ পদ্ধতির প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হল—

(ক) একাধিক দৃষ্টান্তের উপর নির্ভরশীল: এই পদ্ধতিতে কোনো একটি ঘটনা নয়, বরং কার্যটির সংঘটিত একাধিক দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণ করা হয়।

(খ) সাধারণ উপাদান অনুসন্ধান: বিভিন্ন দৃষ্টান্তের মধ্যে যে একটি সাধারণ পূর্ববর্তী ঘটনা বা উপাদান উপস্থিত থাকে, সেটিকে চিহ্নিত করা হয়।

(গ) অপসারণের নীতি: যেসব ঘটনা সব দৃষ্টান্তে উপস্থিত নয়, সেগুলিকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ধীরে ধীরে বাদ দেওয়া হয়।

(ঘ) কারণ নির্ণয়ের চেষ্টা: এই পদ্ধতির প্রধান উদ্দেশ্য হলো কোনো কার্য বা ঘটনার সম্ভাব্য কারণ অথবা কারণের অংশ নির্ণয় করা।

(ঙ) পর্যবেক্ষণনির্ভর: মিলের অন্বয় পদ্ধতি মূলত পর্যবেক্ষণ ও অভিজ্ঞতার উপর প্রতিষ্ঠিত।

(চ) বৈজ্ঞানিক আরোহের পদ্ধতি: এটি বৈজ্ঞানিক আরোহের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। বিশেষ করে কারণ ও কার্যের সম্পর্ক অনুসন্ধানে এর ব্যবহার দেখা যায়।

(ছ) সিদ্ধান্ত সম্ভাব্য: এই পদ্ধতির মাধ্যমে প্রাপ্ত সিদ্ধান্ত সাধারণত সম্ভাব্য, অনিবার্য বা নিশ্চিত নয়। কারণ, কেবল কয়েকটি দৃষ্টান্তের সাধারণ উপাদান থেকেই কারণ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মিলের আরোহ পদ্ধতির প্রকারভেদ

1. অন্বয় পদ্ধতি (Method of Agreement)

উত্তর: কোনো কার্যের সংঘটিত বিভিন্ন দৃষ্টান্তের মধ্যে যদি একটি মাত্র সাধারণ পূর্ববর্তী ঘটনা বা উপাদান উপস্থিত থাকে এবং অন্যান্য ঘটনা ভিন্ন হয়, তাহলে সেই সাধারণ ঘটনাটিকে ওই কার্যের কারণ বা কারণের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হয়। এই পদ্ধতিকে মিলের অন্বয় পদ্ধতি বলে।

উদাহরণ:
বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখা গেল, যেখানে যেখানে A উপস্থিত, সেখানেই X কার্যটি ঘটেছে। অন্যান্য উপাদানগুলি পরিবর্তিত হলেও A সাধারণভাবে উপস্থিত। তাই A-কে X-এর কারণ বা কারণের অংশ বলে মনে করা হয়।

2. ব্যতিরেক পদ্ধতি (Method of Difference)

উত্তর: কোনো কার্যের সংঘটিত একটি দৃষ্টান্ত এবং সেই কার্যের অসংঘটিত একটি দৃষ্টান্তের মধ্যে যদি একটি মাত্র পার্থক্য থাকে এবং সেই পার্থক্যটি কার্যটির উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তাহলে ওই পার্থক্যকারী ঘটনাটিকে কার্যের কারণ বা কারণের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হয়। এই পদ্ধতিকে মিলের ব্যতিরেক পদ্ধতি বলে।

উদাহরণ:
একটি গাছকে জল দেওয়া হলো এবং সেটি সতেজ রইল। একই ধরনের অন্য একটি গাছকে জল দেওয়া হলো না এবং সেটি সতেজ রইল না। অন্যান্য শর্ত একই থাকলে, জল দেওয়াকে গাছ সতেজ থাকার কারণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।

3. অন্বয়-ব্যতিরেক পদ্ধতি (Joint Method of Agreement and Difference)

উত্তর: যখন কোনো কার্যের কয়েকটি সংঘটিত দৃষ্টান্তে একটি সাধারণ ঘটনা উপস্থিত থাকে এবং একই সঙ্গে কার্যের অসংঘটিত দৃষ্টান্তে সেই ঘটনাটি অনুপস্থিত থাকে, তখন অন্বয় ও ব্যতিরেক—এই দুই পদ্ধতির সমন্বয়ে কারণ নির্ণয় করা হয়। একে মিলের অন্বয়-ব্যতিরেক পদ্ধতি বলে।

