চার্বাক দর্শনে স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ | সম্পূর্ণ আলোচনা
চার্বাক দর্শনে স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ | সম্পূর্ণ আলোচনা
চার্বাক দর্শনে স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ | সম্পূর্ণ আলোচনা – ভারতীয় দর্শনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পরীক্ষোপযোগী বিষয়, যা XI শ্রেণির, B.A. 1st Semester-এর পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত এবং বিভিন্ন স্কুল সার্ভিস, কলেজ সার্ভিস, NET, SET, PSC ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিতভাবে প্রশ্ন আসে। চার্বাক দর্শনের প্রকৃতিতত্ত্ব বোঝার ক্ষেত্রে স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ। চার্বাকদের মতে এই বিশ্বজগতের সৃষ্টি, পরিবর্তন ও কার্যকলাপের পেছনে কোনো অতিপ্রাকৃত শক্তি, ঈশ্বর বা অদৃষ্টের প্রয়োজন নেই। বস্তু তার নিজস্ব স্বভাব অনুযায়ী কার্য করে এবং অনেক ঘটনাই স্বাভাবিক বা আকস্মিকভাবে সংঘটিত হয়। এই কারণেই চার্বাক দর্শনে স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ একটি গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। (www.ispgurukul.com)
এই প্রবন্ধে চার্বাক দর্শনের স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ সম্পর্কে সহজ ও বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। এখানে স্বভাববাদের সংজ্ঞা, যদৃচ্ছবাদের অর্থ, এই দুই মতবাদের মূল বৈশিষ্ট্য, চার্বাকদের যুক্তি, ঈশ্বর ও অদৃষ্টের অস্বীকার, প্রকৃতি ও জগতের ব্যাখ্যা, অন্যান্য ভারতীয় দর্শনের সঙ্গে তুলনামূলক আলোচনা এবং পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সহজ ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে প্রতিটি বিষয় ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যাতে অল্প সময়ে সম্পূর্ণ ধারণা লাভ করা যায়।
আপনি যদি চার্বাক দর্শনে স্বভাববাদ, চার্বাক দর্শনে যদৃচ্ছবাদ, স্বভাববাদ কী, যদৃচ্ছবাদ কী, অথবা চার্বাক দর্শনের প্রকৃতিতত্ত্ব সম্পর্কে নির্ভুল ও পরীক্ষাভিত্তিক নোট খুঁজে থাকেন, তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য অত্যন্ত উপযোগী হবে। আলোচনার শেষে গুরুত্বপূর্ণ MCQ, SAQ এবং পরীক্ষায় বারবার আসা প্রশ্নোত্তর সংযোজিত রয়েছে, যা আপনার প্রস্তুতিকে আরও কার্যকর ও সমৃদ্ধ করে তুলবে।
চার্বাক দর্শন: স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ (Svabhavavada & Yadricchavada) – সহজ ভাষায় সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা
ভারতীয় দর্শনে জগতের উৎপত্তি, পরিবর্তন এবং কার্যকারণ সম্পর্ক ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দর্শন বিভিন্ন মতবাদ উপস্থাপন করেছে। ন্যায়, সাংখ্য, যোগ, বেদান্ত ও মীমাংসা দর্শন জগতের ব্যাখ্যায় ঈশ্বর, অদৃষ্ট, কর্মফল কিংবা অন্যান্য অতীন্দ্রিয় তত্ত্বকে গুরুত্ব দিয়েছে। কিন্তু চার্বাক দর্শন এই সকল মতের সঙ্গে একমত নয়। চার্বাকদের মতে, জগতের সৃষ্টি ও পরিচালনার জন্য কোনো অতিপ্রাকৃত শক্তি, ঈশ্বর বা অদৃষ্টের প্রয়োজন নেই। বস্তু তার নিজস্ব স্বভাব অনুযায়ী কার্য সম্পাদন করে এবং অনেক ঘটনাই স্বাভাবিক বা আকস্মিকভাবে সংঘটিত হয়। এই মতবাদই চার্বাক দর্শনের স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ-এর মূল ভিত্তি।

