কারণ | আরোহ অনুমানে কারণের সংজ্ঞা, প্রকারভেদ ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন | Philosophy 2026

কারণ | গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, উত্তর ও MCQ | Philosophy 2026
🎓 ISP GURUKUL — আপনার পড়াশোনার নির্ভরযোগ্য সঙ্গী
শুধু পড়া নয়, বুঝে পড়ুন—প্রস্তুতি নিন সঠিকভাবে।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাকে আরও সহজ, সুন্দর ও পরীক্ষামুখী করার লক্ষ্যেই ISP Gurukul। এখানে আমাদের উদ্দেশ্য শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া নয়; বরং কারণ অধ্যায়টিকে সহজভাবে বোঝানো, গুরুত্বপূর্ণ ধারণাগুলি পরিষ্কার করা এবং পরীক্ষার জন্য সঠিকভাবে প্রস্তুত হতে সাহায্য করা।
🌐 কেন আপনি আমাদের Website Visit করবেন?
ISP Gurukul Website-এ আপনি এক জায়গায় পাবেন—
📚 অধ্যায়ভিত্তিক Notes
📝 Important Questions & Answers
❓ MCQ ও SAQ
📖 মান–২, মান–৫, মান–৮ ও মান–১০-এর প্রশ্নোত্তর
📄 প্রয়োজনীয় PDF Study Materials
🎯 Exam-Oriented Suggestions
📌 গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির সহজ ব্যাখ্যা
🔄 নিয়মিত নতুন শিক্ষামূলক কনটেন্ট
অর্থাৎ, কারণ অধ্যায়টি ভালোভাবে প্রস্তুত করার জন্য প্রয়োজনীয় পড়াশোনার উপকরণগুলো সহজভাবে এক জায়গায় পাওয়ার লক্ষ্যেই তৈরি ISP Gurukul।
▶️ কেন আমাদের YouTube ভিডিও দেখবেন?
সব বিষয় শুধু বই পড়ে বোঝা সবসময় সহজ হয় না। তাই আমাদের YouTube Channel-এ কারণ-সহ বিভিন্ন বিষয়কে সহজ ভাষায়, উদাহরণসহ এবং পরীক্ষার উপযোগীভাবে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়।
🎥 Concept Explained
📚 Chapter-wise Classes
📝 Important Questions
❓ MCQ Practice
✍️ Question & Answer Discussion
🎯 Exam Preparation
📢 প্রয়োজনীয় Educational Updates
আপনি যদি কারণ অধ্যায়ের কোনো বিষয় পড়ে বুঝতে না পারেন, তাহলে ভিডিও দেখে বিষয়টি বুঝতে পারবেন। আর ভিডিও দেখে আরও বিস্তারিত পড়তে চাইলে আমাদের Website থেকে Notes, Questions, Answers ও PDF সংগ্রহ করতে পারবেন।
🔄 Website + YouTube = সম্পূর্ণ প্রস্তুতি
YouTube → বুঝুন
⬇️
Website → পড়ুন
⬇️
Questions → অনুশীলন করুন
⬇️
MCQ/SAQ → নিজেকে যাচাই করুন
⬇️
Revision → পরীক্ষার প্রস্তুতি নিন
🌟 আমাদের লক্ষ্য
আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক দিকনির্দেশনা, নিয়মিত অনুশীলন এবং সহজভাবে বোঝার সুযোগ একজন শিক্ষার্থীর প্রস্তুতিকে আরও কার্যকর করে তুলতে পারে।
তাই ISP Gurukul-এর লক্ষ্য শুধু কনটেন্ট তৈরি করা নয়—শিক্ষার্থীদের জন্য এমন একটি Learning Platform তৈরি করা, যেখানে তারা কারণ-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় পড়তে, দেখতে, অনুশীলন করতে এবং নিজের প্রস্তুতি যাচাই করতে পারে।
আজকের পড়াশোনা হোক আগামী দিনের সাফল্যের ভিত্তি।
📚 Learn • Practice • Revise • Succeed
ISP GURUKUL
Your Learning Partner
🌐 WWW.ISPGURUKUL.COM
▶️ YouTube: ISP TUFAN KHADIM | ISP SCIENCE HUB
কারণ
1. কারণ কাকে বলে?
যে ঘটনা বা অবস্থা কোনো নির্দিষ্ট কার্যকে উৎপন্ন করতে অপরিহার্যভাবে সাহায্য করে এবং যার উপস্থিতিতে উপযুক্ত পরিস্থিতিতে কার্যটির উৎপত্তি ঘটে, তাকে কারণ বলে।
উদাহরণ:
আগুনের সংস্পর্শে কাঠে তাপ সৃষ্টি হয়। এখানে উপযুক্ত শর্তে আগুন তাপ সৃষ্টির কারণ।
2. কারণের সংজ্ঞা
যে পূর্ববর্তী ঘটনা বা ঘটনাসমষ্টি কার্য উৎপাদনের জন্য অনিবার্য এবং কার্যোৎপাদনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে, তাকে কারণ বলা হয়।
সহজভাবে বলা যায়—
“যার দ্বারা কোনো কার্য উৎপন্ন হয়, তাকে সেই কার্যের কারণ বলে।”
3. কারণের স্বরূপ
কারণের স্বরূপ হলো কার্যোৎপাদনক্ষমতা। অর্থাৎ কারণ এমন একটি পূর্ববর্তী অবস্থা বা ঘটনা, যা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কোনো কার্যকে উৎপন্ন করতে সক্ষম। কারণ ও কার্যের মধ্যে একটি নিয়মিত ও অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক থাকে। সাধারণত কারণ কার্যকে উৎপন্ন করার পূর্বে উপস্থিত থাকে এবং কারণের পরিবর্তনের সঙ্গে কার্যেরও পরিবর্তন ঘটতে পারে।
4. কারণের বৈশিষ্ট্য
১. কারণ কার্যপূর্ববর্তী — কারণ সাধারণত কার্যের আগে ঘটে।
২. কার্যোৎপাদক — কারণের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো কার্য উৎপন্ন করার ক্ষমতা।
৩. নিয়মিত সম্পর্ক — কারণ ও কার্যের মধ্যে নিয়মিত সম্পর্ক থাকে।
৪. অপরিহার্যতা — কার্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে কারণের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য।
৫. পরিবর্তনশীলতা — কারণের পরিবর্তনের সঙ্গে কার্যেরও পরিবর্তন ঘটতে পারে।
৬. কারণের সঙ্গে কার্যের সম্পর্ক থাকে — কারণ ও কার্য পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত এবং কারণের ভিত্তিতেই কার্যের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করা হয়।

কারণের প্রকারভেদ & কারণ ও কার্যের সম্পর্ক
5. কারণের প্রকারভেদ
কারণকে বিভিন্ন দিক থেকে বিভিন্নভাবে ভাগ করা যায়। দর্শন ও যুক্তিবিজ্ঞানে কারণের প্রধান প্রকারভেদগুলি হলো—
১. উপাদান কারণ:
যে উপাদান দিয়ে কোনো কার্য বা বস্তু তৈরি হয়, তাকে উপাদান কারণ বলে।
উদাহরণ: মাটির পাত্রের উপাদান কারণ হলো মাটি।
২. নিমিত্ত কারণ:
যে কর্তা বা শক্তির দ্বারা কোনো কার্য সম্পন্ন হয়, তাকে নিমিত্ত কারণ বলে।
উদাহরণ: মাটির পাত্র তৈরির ক্ষেত্রে কুমোর নিমিত্ত কারণ।
৩. সহযোগী কারণ:
কার্য উৎপন্ন করার ক্ষেত্রে যে সহায়ক উপাদান বা পরিস্থিতি প্রয়োজন হয়, তাকে সহযোগী কারণ বলে।
উদাহরণ: পাত্র তৈরিতে চাকা, জল ও আগুন সহযোগী কারণ।
৪. অব্যবহিত বা প্রত্যক্ষ কারণ:
যে কারণ সরাসরি কোনো কার্য উৎপন্ন করে, তাকে প্রত্যক্ষ কারণ বলে।
উদাহরণ: আগুনের তাপে জল গরম হওয়ার ক্ষেত্রে আগুন প্রত্যক্ষ কারণ।
৫. পরোক্ষ কারণ:
যে কারণ সরাসরি কার্য উৎপন্ন না করলেও কার্য উৎপাদনে পরোক্ষভাবে সাহায্য করে, তাকে পরোক্ষ কারণ বলে।
উদাহরণ: জল গরম করার ক্ষেত্রে জ্বালানি পরোক্ষ কারণ হিসেবে কাজ করতে পারে।
6. কারণ ও কার্যের সম্পর্ক
কারণ ও কার্য পরস্পরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। কোনো কার্য হঠাৎ উৎপন্ন হয় না; নির্দিষ্ট কারণের উপস্থিতির ফলে উপযুক্ত পরিস্থিতিতে কার্য উৎপন্ন হয়। তাই কারণকে কার্যের পূর্ববর্তী এবং কার্যকে কারণের পরবর্তী ঘটনা বলা হয়।
কারণ ও কার্যের সম্পর্কের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হলো—
১. কারণ কার্যপূর্ববর্তী:
কারণ সাধারণত কার্যের আগে উপস্থিত থাকে। যেমন—আগুনের সংস্পর্শের পরে কাঠে তাপ সৃষ্টি হয়।
২. কারণ কার্যোৎপাদক:
কারণের প্রধান কাজ হলো উপযুক্ত অবস্থায় কার্য উৎপন্ন করা।
৩. কারণ ও কার্যের নিয়মিত সম্পর্ক:
একই ধরনের পরিস্থিতিতে একই কারণ থেকে একই ধরনের কার্য উৎপন্ন হয়।
৪. কারণ ছাড়া কার্য উৎপন্ন হয় না:
উপযুক্ত কারণের অভাবে সংশ্লিষ্ট কার্য উৎপন্ন হতে পারে না।
৫. কার্য কারণের উপর নির্ভরশীল:
কার্যের উৎপত্তি ও পরিবর্তন অনেকাংশে তার কারণের উপর নির্ভর করে।
উদাহরণ: আগুন এবং তাপের ক্ষেত্রে আগুন হলো কারণ এবং তাপ হলো কার্য। আগুনের উপস্থিতিতে উপযুক্ত পরিস্থিতিতে তাপ উৎপন্ন হয়। তাই আগুন ও তাপের মধ্যে কারণ-কার্যের সম্পর্ক রয়েছে।

কারণ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর MCQ
1. যে ঘটনা বা অবস্থার দ্বারা কোনো কার্য উৎপন্ন হয়, তাকে কী বলে?
ক) কার্য
খ) কারণ
গ) ফল
ঘ) উদ্দেশ্য
উত্তর: খ) কারণ
2. কারণের প্রধান কাজ কী?
ক) কার্যকে নষ্ট করা
খ) কার্য উৎপন্ন করা
গ) কার্যকে অস্বীকার করা
ঘ) কার্যকে পরিবর্তন না করা
উত্তর: খ) কার্য উৎপন্ন করা
3. কারণ ও কার্যের মধ্যে কী ধরনের সম্পর্ক থাকে?
ক) বিরোধের সম্পর্ক
খ) নিয়মিত সম্পর্ক
গ) অসংলগ্ন সম্পর্ক
ঘ) কল্পিত সম্পর্ক
উত্তর: খ) নিয়মিত সম্পর্ক
4. কারণ সাধারণত কার আগে ঘটে?
ক) কার্যের পরে
খ) কার্যের সঙ্গে একই সময়ে
গ) কার্যের আগে
ঘ) কোনো সময়েই নয়
উত্তর: গ) কার্যের আগে
5. কারণের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
ক) কার্যোৎপাদনক্ষমতা
খ) কার্য বিনাশের ক্ষমতা
গ) কল্পনাশক্তি
ঘ) অনিশ্চয়তা
উত্তর: ক) কার্যোৎপাদনক্ষমতা
6. “যার দ্বারা কোনো কার্য উৎপন্ন হয়, তাকে কী বলে?”
ক) কার্য
খ) কারণ
গ) ফলাফল
ঘ) ঘটনা
উত্তর: খ) কারণ
7. কারণের স্বরূপ কী?
ক) কার্যোৎপাদনক্ষমতা
খ) কার্য অস্বীকার করা
গ) কার্য বিলম্বিত করা
ঘ) কার্যকে পরিবর্তন না করা
উত্তর: ক) কার্যোৎপাদনক্ষমতা
8. কারণের উপস্থিতিতে উপযুক্ত পরিস্থিতিতে কী ঘটে?
ক) কার্য উৎপন্ন হয়
খ) কার্য বিলুপ্ত হয়
গ) কোনো পরিবর্তন হয় না
ঘ) কারণ বিলুপ্ত হয়
উত্তর: ক) কার্য উৎপন্ন হয়
9. কারণ ও কার্যের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কী?
ক) নিয়মিততা
খ) অনিয়মিততা
গ) বিচ্ছিন্নতা
ঘ) কল্পনানির্ভরতা
উত্তর: ক) নিয়মিততা
10. কারণের পরিবর্তনের সঙ্গে সাধারণত কী পরিবর্তিত হতে পারে?
ক) কার্যের
খ) সংজ্ঞার
গ) ভাষার
ঘ) বিষয়ের নামের
উত্তর: ক) কার্যের
11. কারণকে কার্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে কী হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
ক) অপরিহার্য উপাদান
খ) অপ্রয়োজনীয় উপাদান
গ) কাল্পনিক উপাদান
ঘ) বিরোধী উপাদান
উত্তর: ক) অপরিহার্য উপাদান
12. আগুনের সংস্পর্শে কাঠে তাপ সৃষ্টি হওয়ার ক্ষেত্রে আগুন কী?
ক) কার্য
খ) কারণ
গ) সিদ্ধান্ত
ঘ) অনুমান
উত্তর: খ) কারণ
13. কাঠে তাপ সৃষ্টি হওয়ার ক্ষেত্রে তাপ কী?
ক) কারণ
খ) কার্য
গ) নিয়ম
ঘ) শর্ত
উত্তর: খ) কার্য
14. কারণের সঙ্গে কোন বিষয়টি সরাসরি সম্পর্কিত?
ক) কার্য
খ) সংজ্ঞা
গ) নাম
ঘ) ভাষা
উত্তর: ক) কার্য
15. কারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো—
ক) এটি কার্যোৎপাদনে সাহায্য করে
খ) এটি কার্যকে অস্বীকার করে
গ) এটি সবসময় কার্যের পরে ঘটে
ঘ) এটি কার্যের সঙ্গে সম্পর্কহীন
উত্তর: ক) এটি কার্যোৎপাদনে সাহায্য করে
16. কারণ ও কার্যের সম্পর্ককে কীভাবে বোঝা যায়?
ক) কারণ থেকে কার্য উৎপন্ন হয়
খ) কার্য থেকে কারণ উৎপন্ন হয়
গ) কারণ ও কার্যের কোনো সম্পর্ক নেই
ঘ) উভয়ই একই বিষয়
উত্তর: ক) কারণ থেকে কার্য উৎপন্ন হয়
17. “কারণ কার্যপূর্ববর্তী”—এর অর্থ কী?
ক) কারণ কার্যের পরে ঘটে
খ) কারণ কার্যের আগে থাকে
গ) কারণ ও কার্য একই বিষয়
ঘ) কার্য কারণের আগে ঘটে
উত্তর: খ) কারণ কার্যের আগে থাকে
18. কারণের ক্ষেত্রে ‘অপরিহার্যতা’ বলতে কী বোঝায়?
ক) কার্য উৎপাদনে কারণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
খ) কারণের কোনো ভূমিকা নেই
গ) কার্য সবসময় কারণ ছাড়াই ঘটে
ঘ) কারণ কেবল কল্পিত
উত্তর: ক) কার্য উৎপাদনে কারণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
19. কারণের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
ক) কার্যপূর্ববর্তী
খ) কার্যোৎপাদক
গ) নিয়মিত সম্পর্কযুক্ত
ঘ) কার্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন
উত্তর: ঘ) কার্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন
20. কারণ-কার্য সম্পর্ক বোঝার ক্ষেত্রে কোনটি গুরুত্বপূর্ণ?
ক) নিয়মিততা ও কার্যোৎপাদন
খ) কল্পনা ও অনুমান
গ) ভাষা ও অলংকার
ঘ) নাম ও সংজ্ঞা
উত্তর: ক) নিয়মিততা ও কার্যোৎপাদন

কারণ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর SAQ
১. কারণ কাকে বলে বা কী?
উত্তর: যে পূর্ববর্তী ঘটনা বা অবস্থার দ্বারা কোনো কার্য উৎপন্ন হয়, তাকে সেই কার্যের কারণ বলে।
২. সার্বিক নিয়ম কাকে বলে?
উত্তর: যে নিয়ম অনুসারে কোনো নির্দিষ্ট কারণ উপস্থিত থাকলে নির্দিষ্ট অবস্থায় তার কার্য অবশ্যই ঘটে, তাকে সার্বিক নিয়ম বলে।
৩. কারণের গুণগত লক্ষণ কী?
উত্তর: কারণের গুণগত লক্ষণ হলো—কারণ ও কার্যের মধ্যে নিয়মিত ও অবিচ্ছিন্ন সম্পর্ক থাকা। অর্থাৎ নির্দিষ্ট কারণ নির্দিষ্ট অবস্থায় নির্দিষ্ট কার্য উৎপন্ন করে।
৪. কারণের পরিমাণগত লক্ষণ কী?
উত্তর: কারণের পরিমাণগত লক্ষণ হলো—কার্য উৎপন্ন হওয়ার জন্য কারণের প্রয়োজনীয় পরিমাণ বা সম্পূর্ণ কারণসমষ্টির উপস্থিতি।
৫. কার্য-কারণ কোন বৈজ্ঞানিক নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত?
উত্তর: কার্য-কারণ সম্পর্ক সার্বিক নিয়মের নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।
৬. শর্ত কাকে বলে?
উত্তর: কোনো কার্য সংঘটিত হওয়ার জন্য যে প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বা পূর্বশর্তের উপস্থিতি দরকার, তাকে শর্ত বলে।
৭. যুক্তিবিজ্ঞানী মিলের মতে শর্ত কয় প্রকার ও কী কী?
উত্তর: মিলের মতে শর্ত তিন প্রকার—
১. আবশ্যিক শর্ত
২. পর্যাপ্ত শর্ত
৩. আবশ্যিক-পর্যাপ্ত শর্ত।
৮. পূর্বগ শর্ত কাকে বলে?
উত্তর: যে শর্ত কার্য সংঘটিত হওয়ার পূর্বে উপস্থিত থাকতে হয়, তাকে পূর্বগ শর্ত বলে।
৯. নৈর্ব্যক্তিক শর্ত কাকে বলে?
উত্তর: যে শর্ত কোনো ব্যক্তিবিশেষের ইচ্ছা বা মানসিক অবস্থার উপর নির্ভরশীল নয়, তাকে নৈর্ব্যক্তিক শর্ত বলে।
১০. কারণ ও শর্তের মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখ।
উত্তর:
১. কারণ সরাসরি কার্য উৎপাদনে সাহায্য করে, কিন্তু শর্ত কার্য উৎপাদনের প্রয়োজনীয় পরিবেশ বা পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।
২. কারণ ও কার্যের মধ্যে উৎপাদনমূলক সম্পর্ক থাকে, কিন্তু শর্তের সঙ্গে কার্যের সম্পর্ক মূলত সহায়ক বা প্রয়োজনীয়তার।
১১. শর্ত কয় প্রকার ও কী কী?
উত্তর: শর্ত তিন প্রকার—
১. আবশ্যিক শর্ত
২. পর্যাপ্ত শর্ত
৩. আবশ্যিক-পর্যাপ্ত শর্ত।
১২. শর্তানুসারে কারণ কয় প্রকার ও কী কী?
উত্তর: শর্তানুসারে কারণকে তিন প্রকারে ভাগ করা যায়—
১. আবশ্যিক কারণ
২. পর্যাপ্ত কারণ
৩. আবশ্যিক-পর্যাপ্ত কারণ।
১৩. মিলের মতে কারণ কয় প্রকার ও কী কী?
উত্তর: মিলের মতে কারণকে প্রধানত দুই প্রকারে ভাগ করা যায়—
১. একক কারণ
২. বহুকারণ।
১৪. আবশ্যিক শর্ত কাকে বলে?
উত্তর: যে শর্ত কোনো কার্য সংঘটিত হওয়ার জন্য অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু একা সেই শর্ত কার্য সংঘটনের জন্য যথেষ্ট নয়, তাকে আবশ্যিক শর্ত বলে।
১৫. একটি আবশ্যিক শর্তের উদাহরণ দাও।
উত্তর: মানুষের জীবিত থাকার জন্য অক্সিজেনের উপস্থিতি একটি আবশ্যিক শর্ত। কিন্তু শুধু অক্সিজেন থাকলেই মানুষ জীবিত থাকবে—এমন নয়।
১৬. পর্যাপ্ত শর্ত কাকে বলে?
উত্তর: যে শর্ত উপস্থিত থাকলে কোনো কার্য সংঘটিত হওয়ার জন্য আর কোনো অতিরিক্ত শর্তের প্রয়োজন হয় না, তাকে পর্যাপ্ত শর্ত বলে।
১৭. পর্যাপ্ত শর্তের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: পানি ১০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পৌঁছানো নির্দিষ্ট বায়ুচাপে পানি ফুটবার পর্যাপ্ত শর্ত।
১৮. আবশ্যিক-পর্যাপ্ত শর্ত কাকে বলে?
উত্তর: যে শর্ত কোনো কার্য সংঘটনের জন্য অবশ্যই প্রয়োজনীয় এবং একই সঙ্গে কার্য সংঘটনের জন্য যথেষ্ট, তাকে আবশ্যিক-পর্যাপ্ত শর্ত বলে।
১৯. আবশ্যিক-পর্যাপ্ত শর্তের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: নির্দিষ্ট সংজ্ঞা অনুসারে, কোনো সংখ্যা জোড় হওয়ার আবশ্যিক ও পর্যাপ্ত শর্ত হলো ২ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য হওয়া।
২০. মিলের মতে কারণ কী?
উত্তর: জন স্টুয়ার্ট মিলের মতে, যে পূর্ববর্তী অবস্থা বা অবস্থাসমষ্টির অনুপস্থিতিতে কার্যটি ঘটত না এবং যার উপস্থিতিতে কার্যটি ঘটে, সেই পূর্ববর্তী অবস্থা বা অবস্থাসমষ্টিই কারণ।
২১. কার্ভেড রিডের মতে কারণ কী?
উত্তর: কার্ভেড রিডের মতে, কারণ হলো এমন একটি পূর্ববর্তী ঘটনা বা অবস্থা, যার সঙ্গে কার্যটির নিয়মিত ও অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক রয়েছে।
২২. বহুকারণবাদ কাকে বলে?
উত্তর: যে মতবাদ অনুসারে কোনো একটি কার্য একাধিক কারণ বা কারণসমষ্টির দ্বারা উৎপন্ন হতে পারে, তাকে বহুকারণবাদ বলে।
২৩. একজন বহুকারণবাদী ও একজন এককারণবাদীর নাম লেখ।
উত্তর: বহুকারণবাদী—জন স্টুয়ার্ট মিল।
এককারণবাদী—কার্ভেড রিড।
২৪. “ক” ও “খ”-এর আবশ্যিক শর্তরূপটি দেখাও।
উত্তর: ক → খ
অর্থাৎ, খ হওয়ার জন্য ক আবশ্যিক শর্ত।
২৫. “ক” ও “খ”-এর পর্যাপ্ত শর্তরূপটি দেখাও।
উত্তর: ক → খ
অর্থাৎ, ক উপস্থিত থাকলে খ ঘটবে; ক হলো খ-এর পর্যাপ্ত শর্ত।
২৬. “ক” ও “খ”-এর আবশ্যিক-পর্যাপ্ত শর্তরূপটি দেখাও।
উত্তর: ক ↔ খ
অর্থাৎ, ক-এর জন্য খ আবশ্যিক এবং পর্যাপ্ত; একইভাবে খ-এর জন্য ক-ও আবশ্যিক ও পর্যাপ্ত।

শূন্যস্থান পূরণ কর
অবশ্যই। সব লেখাই Bold (বোল্ড) থাকবে। শূন্যস্থানগুলোও একইভাবে থাকবে, তবে উত্তর লেখা থাকবে না।
১. …………………………….. হলো কারণের অপরিহার্য অংশ। (শূন্যস্থান পূরণ কর)
২. ……………………………….. শর্ত ঘটনা বর্জনে সাহায্য করে। (শূন্যস্থান পূরণ কর)
৩. ………………………………. শর্তকে কারণ ধরলে কারণ হবে কার্যের নিয়ত অনুগামী ঘটনা। (শূন্যস্থান পূরণ কর)
৪. “ক” না ঘটলে “খ” ঘটবে না—এটি ……………………………….. শর্ত। (শূন্যস্থান পূরণ কর)
৫. ………………………………… কারণকে পর্যাপ্ত শর্ত হিসেবে গ্রহণ করেছেন। (শূন্যস্থান পূরণ কর)
৬. অগ্নি হল ধূমের …………………………………… শর্ত। (শূন্যস্থান পূরণ কর)
৭. বিষ হল মৃত্যুর ………………………………… শর্ত। (শূন্যস্থান পূরণ কর)
৮. বহুকারণবাদে কার্যকে ……………………… অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। (শূন্যস্থান পূরণ কর)
৯. ……………………………. শর্তকে ঘটনা ঘটানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। (শূন্যস্থান পূরণ কর)
১০. একটি ঘটনার …………………………………. আবশ্যিক শর্ত থাকতে পারে। (শূন্যস্থান পূরণ কর)