উদাহরণ:
যেসব ব্যক্তিরা নির্দিষ্ট একটি খাবার খেয়েছেন, তাদের মধ্যে অসুস্থতা দেখা গেল। আবার যেসব ব্যক্তি সেই খাবারটি খাননি, তাদের মধ্যে অসুস্থতা দেখা গেল না। এখানে খাবারটির উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির সঙ্গে অসুস্থতার সম্পর্ক পাওয়া যাচ্ছে। তাই ওই খাবারটিকে অসুস্থতার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।

4. সহপরিবর্তন পদ্ধতি (Method of Concomitant Variation)

উত্তর: যখন কোনো একটি ঘটনা বা কারণের পরিবর্তনের সঙ্গে অন্য একটি ঘটনা বা কার্যেরও নিয়মিত পরিবর্তন ঘটে, তখন তাদের মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক আছে বলে অনুমান করা হয়। এই পদ্ধতিকে মিলের সহপরিবর্তন পদ্ধতি বলে।

অর্থাৎ, একটি ঘটনার পরিবর্তনের সঙ্গে যদি অন্য একটি ঘটনাও একইভাবে বা বিপরীতভাবে নিয়মিত পরিবর্তিত হয়, তাহলে তাদের মধ্যে কারণ-কার্যের সম্পর্ক থাকতে পারে।

উদাহরণ:
তাপমাত্রা যত বাড়ে, পারদের স্তরও তত বাড়ে। আবার তাপমাত্রা কমলে পারদের স্তরও কমে। অর্থাৎ, তাপমাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে পারদের স্তরের নিয়মিত পরিবর্তন ঘটে। তাই তাপমাত্রা ও পারদের প্রসারণের মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক রয়েছে বলে অনুমান করা যায়।

অপসারণ সূত্র ও মিলের আরোহ পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর MCQ

২১. মিলের অন্বয় পদ্ধতিতে কোন বিষয়টি অনুসন্ধান করা হয়?
(ক) সাধারণ অনুপস্থিতি
(খ) সাধারণ উপস্থিতি
(গ) সম্পূর্ণ বিরোধিতা
(ঘ) সিদ্ধান্তের সত্যতা
উত্তর: (খ) সাধারণ উপস্থিতি

২২. মিলের ব্যতিরেক পদ্ধতিতে কার্যযুক্ত ও কার্যহীন দৃষ্টান্তের মধ্যে কী খোঁজা হয়?
(ক) সাদৃশ্য
(খ) একটি মাত্র পার্থক্য
(গ) সম্পূর্ণ সমতা
(ঘ) কোনো সম্পর্ক নেই
উত্তর: (খ) একটি মাত্র পার্থক্য

২৩. অন্বয় পদ্ধতিতে কোন ধরনের দৃষ্টান্ত বিবেচনা করা হয়?
(ক) কেবল কার্যহীন দৃষ্টান্ত
(খ) কেবল একটি দৃষ্টান্ত
(গ) কার্যের সংঘটিত বিভিন্ন দৃষ্টান্ত
(ঘ) কোনো দৃষ্টান্ত নয়
উত্তর: (গ) কার্যের সংঘটিত বিভিন্ন দৃষ্টান্ত

২৪. ব্যতিরেক পদ্ধতির মূল ভিত্তি কী?
(ক) সাধারণ উপস্থিতি
(খ) উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির পার্থক্য
(গ) সাদৃশ্য
(ঘ) কল্পনা
উত্তর: (খ) উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির পার্থক্য

২৫. অন্বয়-ব্যতিরেক পদ্ধতিতে কোন দুটি বিষয় একত্রে বিবেচনা করা হয়?
(ক) কারণ ও ফল
(খ) উপস্থিতি ও অনুপস্থিতি
(গ) সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য
(ঘ) পূর্বগ ও পরগ
উত্তর: (খ) উপস্থিতি ও অনুপস্থিতি