চার্বাক দার্শনিকদের মতে, পৃথিবী, জল, অগ্নি ও বায়ু—এই চারটি মৌলিক উপাদানের স্বাভাবিক সংযোগ থেকেই জগতের বিভিন্ন বস্তু ও জীবের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিটি বস্তুর একটি নিজস্ব স্বভাব রয়েছে এবং সেই স্বভাব অনুসারেই তার কার্যকলাপ সম্পন্ন হয়। যেমন আগুনের স্বভাব দহন করা, জলের স্বভাব শীতলতা প্রদান করা এবং বায়ুর স্বভাব প্রবাহিত হওয়া। এসব ঘটনার জন্য কোনো অদৃশ্য শক্তি বা ঈশ্বরের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।
চার্বাকদের মতে, জগতের অনেক ঘটনা যদৃচ্ছা বা আকস্মিকভাবেও সংঘটিত হয়। অর্থাৎ প্রতিটি ঘটনার পেছনে কোনো অলৌকিক উদ্দেশ্য বা অতিপ্রাকৃত কারণ খোঁজার প্রয়োজন নেই। প্রকৃতির নিজস্ব নিয়ম ও উপাদানগুলির পারস্পরিক ক্রিয়ার ফলেই বিভিন্ন পরিবর্তন ঘটে। তাই জগতের ব্যাখ্যা করতে অলৌকিক শক্তির পরিবর্তে বাস্তব ও প্রাকৃতিক কারণ গ্রহণ করাই যুক্তিসঙ্গত।
একইভাবে চার্বাকরা ঈশ্বর, অদৃষ্ট, কর্মফল, পুনর্জন্ম কিংবা ভাগ্যের মতো ধারণাগুলিকেও গ্রহণ করেননি। তাঁদের মতে, এসব বিষয়ে প্রত্যক্ষ বা নিশ্চিত প্রমাণ নেই। ফলে প্রকৃতির ঘটনাবলিকে ব্যাখ্যা করতে অদৃশ্য শক্তির পরিবর্তে বস্তুজগতের স্বাভাবিক ধর্ম ও বাস্তব কারণের উপর নির্ভর করাই উচিত। এই কারণেই চার্বাক দর্শনে স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ বিশেষ গুরুত্ব লাভ করেছে।
চার্বাক দর্শনে স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদের গুরুত্ব কেবল প্রকৃতিতত্ত্বেই সীমাবদ্ধ নয়; তাঁদের সমগ্র বস্তুবাদী ও যুক্তিনির্ভর দর্শনের ভিত্তিও এই দুই মতবাদ। জগতের সমস্ত ঘটনা প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে সংঘটিত হয়—এই ধারণার উপর ভিত্তি করেই চার্বাকরা অতিপ্রাকৃত ব্যাখ্যাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বাস্তব অভিজ্ঞতানির্ভর চিন্তাকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
অতএব বলা যায়, স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ চার্বাক দর্শনের অন্যতম মৌলিক মতবাদ। প্রকৃতির স্বাভাবিক ধর্ম এবং আকস্মিক ঘটনাপ্রবাহের মাধ্যমে জগতকে ব্যাখ্যা করার এই দৃষ্টিভঙ্গি ভারতীয় দর্শনের ইতিহাসে চার্বাকদের একটি স্বতন্ত্র, যুক্তিবাদী ও বাস্তববাদী অবস্থান প্রদান করেছে। এই কারণে চার্বাক দর্শনের স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ দর্শনশাস্ত্রের পাশাপাশি XI শ্রেণি, B.A., NET, SET, PSC, SLST এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়।
প্রশ্ন : চার্বাকরা ব্যোমকে স্বীকার করেন না কেন? চার্বাকদের স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।
উত্তর :
চার্বাকদের মতে, যা প্রত্যক্ষযোগ্য, কেবল তারই অস্তিত্ব স্বীকার করা যায়। ক্ষিতি (পৃথিবী), অপ (জল), তেজ (অগ্নি) ও মরুৎ (বায়ু)—এই চারটি মহাভূত প্রত্যক্ষযোগ্য। তাই চার্বাকগণ এগুলিকে মহাভূত হিসেবে স্বীকার করেছেন। কিন্তু ব্যোম (আকাশ) প্রত্যক্ষ ইন্দ্রিয়ের দ্বারা উপলব্ধ নয়। তাই চার্বাকরা ব্যোমকে মহাভূত হিসেবে স্বীকার করেন না।