২৬. সহপরিবর্তন পদ্ধতিতে কী ধরনের সম্পর্ক লক্ষ্য করা হয়?
(ক) নিয়মিত পরিবর্তনের সম্পর্ক
(খ) সম্পূর্ণ বিরোধের সম্পর্ক
(গ) কোনো সম্পর্ক নয়
(ঘ) কেবল সাদৃশ্যের সম্পর্ক
উত্তর: (ক) নিয়মিত পরিবর্তনের সম্পর্ক

২৭. মিলের আরোহ পদ্ধতিগুলি মূলত কী নির্ণয়ে সাহায্য করে?
(ক) সংজ্ঞা
(খ) কারণ-কার্য সম্পর্ক
(গ) বচনের পরিমাণ
(ঘ) বচনের গুণ
উত্তর: (খ) কারণ-কার্য সম্পর্ক

২৮. “যে সকল দৃষ্টান্তে কার্যটি ঘটেছে, সেগুলির মধ্যে একটি ঘটনা সাধারণ”—এটি কোন পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য?
(ক) ব্যতিরেক পদ্ধতি
(খ) অন্বয় পদ্ধতি
(গ) সহপরিবর্তন পদ্ধতি
(ঘ) অবশিষ্ট পদ্ধতি
উত্তর: (খ) অন্বয় পদ্ধতি

২৯. “কার্যটি যেখানে ঘটেছে সেখানে কারণের উপস্থিতি এবং যেখানে ঘটেনি সেখানে কারণের অনুপস্থিতি”—এটি কোন পদ্ধতির সঙ্গে সম্পর্কিত?
(ক) অন্বয়-ব্যতিরেক পদ্ধতি
(খ) অন্বয় পদ্ধতি
(গ) সাদৃশ্যানুমান
(ঘ) অবরোহ পদ্ধতি
উত্তর: (ক) অন্বয়-ব্যতিরেক পদ্ধতি

৩০. কোনো কারণের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে যদি কার্যের পরিমাণও বাড়ে, তবে কোন পদ্ধতির প্রয়োগ দেখা যায়?
(ক) অন্বয় পদ্ধতি
(খ) ব্যতিরেক পদ্ধতি
(গ) সহপরিবর্তন পদ্ধতি
(ঘ) অবশিষ্ট পদ্ধতি
উত্তর: (গ) সহপরিবর্তন পদ্ধতি

৩১. মিলের পদ্ধতিগুলির মধ্যে কোনটি কার্য ও কারণের উপস্থিতি-অনুপস্থিতি উভয়কেই বিবেচনা করে?
(ক) অন্বয় পদ্ধতি
(খ) ব্যতিরেক পদ্ধতি
(গ) অন্বয়-ব্যতিরেক পদ্ধতি
(ঘ) সহপরিবর্তন পদ্ধতি
উত্তর: (গ) অন্বয়-ব্যতিরেক পদ্ধতি

৩২. মিলের অন্বয় পদ্ধতিতে সাধারণ ঘটনাটি কী হিসেবে বিবেচিত হয়?
(ক) কার্যের বিরোধী
(খ) কারণ বা কারণের অংশ
(গ) অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা
(ঘ) সিদ্ধান্ত
উত্তর: (খ) কারণ বা কারণের অংশ

৩৩. অপসারণ সূত্রের সাহায্যে কী করা হয়?
(ক) সম্ভাব্য কারণগুলিকে পরীক্ষা করে অপ্রাসঙ্গিক কারণ বাদ দেওয়া হয়
(খ) সব কারণ গ্রহণ করা হয়
(গ) কার্যকে বাদ দেওয়া হয়
(ঘ) সিদ্ধান্তকে অস্বীকার করা হয়
উত্তর: (ক) সম্ভাব্য কারণগুলিকে পরীক্ষা করে অপ্রাসঙ্গিক কারণ বাদ দেওয়া হয়

৩৪. মিলের ব্যতিরেক পদ্ধতিতে কার্যটির সঙ্গে কোন বিষয়টির তুলনা করা হয়?
(ক) অন্য একটি কার্য
(খ) কার্যহীন দৃষ্টান্ত
(গ) একটি সংজ্ঞা
(ঘ) একটি সাধারণ বচন
উত্তর: (খ) কার্যহীন দৃষ্টান্ত

৩৫. অন্বয় পদ্ধতিতে বিভিন্ন দৃষ্টান্তের অন্যান্য উপাদানগুলি কেমন থাকে?
(ক) সব একই
(খ) ভিন্ন
(গ) সব অনুপস্থিত
(ঘ) অপরিবর্তনীয়
উত্তর: (খ) ভিন্ন