চার্বাক সম্প্রদায়ের অন্তর্গত কোনো কোনো শাখা স্বভাববাদ এবং যদৃচ্ছবাদ-এর মাধ্যমে জগতের সৃষ্টি ও বিকাশের ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। নিচে এই দুটি মতবাদের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হলো—
স্বভাববাদ
চার্বাকদের মতে, ক্ষিতি, অপ, তেজ ও মরুৎ—এই চারটি মহাভূতের প্রত্যেকটির নিজস্ব স্বভাব বা ধর্ম রয়েছে। এই স্বভাবের কারণেই তারা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে জগতের বিভিন্ন বস্তু সৃষ্টি করে। এই উপাদানগুলির সংযোগের জন্য কোনো ঈশ্বর, অদৃষ্ট বা অতিপ্রাকৃত শক্তির প্রয়োজন হয় না। প্রতিটি বস্তুই এই চারটি মহাভূতের সমন্বয়ে গঠিত এবং তাদের স্বাভাবিক ধর্ম বা গুণের ফলেই জগতের সৃষ্টি ও পরিবর্তন ঘটে। এই কারণেই চার্বাকদের এই মতবাদ স্বভাববাদ নামে পরিচিত। স্বভাববাদ অনুসারে, প্রকৃতির প্রতিটি উপাদান তার নিজস্ব ধর্ম বা স্বভাব অনুযায়ী কার্য সম্পাদন করে। যেমন—অগ্নির স্বভাব দহন করা, জলের স্বভাব শীতলতা প্রদান করা, বায়ুর স্বভাব প্রবাহিত হওয়া এবং পৃথিবীর স্বভাব স্থিতিশীলতা প্রদান করা। এই স্বাভাবিক ধর্মগুলিই জগতের সমস্ত পরিবর্তন ও কার্যকলাপের মূল কারণ। তাই কোনো বস্তুর সৃষ্টি, পরিবর্তন বা বিনাশ ব্যাখ্যা করার জন্য আলাদা করে ঈশ্বর, ভাগ্য, অদৃষ্ট কিংবা অন্য কোনো অলৌকিক শক্তির আশ্রয় নেওয়ার প্রয়োজন নেই।
চার্বাকদের মতে, জগতের সকল বস্তু ও জীবের উৎপত্তি এই চারটি মহাভূতের স্বাভাবিক সংযোগ ও পারস্পরিক ক্রিয়ার ফল। তাদের নিজস্ব স্বভাব থেকেই বিভিন্ন বৈচিত্র্যময় বস্তু, উদ্ভিদ, প্রাণী এবং জীবজগতের সৃষ্টি হয়েছে। অর্থাৎ প্রকৃতি নিজস্ব নিয়মেই পরিচালিত হয় এবং তার কার্যকলাপের জন্য কোনো অতিপ্রাকৃত নিয়ন্ত্রকের প্রয়োজন হয় না। এইভাবে প্রকৃতির স্বাভাবিক ধর্ম বা স্বভাবের মাধ্যমেই জগতের সৃষ্টি, স্থিতি ও পরিবর্তনকে ব্যাখ্যা করাই চার্বাকদের স্বভাববাদ-এর মূল বক্তব্য।
এই প্রসঙ্গে চার্বাকদের একটি বিখ্যাত উক্তি হলো—
“অগ্নিরুষ্ণো জলং শীতং শীতস্পর্শস্তথানিলঃ।
কেনেদং চিত্রিতং তস্মাৎ স্বভাবাৎ তদব্যবস্থিতিঃ॥”
অর্থ : অগ্নির স্বভাব উষ্ণতা, জলের স্বভাব শীতলতা এবং বায়ুর স্বভাব অনুষ্ণ ও অশীতল হওয়া। এই স্বভাবগুলির কারণেই জগতের বিভিন্ন বস্তুর সৃষ্টি ও কার্যসম্পাদন ঘটে। তাই জগৎ সৃষ্টির জন্য ঈশ্বরের প্রয়োজন নেই; মহাভূতগুলির স্বভাবই যথেষ্ট।
সমালোচনা :
চার্বাক দর্শনের অন্তর্গত কোনো কোনো শাখা স্বভাববাদকে সম্পূর্ণভাবে গ্রহণ করেননি। তাঁদের মতে, শুধুমাত্র স্বভাবের মাধ্যমে জগতের সবকিছু ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। তাই তাঁরা যদৃচ্ছবাদ-এর কথা বলেছেন। তাঁদের মতে, জগতের সকল সৃষ্টি ও পরিবর্তনের পেছনে কেবল বস্তুর স্বভাবই একমাত্র কারণ নয়; অনেক ঘটনা আকস্মিকভাবেও সংঘটিত হতে পারে। অর্থাৎ চারটি মহাভূতের সংযোগ সর্বদা কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম বা স্বভাবের অধীন নয়, বরং অনেক ক্ষেত্রে তা যদৃচ্ছাভাবে বা আকস্মিকভাবে ঘটে। এই কারণেই স্বভাববাদের পরিবর্তে তাঁরা যদৃচ্ছবাদকে জগতের সৃষ্টি ও পরিবর্তনের একটি বিকল্প ব্যাখ্যা হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