৩৬. ব্যতিরেক পদ্ধতিকে ইংরেজিতে কী বলা হয়?
(ক) Method of Agreement
(খ) Method of Difference
(গ) Method of Residues
(ঘ) Method of Analogy
উত্তর: (খ) Method of Difference

৩৭. সহপরিবর্তন পদ্ধতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ কোনটি?
(ক) তাপমাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে পারদের স্তরের পরিবর্তন
(খ) দুটি একই ধরনের বস্তু
(গ) একটি সংজ্ঞা ও তার ব্যাখ্যা
(ঘ) একটি বচন ও তার বিপরীত
উত্তর: (ক) তাপমাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে পারদের স্তরের পরিবর্তন

৩৮. মিলের আরোহ পদ্ধতিতে সিদ্ধান্ত সাধারণত কী ধরনের হয়?
(ক) অনিবার্য
(খ) সম্ভাব্য
(গ) স্ববিরোধী
(ঘ) সংজ্ঞামূলক
উত্তর: (খ) সম্ভাব্য

৩৯. মিলের পদ্ধতিগুলি কোন ধরনের আরোহের সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত?
(ক) বৈজ্ঞানিক আরোহ
(খ) অবৈজ্ঞানিক আরোহ
(গ) অবরোহ
(ঘ) সাদৃশ্যহীন যুক্তি
উত্তর: (ক) বৈজ্ঞানিক আরোহ

৪০. নিচের কোনটি মিলের আরোহ পদ্ধতি নয়?
(ক) অন্বয় পদ্ধতি
(খ) ব্যতিরেক পদ্ধতি
(গ) সহপরিবর্তন পদ্ধতি
(ঘ) সংস্থান পদ্ধতি
উত্তর: (ঘ) সংস্থান পদ্ধতি

অপসারণ সূত্র ও মিলের আরোহ পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর SAQ

1. অপসারণের সূত্রটি লেখ।
উত্তর: অপসারণ সূত্রের মূল কথা হলো—কোনো কার্যের সম্ভাব্য কারণগুলির মধ্যে যেগুলি কার্যটির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়, সেগুলিকে একে একে বাদ দিয়ে প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা।

2. অপসারণের সূত্র কয়টি ও কী কী?
উত্তর: অপসারণের সূত্র চারটি। এগুলি হলো—
(১) অন্বয় সূত্র
(২) ব্যতিরেক সূত্র
(৩) অন্বয়-ব্যতিরেক সূত্র
(৪) সহপরিবর্তন সূত্র

3. প্রথম সূত্রটি লেখ।
উত্তর: প্রথম সূত্রটি হলো অন্বয় সূত্র। এই সূত্র অনুযায়ী, কোনো কার্যের সংঘটিত বিভিন্ন দৃষ্টান্তে যদি একটি মাত্র সাধারণ ঘটনা উপস্থিত থাকে, তবে সেই সাধারণ ঘটনাকে কার্যের কারণ বা কারণের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

4. প্রথম সূত্রটির উদাহরণ দাও।
উত্তর: বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখা গেল—যেখানে যেখানে A উপস্থিত, সেখানেই X কার্যটি ঘটেছে। অন্যান্য উপাদানগুলি ভিন্ন হলেও A সবক্ষেত্রে সাধারণ। অতএব, A-কে X-এর কারণ বা কারণের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।

5. দ্বিতীয় সূত্রটি লেখ।
উত্তর: দ্বিতীয় সূত্রটি হলো ব্যতিরেক সূত্র। এই সূত্র অনুযায়ী, কোনো কার্যযুক্ত ও কার্যহীন দুটি দৃষ্টান্তের মধ্যে যদি একটি মাত্র পার্থক্য থাকে এবং সেই পার্থক্যটি কার্যের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হয়, তবে সেই পার্থক্যকারী ঘটনাকে কার্যের কারণ বা কারণের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

6. দ্বিতীয় সূত্রটির উদাহরণ দাও।
উত্তর: একটি গাছকে নিয়মিত জল দেওয়া হলো এবং গাছটি সতেজ রইল। অন্য একটি একই ধরনের গাছে জল দেওয়া হলো না এবং সেটি সতেজ রইল না। অন্যান্য শর্ত একই থাকলে, জল দেওয়াকে গাছ সতেজ থাকার কারণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।