যদৃচ্ছবাদ
যদৃচ্ছবাদের মূল বক্তব্য হলো—ক্ষিতি, অপ, তেজ ও মরুৎ—এই চারটি মহাভূত আকস্মিক বা উদ্দেশ্যহীনভাবে পরস্পরের সঙ্গে মিলিত হয়ে জগতের বিভিন্ন বস্তুর সৃষ্টি করেছে। আবার একইভাবে আকস্মিকভাবেই বিভিন্ন বস্তুর ধ্বংসও ঘটে। এই মিলনের পেছনে কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, পরিকল্পনা বা অতিপ্রাকৃত শক্তির ভূমিকা নেই। যেহেতু জগতের সৃষ্টি আকস্মিকভাবে সংঘটিত হয়েছে বলে এই মতবাদে বলা হয়, তাই একে যদৃচ্ছবাদ বলা হয়। যদৃচ্ছবাদ অনুসারে, জগতের সৃষ্টি কোনো সচেতন সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা বা পরিকল্পনার ফল নয়; বরং চারটি মহাভূতের আকস্মিক সংযোগ থেকেই বিভিন্ন বস্তু, উদ্ভিদ, প্রাণী এবং জীবজগতের উদ্ভব হয়েছে। একইভাবে, এই উপাদানগুলির বিচ্ছেদ বা পরিবর্তনের ফলে বিভিন্ন বস্তুর বিনাশ ঘটে। অর্থাৎ সৃষ্টি ও ধ্বংস—উভয়ই স্বাভাবিক ও আকস্মিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
এই মতবাদে জগতের ঘটনাবলিকে ব্যাখ্যা করার জন্য ঈশ্বর, অদৃষ্ট, কর্মফল বা কোনো অতিপ্রাকৃত শক্তির প্রয়োজন স্বীকার করা হয় না। যদৃচ্ছবাদীরা মনে করেন, প্রকৃতির উপাদানগুলির আকস্মিক মিলন ও বিচ্ছেদের ফলেই জগতের বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়েছে। তাই জগতের প্রতিটি ঘটনার পেছনে কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা রয়েছে—এমন ধারণাকে তারা গ্রহণ করেন না। এই কারণেই চার্বাক দর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ হিসেবে যদৃচ্ছবাদ বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে।

সমালোচনা :
যদৃচ্ছবাদকে অনেক দার্শনিক গ্রহণযোগ্য মনে করেন না। কারণ এই মতবাদের পক্ষে সুস্পষ্ট ও শক্তিশালী যুক্তি উপস্থাপন করা হয়নি। দর্শনের মূল বৈশিষ্ট্য হলো যুক্তির ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু যদৃচ্ছবাদে “আকস্মিকতা” কীভাবে কার্যকর হয়, তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। তাই এই মতবাদ সমালোচিত হয়েছে। এছাড়া, যদি জগতের সমস্ত সৃষ্টি ও পরিবর্তন সম্পূর্ণরূপে আকস্মিক বলে মেনে নেওয়া হয়, তাহলে প্রকৃতিতে যে নিয়ম-শৃঙ্খলা, কার্য-কারণ সম্পর্ক এবং ধারাবাহিকতা লক্ষ্য করা যায়, তার যথাযথ ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে যদৃচ্ছবাদ জগতের সৃষ্টি ও বিকাশ সম্পর্কে একটি সুসংহত ও যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা প্রদান করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অনেক দার্শনিক মনে করেন। এই কারণেই ভারতীয় দর্শনের অধিকাংশ আচার্য যদৃচ্ছবাদকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও গ্রহণযোগ্য দার্শনিক মতবাদ হিসেবে স্বীকার করেননি।
উপরের আলোচনা থেকে নির্বাচিত গুরুত্বপূর্ণ MCQ & SAQ প্রশ্ন ও উত্তরগুলি নিচে উপস্থাপন করা হলো। পরীক্ষার প্রস্তুতিকে আরও সহজ ও কার্যকর করার জন্য এগুলি বিশেষভাবে সহায়ক হবে।
MCQ প্রশ্নাবলি :চার্বাক দর্শনে স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ | সম্পূর্ণ আলোচনা
১. চার্বাকদের মতে কোন বিষয়ের অস্তিত্ব স্বীকার করা যায়?
ক) যা কল্পনা করা যায়
খ) যা শাস্ত্রে বলা হয়েছে
গ) যা প্রত্যক্ষযোগ্য
ঘ) যা অনুমান করা যায়
উত্তর : গ) যা প্রত্যক্ষযোগ্য
২. চার্বাকদের মতে কয়টি মহাভূত স্বীকৃত?
ক) ৩টি
খ) ৪টি
গ) ৫টি
ঘ) ৬টি
উত্তর : খ) ৪টি
৩. চার্বাকদের মতে নিচের কোনটি মহাভূত নয়?
ক) ক্ষিতি
খ) অপ
গ) ব্যোম
ঘ) তেজ
উত্তর : গ) ব্যোম
৪. চার্বাকরা ব্যোমকে স্বীকার করেন না কেন?
ক) ব্যোম পরিবর্তনশীল
খ) ব্যোম প্রত্যক্ষযোগ্য নয়
গ) ব্যোম শাস্ত্রে নেই
ঘ) ব্যোম নিত্য নয়
উত্তর : খ) ব্যোম প্রত্যক্ষযোগ্য নয়
৫. চার্বাকদের মতে ক্ষিতি বলতে কী বোঝায়?
ক) জল
খ) পৃথিবী
গ) বায়ু
ঘ) অগ্নি
উত্তর : খ) পৃথিবী
৬. চার্বাকদের মতে অপ বলতে কী বোঝায়?
ক) অগ্নি
খ) জল
গ) আকাশ
ঘ) বায়ু
উত্তর : খ) জল
৭. চার্বাকদের মতে মরুৎ বলতে কী বোঝায়?
ক) পৃথিবী
খ) জল
গ) বায়ু
ঘ) আকাশ
উত্তর : গ) বায়ু
৮. চার্বাকদের মতে স্বভাববাদ কী?
ক) ঈশ্বর জগৎ সৃষ্টি করেন
খ) বস্তুর নিজস্ব স্বভাব থেকেই জগতের সৃষ্টি ও পরিবর্তন ঘটে
গ) কর্মফলের দ্বারা জগৎ পরিচালিত হয়
ঘ) ভাগ্যের দ্বারা সবকিছু নিয়ন্ত্রিত হয়
উত্তর : খ) বস্তুর নিজস্ব স্বভাব থেকেই জগতের সৃষ্টি ও পরিবর্তন ঘটে
৯. স্বভাববাদ অনুসারে মহাভূতগুলির সংযোগের জন্য কী প্রয়োজন হয় না?
ক) পরমাণু
খ) ঈশ্বর বা অতিপ্রাকৃত শক্তি
গ) সময়
ঘ) স্থান
উত্তর : খ) ঈশ্বর বা অতিপ্রাকৃত শক্তি
১০. অগ্নির স্বভাব কী?
ক) শীতলতা
খ) প্রবাহ
গ) উষ্ণতা
ঘ) স্থিরতা
উত্তর : গ) উষ্ণতা
১১. জলের স্বভাব কী?
ক) উষ্ণতা
খ) শীতলতা
গ) গতি
ঘ) দহন
উত্তর : খ) শীতলতা
১২. স্বভাববাদের সমালোচনা কী?
ক) এটি প্রত্যক্ষকে অস্বীকার করে
খ) শুধুমাত্র স্বভাবের দ্বারা জগতের সবকিছু ব্যাখ্যা করা যায় না
গ) এটি ঈশ্বরবাদকে সমর্থন করে
ঘ) এটি পাঁচটি মহাভূত স্বীকার করে
উত্তর : খ) শুধুমাত্র স্বভাবের দ্বারা জগতের সবকিছু ব্যাখ্যা করা যায় না
১৩. যদৃচ্ছবাদ কারা উত্থাপন করেছিলেন?
ক) সকল চার্বাক
খ) চার্বাক দর্শনের কোনো কোনো শাখা
গ) ন্যায় দার্শনিকরা
ঘ) বেদান্ত দার্শনিকরা
উত্তর : খ) চার্বাক দর্শনের কোনো কোনো শাখা
১৪. যদৃচ্ছবাদ অনুসারে জগতের সৃষ্টি কীভাবে হয়েছে?
ক) ঈশ্বরের ইচ্ছায়
খ) কর্মফলের দ্বারা
গ) মহাভূতগুলির আকস্মিক মিলনের ফলে
ঘ) আত্মার দ্বারা
উত্তর : গ) মহাভূতগুলির আকস্মিক মিলনের ফলে
১৫. যদৃচ্ছবাদে কোন শক্তিকে অস্বীকার করা হয়েছে?
ক) অতিপ্রাকৃত শক্তিকে
খ) মহাভূতকে
গ) ইন্দ্রিয়কে
ঘ) প্রত্যক্ষকে
উত্তর : ক) অতিপ্রাকৃত শক্তিকে
১৬. যদৃচ্ছবাদে কোন বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে?
ক) কর্মফল
খ) আকস্মিকতা
গ) পুনর্জন্ম
ঘ) মুক্তি
উত্তর : খ) আকস্মিকতা
১৭. যদৃচ্ছবাদের প্রধান সমালোচনা কী?
ক) এটি প্রত্যক্ষবাদকে সমর্থন করে
খ) এটি শাস্ত্রবিরোধী
গ) এর পক্ষে সুস্পষ্ট যুক্তি নেই
ঘ) এটি চারটি মহাভূত অস্বীকার করে
উত্তর : গ) এর পক্ষে সুস্পষ্ট যুক্তি নেই
১৮. দর্শনের মূল বৈশিষ্ট্য কী?
ক) অলৌকিকতা
খ) কল্পনা
গ) যুক্তির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা
ঘ) বিশ্বাস
উত্তর : গ) যুক্তির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা
১৯. চার্বাকদের মতে জগতের সৃষ্টি কোনটির দ্বারা ঘটে?
ক) ঈশ্বরের ইচ্ছায়
খ) অদৃষ্টের দ্বারা
গ) মহাভূতগুলির স্বভাব ও সংযোগের দ্বারা
ঘ) কর্মফলের দ্বারা
উত্তর : গ) মহাভূতগুলির স্বভাব ও সংযোগের দ্বারা
২০. চার্বাক দর্শনের আলোচ্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ কোনগুলি?
ক) কর্মবাদ ও মুক্তিবাদ
খ) আত্মবাদ ও ঈশ্বরবাদ
গ) স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ
ঘ) শব্দবাদ ও অনুমানবাদ
উত্তর : গ) স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ
SAQ প্রশ্নাবলি :চার্বাক দর্শনে স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ | সম্পূর্ণ আলোচনা
১. চার্বাকদের মতে ‘ব্যোম’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর : ব্যোম বলতে আকাশ বা মহাশূন্যকে বোঝায়।
২. চার্বাকরা কোন ভিত্তিতে মহাভূত স্বীকার করেছেন?
উত্তর : প্রত্যক্ষযোগ্যতার ভিত্তিতে মহাভূত স্বীকার করেছেন।
৩. চার্বাকদের মতে কয়টি মহাভূতের সমন্বয়ে জগত গঠিত?
উত্তর : চারটি মহাভূত—ক্ষিতি, অপ, তেজ ও মরুৎ।
৪. স্বভাববাদে ‘স্বভাব’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর : কোনো বস্তুর নিজস্ব ধর্ম বা প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যকে স্বভাব বলা হয়।
৫. চার্বাকদের মতে অগ্নির স্বভাব কী?
উত্তর : উষ্ণতা বা দহনশক্তি।
৬. চার্বাকদের মতে জলের স্বভাব কী?
উত্তর : শীতলতা।
৭. স্বভাববাদে ঈশ্বরের ভূমিকা সম্পর্কে চার্বাকদের মত কী?
উত্তর : জগৎ সৃষ্টিতে ঈশ্বরের কোনো ভূমিকা নেই।
৮. স্বভাববাদ অনুযায়ী জগতের সৃষ্টি কীসের ফলে ঘটে?
উত্তর : চারটি মহাভূতের স্বাভাবিক ধর্ম ও পারস্পরিক সংযোগের ফলে।
৯. যদৃচ্ছবাদে ‘যদৃচ্ছা’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : আকস্মিকতা বা উদ্দেশ্যহীনভাবে সংঘটিত হওয়া।
১০. যদৃচ্ছবাদ অনুসারে জগতের সৃষ্টি কীভাবে হয়েছে?
উত্তর : চারটি মহাভূতের আকস্মিক মিলনের মাধ্যমে।
১১. যদৃচ্ছবাদে জগতের ধ্বংস সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
উত্তর : মহাভূতগুলির আকস্মিক বিচ্ছেদের ফলে জগতের ধ্বংস ঘটে।
১২. স্বভাববাদের প্রধান সমালোচনা কী?
উত্তর : শুধুমাত্র স্বভাবের দ্বারা জগতের সব ঘটনা ব্যাখ্যা করা যায় না।
১৩. যদৃচ্ছবাদের বিরুদ্ধে প্রধান আপত্তি কী?
উত্তর : এর পক্ষে সুস্পষ্ট ও শক্তিশালী যুক্তির অভাব রয়েছে।
১৪. চার্বাক দর্শনে কোন দুটি মতবাদ জগৎ সৃষ্টির ব্যাখ্যা প্রদান করে?
উত্তর : স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ।
১৫. চার্বাকদের মতে জগৎ সৃষ্টিতে অদৃষ্টের ভূমিকা আছে কি?
উত্তর : না, অদৃষ্টের কোনো ভূমিকা নেই।
১৬. চার্বাকরা কেন অতিপ্রাকৃত শক্তি অস্বীকার করেন?
উত্তর : কারণ অতিপ্রাকৃত শক্তি প্রত্যক্ষভাবে প্রমাণিত নয়।
১৭. স্বভাববাদ কোন ধরনের দর্শনের পরিচয় বহন করে?
উত্তর : বস্তুবাদী ও প্রকৃতিবাদী দর্শনের।
১৮. যদৃচ্ছবাদে কোন বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে?
উত্তর : আকস্মিকতা বা যদৃচ্ছ ঘটনাকে।
১৯. চার্বাকদের মতে প্রকৃতি কীভাবে পরিচালিত হয়?
উত্তর : প্রকৃতি নিজস্ব স্বভাব ও নিয়মে পরিচালিত হয়।
২০. স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ চার্বাক দর্শনের কোন তত্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত?
উত্তর : জগৎ-সৃষ্টি বা প্রকৃতিতত্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত।
সহযোগী কিছু পাঠ্য বই
১. ভারতীয় দর্শন-প্রদ্যোত কুমার মন্ডল – প্রগ্রেসিভ পাবলিশার্স , কলকাতা
২. ভারতীয় দর্শন – সমরেন্দ্র ভট্টাচার্য-বুক সিন্ডিকেট প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা
ভারতীয় দর্শনের ইতিহাসে চার্বাক দর্শনের স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পরীক্ষাভিত্তিক আলোচ্য বিষয়। চার্বাক দর্শনের প্রকৃতিতত্ত্ব ও জগৎ-সৃষ্টির ধারণা সঠিকভাবে বুঝতে হলে “স্বভাববাদ” এবং “যদৃচ্ছবাদ” সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন। অনেক শিক্ষার্থী স্বভাববাদের সংজ্ঞা, যদৃচ্ছবাদের মূল বক্তব্য, চার্বাকদের জগৎ-সৃষ্টির ধারণা, ঈশ্বর ও অদৃষ্টের অস্বীকার, স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদের পার্থক্য এবং এই দুই মতবাদের সমালোচনা বুঝতে গিয়ে বিভিন্ন জটিলতা ও বিভ্রান্তির সম্মুখীন হয়। সেই কারণে **ISP Gurukul-এর Website (www.ispgurukul.com)**-এ “চার্বাক দর্শনে স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ” বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত, সুসংগঠিত এবং পরীক্ষাভিত্তিক আলোচনা উপস্থাপন করা হয়েছে। এখানে স্বভাববাদের সংজ্ঞা, যদৃচ্ছবাদের সংজ্ঞা, চার্বাকদের জগৎ-সৃষ্টির ধারণা, স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদের মূল বৈশিষ্ট্য, উভয় মতবাদের সমালোচনা এবং ভারতীয় দর্শনে এই মতবাদগুলির দার্শনিক গুরুত্ব সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
তবে শুধুমাত্র লিখিত আলোচনা পড়ে অনেক সময় বিষয়টির গভীর তাৎপর্য সম্পূর্ণরূপে অনুধাবন করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষত যারা সহজ, সাবলীল এবং উদাহরণভিত্তিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে বিষয়টি আয়ত্ত করতে চায়, তাদের জন্য দৃশ্য ও শ্রবণনির্ভর শিক্ষণ পদ্ধতি অধিক কার্যকর। এই বিষয়টি মাথায় রেখে “চার্বাক দর্শনে স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ” শীর্ষক একটি বিস্তারিত YouTube Video প্রস্তুত করা হয়েছে।
ভিডিওটিতে স্বভাববাদের প্রকৃত অর্থ, যদৃচ্ছবাদের সংজ্ঞা, চার্বাকদের জগৎ-সৃষ্টির ব্যাখ্যা, চারটি মহাভূতের ভূমিকা, ঈশ্বর ও অতিপ্রাকৃত শক্তির অস্বীকার, স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদের সমালোচনা এবং অন্যান্য দর্শনের দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় আলোচনা করা হয়েছে। ফলে একজন শিক্ষার্থী খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিষয়টির মৌলিক ধারণা থেকে শুরু করে এর গভীর দার্শনিক তাৎপর্য পর্যন্ত স্পষ্টভাবে বুঝতে সক্ষম হবে।
যারা বিদ্যালয়, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে দর্শন বিষয় অধ্যয়ন করছে কিংবা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তাদের জন্য এই Video বিশেষভাবে সহায়ক হবে। কারণ এখানে শুধু স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ-এর সংজ্ঞা বা তাত্ত্বিক আলোচনা নয়, বরং চার্বাকদের জগৎ-সৃষ্টির ধারণা, চারটি মহাভূতের ভূমিকা, উভয় মতবাদের সমালোচনা এবং পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলিও সহজভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
তাই উপরিউক্ত লিখিত আলোচনার পাশাপাশি নিচে দেওয়া Video-টি মনোযোগ সহকারে দেখলে চার্বাক দর্শনে স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ, স্বভাববাদের সংজ্ঞা, যদৃচ্ছবাদের মূল বক্তব্য, চার্বাকদের জগৎ-সৃষ্টির ধারণা, চারটি মহাভূতের ভূমিকা এবং এই দুই মতবাদের দার্শনিক ভিত্তি সম্পর্কে যথার্থ, নির্ভুল ও পরিপূর্ণ জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব হবে। এছাড়াও, স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদের মধ্যে পার্থক্য, উভয় মতবাদের সমালোচনা, পরীক্ষায় বারবার আসা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, MCQ, SAQ এবং উত্তর লেখার কৌশল সহজ ভাষায় আলোচনা করা হয়েছে, যা পরীক্ষার প্রস্তুতিকে আরও কার্যকর করে তুলবে।
বিশেষ করে XI শ্রেণি, B.A. Semester, NET, SET, PSC, SLST, WBSSC এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার্থীদের জন্য এই Video অত্যন্ত উপযোগী। বিষয়টি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে একজন শিক্ষার্থী খুব সহজেই মৌলিক ধারণা থেকে শুরু করে পরীক্ষায় উচ্চ নম্বর পাওয়ার উপযোগী জ্ঞান অর্জন করতে পারে।
আশা করা যায়, এই Video আপনাদের অধ্যয়নকে আরও সহজ, আকর্ষণীয়, পরীক্ষাভিত্তিক এবং ফলপ্রসূ করে তুলবে। সম্পূর্ণ বিষয়টি একবার মনোযোগ দিয়ে দেখলে চার্বাক দর্শনে স্বভাববাদ ও যদৃচ্ছবাদ সম্পর্কে আর কোনো বিভ্রান্তি থাকবে না এবং পরীক্ষায় আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উত্তর লিখতে পারবেন।