7. তৃতীয় সূত্রটি লেখ।
উত্তর: তৃতীয় সূত্রটি হলো অন্বয়-ব্যতিরেক সূত্র। এই সূত্র অনুযায়ী, কোনো কার্যের সংঘটিত বিভিন্ন দৃষ্টান্তে যদি একটি সাধারণ ঘটনা উপস্থিত থাকে এবং কার্যের অসংঘটিত দৃষ্টান্তে সেই ঘটনাটি অনুপস্থিত থাকে, তবে সেই ঘটনাকে কার্যের কারণ বা কারণের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

8. তৃতীয় সূত্রটির উদাহরণ দাও।
উত্তর: যেসব ব্যক্তি একটি নির্দিষ্ট খাবার খেয়েছেন, তাদের মধ্যে অসুস্থতা দেখা গেল। আবার যেসব ব্যক্তি ওই খাবারটি খাননি, তাদের মধ্যে অসুস্থতা দেখা গেল না। অতএব, ওই খাবারটিকে অসুস্থতার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।

9. চতুর্থ সূত্রটি লেখ।
উত্তর: চতুর্থ সূত্রটি হলো সহপরিবর্তন সূত্র। এই সূত্র অনুযায়ী, কোনো একটি ঘটনা পরিবর্তিত হলে তার সঙ্গে যদি অন্য একটি ঘটনাও নিয়মিতভাবে পরিবর্তিত হয়, তবে তাদের মধ্যে কারণ-কার্যের সম্পর্ক আছে বলে অনুমান করা হয়।

10. চতুর্থ সূত্রটির উদাহরণ দাও।
উত্তর: তাপমাত্রা বাড়লে পারদের স্তর বাড়ে এবং তাপমাত্রা কমলে পারদের স্তরও কমে। অর্থাৎ, তাপমাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে পারদের স্তরের নিয়মিত পরিবর্তন ঘটে। তাই তাপমাত্রা ও পারদের প্রসারণের মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক আছে বলে অনুমান করা যায়।

12. অন্বয়ী পদ্ধতির ক্ষেত্রে অপসারণের কোন সূত্রটি প্রয়োগ করা হয়েছে?
উত্তর: অন্বয় সূত্র।

13. ব্যতিরেকী পদ্ধতির ক্ষেত্রে অপসারণের কোন সূত্রটি প্রয়োগ করা হয়েছে?
উত্তর: ব্যতিরেক সূত্র।

14. অন্বয়-ব্যতিরেকী পদ্ধতির ক্ষেত্রে অপসারণের কোন সূত্রটি প্রয়োগ করা হয়েছে?
উত্তর: অন্বয়-ব্যতিরেক সূত্র।

15. সহপরিবর্তন পদ্ধতির ক্ষেত্রে অপসারণের কোন সূত্রটি প্রয়োগ করা হয়েছে?
উত্তর: সহপরিবর্তন সূত্র।

শূন্যস্থান পূরণ কর

1. ……………………….. পদ্ধতিকে দ্বি-অন্বয়ী পদ্ধতি বলা হয়। (শূন্যস্থান পূরণ কর)

2. অন্বয়ী পদ্ধতি হল …………………………. পদ্ধতি। (শূন্যস্থান পূরণ কর)

3. ব্যতিরেকী পদ্ধতি হল ………………………… পদ্ধতি। (শূন্যস্থান পূরণ কর)

4. ব্যতিরেকী পদ্ধতির অপার্থক প্রয়োগে ……………………………… দোষ দেখা দেয়। (শূন্যস্থান পূরণ কর)

5. ………………………… মূলক পদ্ধতির সিদ্ধান্ত কখনও নিশ্চিত হতে পারে না। (শূন্যস্থান পূরণ কর)

6. ব্যতিরেকী পদ্ধতিতে …………………… দৃষ্টান্তের প্রয়োজন হয়। (শূন্যস্থান পূরণ কর)

7. সহ-পরিবর্তন পদ্ধতি কারণের ……………………….. গত লক্ষণের উপর প্রতিষ্ঠিত। (শূন্যস্থান পূরণ কর)

8. অপসারণের সূত্রগুলি ………………………. পদ্ধতির ভিত্তি। (শূন্যস্থান পূরণ কর)

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *