নিরপেক্ষ ন্যায় | গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, উত্তর ও MCQ | Philosophy 2026

🎓 ISP GURUKUL — আপনার পড়াশোনার নির্ভরযোগ্য সঙ্গী
শুধু পড়া নয়, বুঝে পড়ুন—প্রস্তুতি নিন সঠিকভাবে।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাকে আরও সহজ, সুন্দর ও পরীক্ষামুখী করার লক্ষ্যেই ISP Gurukul। এখানে আমাদের উদ্দেশ্য শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া নয়; বরং একটি বিষয়কে সহজভাবে বোঝানো, অনুশীলন করানো এবং পরীক্ষার জন্য সঠিকভাবে প্রস্তুত হতে সাহায্য করা।
🌐 কেন আপনি আমাদের Website Visit করবেন?
ISP Gurukul Website-এ আপনি এক জায়গায় পাবেন আপনার পড়াশোনার প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরণ—
📚 অধ্যায়ভিত্তিক Notes
📝 Important Questions & Answers
❓ MCQ ও SAQ
📖 মান–২, মান–৫, মান–৮ ও মান–১০-এর প্রশ্নোত্তর
📄 প্রয়োজনীয় PDF Study Materials
🎯 Exam-Oriented Suggestions
📌 গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির সহজ ব্যাখ্যা
এবং নিয়মিত নতুন শিক্ষামূলক কনটেন্ট।
অর্থাৎ, একটি নির্দিষ্ট বিষয় খুঁজতে আপনাকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে হবে না—প্রয়োজনীয় পড়াশোনার উপকরণগুলো সহজভাবে এক জায়গায় পাওয়ার লক্ষ্যেই তৈরি ISP Gurukul।
▶️ কেন আমাদের YouTube ভিডিও দেখবেন?
সব বিষয় শুধু বই পড়ে বোঝা সবসময় সহজ হয় না। তাই আমাদের YouTube Channel-এ বিভিন্ন বিষয়কে সহজ ভাষায়, উদাহরণসহ এবং পরীক্ষার উপযোগীভাবে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়।
🎥 Concept Explained
📚 Chapter-wise Classes
📝 Important Questions
❓ MCQ Practice
✍️ Question & Answer Discussion
🎯 Exam Preparation
📢 প্রয়োজনীয় Educational Updates
আপনি যদি কোনো বিষয় পড়ে বুঝতে না পারেন, তাহলে ভিডিও দেখে বিষয়টি বুঝতে পারবেন; আর যদি ভিডিও দেখে আরও বিস্তারিত পড়তে চান, তাহলে আমাদের Website থেকে Notes, Questions, Answers ও PDF সংগ্রহ করতে পারবেন।
🔄 Website + YouTube = সম্পূর্ণ প্রস্তুতি
আমাদের লক্ষ্য হলো আপনার পড়াশোনাকে একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মধ্যে নিয়ে আসা—
YouTube → বুঝুন
⬇️
Website → পড়ুন
⬇️
Questions → অনুশীলন করুন
⬇️
MCQ/SAQ → নিজেকে যাচাই করুন
⬇️
Revision → পরীক্ষার প্রস্তুতি নিন
🌟 আমাদের লক্ষ্য
আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক দিকনির্দেশনা, নিয়মিত অনুশীলন এবং সহজভাবে বোঝার সুযোগ একজন শিক্ষার্থীর প্রস্তুতিকে অনেক বেশি কার্যকর করে তুলতে পারে।
তাই ISP Gurukul-এর লক্ষ্য শুধু কনটেন্ট তৈরি করা নয়—শিক্ষার্থীদের জন্য এমন একটি Learning Platform তৈরি করা, যেখানে তারা পড়তে, দেখতে, অনুশীলন করতে এবং নিজের প্রস্তুতি যাচাই করতে পারে।
আজকের পড়াশোনা হোক আগামী দিনের সাফল্যের ভিত্তি।
📚 Learn • Practice • Revise • Succeed
ISP GURUKUL
Your Learning Partner
🌐 WWW.ISPGURUKUL.COM
▶️ YouTube: ISP TUFAN KHADIM | ISP SCIENCE HUB
নিরপেক্ষ ন্যায় কী? | নিরপেক্ষ ন্যায়ের সংজ্ঞা
যে ন্যায়ে একটি মাত্র বচনের সত্যতা বা মিথ্যাত্ব থেকে অন্য একটি বচনের সত্যতা বা মিথ্যাত্ব সরাসরি নির্ণয় করা যায়, তাকে নিরপেক্ষ ন্যায় বলা হয়। এখানে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য একাধিক আশ্রয়বাক্যের প্রয়োজন হয় না। অর্থাৎ, একটি মাত্র আশ্রয়বাক্য থেকেই কোনো নতুন বচন বা সিদ্ধান্ত সরাসরি নির্ণয় করা হয়।
নিরপেক্ষ ন্যায়ে আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের মধ্যে একটি সরাসরি যৌক্তিক সম্পর্ক থাকে। তাই একে অমাধ্যম ন্যায় (Immediate Inference)-ও বলা হয়।
উদাহরণ:
আশ্রয়বাক্য— “সকল মানুষ হয় মরণশীল।”
সিদ্ধান্ত— “কোনো কোনো মানুষ হয় মরণশীল।”
এখানে একটি মাত্র আশ্রয়বাক্য থেকে সরাসরি সিদ্ধান্ত পাওয়া যাচ্ছে। তাই এটি নিরপেক্ষ ন্যায়ের উদাহরণ।
যে ন্যায়ে একটি মাত্র আশ্রয়বাক্য থেকে কোনো অতিরিক্ত আশ্রয়বাক্যের সাহায্য ছাড়াই সরাসরি একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়, তাকে নিরপেক্ষ ন্যায় বলে।
অর্থাৎ, এখানে একটি মাত্র আশ্রয়বাক্য এবং একটি সিদ্ধান্ত থাকে এবং আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের মধ্যে সরাসরি যৌক্তিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে। এজন্য নিরপেক্ষ ন্যায়কে অমাধ্যম ন্যায় (Immediate Inference)-ও বলা হয়।
নিরপেক্ষ ন্যায়ের সংজ্ঞা
নিরপেক্ষ ন্যায়ের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হল—
- একটি মাত্র আশ্রয়বাক্য থাকে — নিরপেক্ষ ন্যায়ে একটি মাত্র আশ্রয়বাক্যের সাহায্যে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া হয়।
- একটি সিদ্ধান্ত থাকে — আশ্রয়বাক্য থেকে সরাসরি একটি সিদ্ধান্ত নির্ণয় করা হয়।
- অতিরিক্ত আশ্রয়বাক্যের প্রয়োজন হয় না — সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য দ্বিতীয় কোনো আশ্রয়বাক্যের সাহায্য নেওয়া হয় না।
- সরাসরি অনুমান করা হয় — আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের মধ্যে সরাসরি যৌক্তিক সম্পর্ক থাকে।
- পদের পরিবর্তন ঘটতে পারে — নিরপেক্ষ ন্যায়ে আশ্রয়বাক্যের পদগুলির স্থান, গুণ বা পরিমাণের পরিবর্তনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গঠিত হতে পারে।
- বচনের পারস্পরিক সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ — আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের মধ্যে বিরোধিতা, সমপরিমাণতা ইত্যাদি যৌক্তিক সম্পর্কের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নির্ণয় করা হয়।
নিরপেক্ষ ন্যায়ের প্রকারভেদ
নিরপেক্ষ ন্যায় প্রধানত দুই প্রকার—
- বচনের রূপান্তর বা Transformation-এর মাধ্যমে নিরপেক্ষ ন্যায়
- বচনের বিরোধিতার মাধ্যমে নিরপেক্ষ ন্যায়
আরও বিস্তারিতভাবে বচনের রূপান্তরের ক্ষেত্রে পরিবর্তন (Conversion), গুণের পরিবর্তন (Obversion), এবং প্রতিবর্তন (Contraposition) প্রভৃতি পদ্ধতির সাহায্যে সিদ্ধান্ত নির্ণয় করা হয়।
সংক্ষেপে:
একটি মাত্র আশ্রয়বাক্য থেকে সরাসরি সিদ্ধান্তে পৌঁছানোই নিরপেক্ষ ন্যায়ের মূল বৈশিষ্ট্য।
নিরপেক্ষ ন্যায়ের প্রতীকায়িত রূপ


নিরপেক্ষ ন্যায় – এর গুরুত্বপূর্ণ MCQ
১. নিরপেক্ষ ন্যায়ে মোট কতগুলি বৈধ মূর্তি আছে?
ক) ১২টি
খ) ১৬টি
গ) ২৪টি
ঘ) ৩৬টি
উত্তর: ঘ) ৩৬টি
২. নিরপেক্ষ ন্যায় অনুমানে যে আশ্রয়বাক্যে সাধ্যপদ থাকে, তাকে কী বলা হয়?
ক) সিদ্ধান্ত বাক্য
খ) সাধ্য বাক্য
গ) আশ্রয় বাক্য
ঘ) হেতু বাক্য
উত্তর: খ) সাধ্য বাক্য
৩. নিরপেক্ষ ন্যায় অনুমানে মোট কতটি বৈধ নিয়ম আছে?
ক) ৪টি
খ) ৫টি
গ) ৬টি
ঘ) ৮টি
উত্তর: গ) ৬টি
৪. নিরপেক্ষ ন্যায় অনুমানে সিদ্ধান্তের বিধেয় পদকে কী বলা হয়?
ক) সাধ্যপদ
খ) পক্ষপদ
গ) মধ্যপদ
ঘ) হেতুপদ
উত্তর: ক) সাধ্যপদ
৫. নিরপেক্ষ ন্যায় অনুমান কতটি পদ দ্বারা গঠিত?
ক) ২টি
খ) ৩টি
গ) ৪টি
ঘ) ৫টি
উত্তর: খ) ৩টি
৬. নিরপেক্ষ ন্যায় অনুমানের কয়টি অংশ থাকে?
ক) ২টি
খ) ৩টি
গ) ৪টি
ঘ) ৫টি
উত্তর: খ) ৩টি
৭. নিরপেক্ষ ন্যায় অনুমানে মোট কয়টি পদ থাকে?
ক) ২টি
খ) ৩টি
গ) ৪টি
ঘ) ৬টি
উত্তর: খ) ৩টি
৮. AAA-কে কোন সংস্থানে বৈধ মূর্তি হিসেবে গণ্য করা হয়?
ক) প্রথম সংস্থান
খ) দ্বিতীয় সংস্থান
গ) তৃতীয় সংস্থান
ঘ) চতুর্থ সংস্থান
উত্তর: ক) প্রথম সংস্থান
৯. OAO-কে কোন সংস্থানে বৈধ মূর্তি হিসেবে গণ্য করা হয়?
ক) প্রথম সংস্থান
খ) দ্বিতীয় সংস্থান
গ) তৃতীয় সংস্থান
ঘ) চতুর্থ সংস্থান
উত্তর: গ) তৃতীয় সংস্থান
১০. ন্যায় হল—
ক) অবরোহী অনুমান
খ) আরোহী অনুমান
গ) উভয়ই
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর: ক) অবরোহী অনুমান
১১. দুটি আশ্রয়বাক্য বিশেষ হলে সিদ্ধান্ত বিশেষ হবে— এই বক্তব্যটি কী?
ক) সত্য
খ) মিথ্যা
গ) আংশিক সত্য
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর: ক) সত্য
১২. ন্যায়ের হেতুপদ সাধ্য আশ্রয়বাক্যে ও সিদ্ধান্তে থাকে— এই বক্তব্যটি কী?
ক) সত্য
খ) মিথ্যা
গ) আংশিক সত্য
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর: খ) মিথ্যা
১৩. তৃতীয় সংস্থানে মোট ছয়টি বৈধ মূর্তি আছে— এই বক্তব্যটি কী?
ক) সত্য
খ) মিথ্যা
গ) অনিশ্চিত
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর: ক) সত্য
১৪. অমিশ্র নিরপেক্ষ ন্যায়ে তিনটি বচনই নিরপেক্ষ বচন হবে— এই বক্তব্যটি কী?
ক) সত্য
খ) মিথ্যা
গ) আংশিক সত্য
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর: ক) সত্য
১৫. ন্যায়ের সিদ্ধান্তটি সার্বিক হলে আশ্রয়বাক্য দুটিও সার্বিক বচন হবে— এই বক্তব্যটি কী?
ক) সত্য
খ) মিথ্যা
গ) আংশিক সত্য
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর: ক) সত্য
১৬. IE-বচন থেকে কোনো বৈধ সিদ্ধান্ত পাওয়া যায় না— এই বক্তব্যটি কী?
ক) সত্য
খ) মিথ্যা
গ) আংশিক সত্য
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর: ক) সত্য
১৭. ন্যায়ের হেতুপদটি কেবল দুটি আশ্রয়বাক্যের বিধেয় স্থানে অবস্থান করে— এই বক্তব্যটি কী?
ক) সত্য
খ) মিথ্যা
গ) আংশিক সত্য
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর: খ) মিথ্যা
১৮. কোনো বৈধ ন্যায়ে যদি অপ্রধান আশ্রয়বাক্য নঞর্থক হয়, তাহলে প্রধান আশ্রয়বাক্য অবশ্যই সার্বিক হবে— এই বক্তব্যটি কী?
ক) সত্য
খ) মিথ্যা
গ) আংশিক সত্য
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর: ক) সত্য
১৯. ন্যায়ের দুটি আশ্রয়বাক্য নঞর্থক হলে সিদ্ধান্তও নঞর্থক হবে— এই বক্তব্যটি কী?
ক) সত্য
খ) মিথ্যা
গ) আংশিক সত্য
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর: খ) মিথ্যা
২০. ন্যায়ের দ্বিতীয় সংস্থানে প্রধান আশ্রয়বাক্য সবসময় সার্বিক বচন হবে— এই বক্তব্যটি কী?
ক) সত্য
খ) মিথ্যা
গ) আংশিক সত্য
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর: ক) সত্য

নিরপেক্ষ ন্যায় – এর গুরুত্বপূর্ণ SAQ মান 2
১. CAMESTRES কোন সংস্থানের বৈধ মূর্তি?
উত্তর: CAMESTRES হলো দ্বিতীয় সংস্থানের বৈধ মূর্তি।
২. ন্যায় কোন শ্রেণির অনুমান?
উত্তর: ন্যায় হলো অবরোহী অনুমান।
৩. OAO মূর্তিটি কোন সংস্থানে বৈধ মূর্তি?
উত্তর: OAO হলো তৃতীয় সংস্থানের বৈধ মূর্তি।
৪. ন্যায়ের কোন সংস্থানে প্রধান আশ্রয়বাক্য সার্বিক বচন হয়?
উত্তর: দ্বিতীয় সংস্থানে প্রধান আশ্রয়বাক্য সার্বিক বচন হয়।
৫. AOO মূর্তিটি কোন সংস্থানের বৈধ মূর্তি?
উত্তর: AOO হলো দ্ব্বিতীয় সংস্থানের বৈধ মূর্তি।
৬. ন্যায়ের সাধ্যপদ কোথায় থাকে?
উত্তর: সাধ্যপদ প্রধান আশ্রয়বাক্যের বিধেয় এবং সিদ্ধান্তের বিধেয় হিসেবে থাকে।
৭. কোন সংস্থানে সিদ্ধান্ত অবশ্যই নঞর্থক হবে?
উত্তর: দ্বিতীয় সংস্থানে সিদ্ধান্ত অবশ্যই নঞর্থক হবে।
৮. ন্যায়ের পক্ষপদের অবস্থান কোথায়?
উত্তর: পক্ষপদ প্রধান আশ্রয়বাক্যের কর্তা এবং অপ্রধান আশ্রয়বাক্যের বিধেয় হিসেবে থাকে।
৯. কোন সংস্থানে সিদ্ধান্তের পরিমাণ সবসময় বিশেষ হয়?
উত্তর: তৃতীয় সংস্থানে সিদ্ধান্তের পরিমাণ সবসময় বিশেষ হয়।
১০. ন্যায়ের সিদ্ধান্তে কোন কোন পদ থাকে?
উত্তর: সিদ্ধান্তে পক্ষপদ ও সাধ্যপদ থাকে।
১১. কোন সংস্থানে সিদ্ধান্ত একমাত্র A-বচন হতে পারে?
উত্তর: প্রথম সংস্থানে সিদ্ধান্ত A-বচন হতে পারে।
১২. সাধ্যপদ কাকে বলে?
উত্তর: সিদ্ধান্তের বিধেয় পদকে সাধ্যপদ বলে।
১৩. প্রথম সংস্থানের ন্যায়ে প্রধান আশ্রয়বাক্য I এবং অপ্রধান আশ্রয়বাক্য E হলে কোন দোষ হয়?
উত্তর: প্রধান আশ্রয়বাক্যের বিধেয় পদ অবৈধভাবে ব্যাপ্ত হওয়ার দোষ হয়।
১৪. অমিশ্র ন্যায় কাকে বলে?
উত্তর: যে ন্যায়ে তিনটি বচনই নিরপেক্ষ বচন, তাকে অমিশ্র ন্যায় বলে।
১৫. অপ্রধান আশ্রয়বাক্য নঞর্থক হলে প্রধান আশ্রয়বাক্যের পরিমাণ কী হবে?
উত্তর: প্রধান আশ্রয়বাক্য সার্বিক হবে।
১৬. IE-বচন থেকে কোনো বৈধ সিদ্ধান্ত পাওয়া যায় কি?
উত্তর: না, IE-বচন থেকে কোনো বৈধ সিদ্ধান্ত পাওয়া যায় না।
১৭. হেতুপদ উভয় আশ্রয়বাক্যের বিধেয় স্থানে অবস্থান করলে ন্যায়টির সংস্থান কী হবে?
উত্তর: ন্যায়টি দ্বিতীয় সংস্থানের হবে।
১৮. সিদ্ধান্ত সদর্থক হলে আশ্রয়বাক্য দুটির গুণ কী হবে?
উত্তর: অন্তত একটি আশ্রয়বাক্য সদর্থক হবে।
১৯. মিশ্র ন্যায় কাকে বলে?
উত্তর: যে ন্যায়ে নিরপেক্ষ ও সাপেক্ষ বচনের সংমিশ্রণ থাকে, তাকে মিশ্র ন্যায় বলে।
২০. হেতুপদ আশ্রয়বাক্যে দুই বার ব্যাপ্য হলে সিদ্ধান্তের পরিমাণ কী হবে?
উত্তর: সিদ্ধান্তের পরিমাণ বিশেষ হবে।
২১. প্রধান আশ্রয়বাক্য O এবং অপ্রধান আশ্রয়বাক্য অবচন হলে সিদ্ধান্ত কী হবে?
উত্তর: এই ক্ষেত্রে বৈধ সিদ্ধান্ত পাওয়া যায় না।
২২. ন্যায়ের সিদ্ধান্তটি O-বচন হলে কী পদদোষ হবে?
উত্তর: সাধ্যপদের অবৈধ ব্যাপ্তি-জনিত পদদোষ হতে পারে।
২৩. A এবং I বচন আশ্রয়বাক্য হলে সিদ্ধান্ত কী বচন হবে?
উত্তর: সিদ্ধান্ত I-বচন হবে।
২৪. কোন পদ সিদ্ধান্তে উপস্থিত থাকে না?
উত্তর: হেতুপদ সিদ্ধান্তে উপস্থিত থাকে না।
২৫. ন্যায়ের লক্ষ্য কী— বৈধতা না সত্যতা?
উত্তর: ন্যায়ের লক্ষ্য হলো বৈধতা, সত্যতা নয়।
২৬. নিরপেক্ষ যুক্তি কাকে বলে?
উত্তর: যে যুক্তিতে নিরপেক্ষ বচনের সাহায্যে যুক্তিগত সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া হয়, তাকে নিরপেক্ষ যুক্তি বলে।
২৭. নিরপেক্ষ যুক্তির কয়টি অংশ?
উত্তর: নিরপেক্ষ যুক্তির তিনটি অংশ— পক্ষপদ, হেতুপদ ও সাধ্যপদ।
২৮. পক্ষপদ কাকে বলে?
উত্তর: যে পদটি সিদ্ধান্তের কর্তা হিসেবে থাকে, তাকে পক্ষপদ বলে।
২৯. হেতুপদ কাকে বলে?
উত্তর: যে পদটি দুটি আশ্রয়বাক্যে থাকে কিন্তু সিদ্ধান্তে থাকে না, তাকে হেতুপদ বলে।
৩০. সাধ্যপদ কাকে বলে?
উত্তর: সিদ্ধান্তের বিধেয় পদকে সাধ্যপদ বলে।
৩১. নিরপেক্ষ যুক্তিতে হেতুপদের অবস্থান কোথায়?
উত্তর: হেতুপদ প্রধান ও অপ্রধান উভয় আশ্রয়বাক্যেই থাকে।
৩২. নিরপেক্ষ যুক্তিতে পক্ষপদের অবস্থান কোথায়?
উত্তর: পক্ষপদ অপ্রধান আশ্রয়বাক্যের কর্তা এবং সিদ্ধান্তের কর্তা হিসেবে থাকে।
৩৩. নিরপেক্ষ যুক্তিতে সাধ্যপদের অবস্থান কোথায়?
উত্তর: সাধ্যপদ প্রধান আশ্রয়বাক্যের বিধেয় এবং সিদ্ধান্তের বিধেয় হিসেবে থাকে।
৩৪. নিরপেক্ষ যুক্তিতে মোট কয়টি পদ ও কী কী?
উত্তর: মোট তিনটি পদ— পক্ষপদ, হেতুপদ ও সাধ্যপদ।
৩৫. বৈধতার জন্য কয়টি নিয়মের উল্লেখ করা হয়েছে?
উত্তর: নিরপেক্ষ যুক্তির বৈধতার জন্য বিভিন্ন গঠনগত ও বৈধতাগত নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে।
৩৬. ন্যায় প্রধানত কয়প্রকার এবং কী কী?
উত্তর: ন্যায় প্রধানত দুই প্রকার— মাধ্যম ন্যায় ও নিরপেক্ষ ন্যায়।
৩৭. মাধ্যম ও অমাধ্যম অনুমানের দুটি পার্থক্য লেখ।
উত্তর:
১. মাধ্যম অনুমানে মধ্যপদের সাহায্য থাকে, অমাধ্যম অনুমানে থাকে না।
২. মাধ্যম অনুমানে সাধারণত দুটি বা ততোধিক আশ্রয়বাক্য থাকে, অমাধ্যম অনুমানে একটি আশ্রয়বাক্য থাকে।
৩৮. মাধ্যম ও অমাধ্যম অনুমানের দুটি সাদৃশ্য লেখ।
উত্তর:
১. উভয়ের উদ্দেশ্যই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া।
২. উভয়ের ক্ষেত্রেই যুক্তিগত বৈধতা গুরুত্বপূর্ণ।
৩৯. অমিশ্র ন্যায় কাকে বলে? কয় প্রকার ও কী কী?
উত্তর: যে ন্যায়ে তিনটি বচনই নিরপেক্ষ বচন, তাকে অমিশ্র ন্যায় বলে। এটি চার প্রকার সংস্থানভিত্তিক— প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ সংস্থান।
৪০. মিশ্র ন্যায় কাকে বলে? কয় প্রকার ও কী কী?
উত্তর: যে ন্যায়ে নিরপেক্ষ ও সাপেক্ষ বচনের সংমিশ্রণ থাকে, তাকে মিশ্র ন্যায় বলে। এটি দুই প্রকার— শর্তাধীন মিশ্র ন্যায় ও বিকল্প মিশ্র ন্যায়।
৪১. ন্যায়ের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।
উত্তর:
১. ন্যায়ে দুটি আশ্রয়বাক্য ও একটি সিদ্ধান্ত থাকে।
২. ন্যায়ে তিনটি পদ— পক্ষপদ, হেতুপদ ও সাধ্যপদ থাকে।
৪২. প্রাকল্পিক নিরপেক্ষ ন্যায় কাকে বলে?
উত্তর: যে নিরপেক্ষ ন্যায়ে পূর্বানুমান বা প্রাকল্পিক বচনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গঠিত হয়, তাকে প্রাকল্পিক নিরপেক্ষ ন্যায় বলে।
৪৩. বৈকল্পিক নিরপেক্ষ ন্যায় কাকে বলে?
উত্তর: যে নিরপেক্ষ ন্যায়ে বিকল্প বচনের সাহায্যে সিদ্ধান্ত গঠিত হয়, তাকে বৈকল্পিক নিরপেক্ষ ন্যায় বলে।
৪৪. দ্বিকল্প ন্যায় কাকে বলে?
উত্তর: যে ন্যায়ে দুটি বিকল্পের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া হয়, তাকে দ্বিকল্প ন্যায় বলে।
৪৫. সাধ্যবাক্য কাকে বলে?
উত্তর: যে আশ্রয়বাক্যে সাধ্যপদ উপস্থিত থাকে, তাকে সাধ্যবাক্য বলে।
৪৬. পক্ষবাক্য কাকে বলে?
উত্তর: যে আশ্রয়বাক্যে পক্ষপদ উপস্থিত থাকে, তাকে পক্ষবাক্য বলে।
৪৭. হেতুবাক্য কাকে বলে?
উত্তর: যে আশ্রয়বাক্যে হেতুপদ উপস্থিত থাকে, তাকে হেতুবাক্য বলে।
৪৮. সিদ্ধান্ত কাকে বলে?
উত্তর: আশ্রয়বাক্যগুলির ভিত্তিতে যে নতুন বচন প্রতিষ্ঠিত হয়, তাকে সিদ্ধান্ত বলে।
৪৯. ন্যায়ের সংস্থান কাকে বলে?
উত্তর: ন্যায়ে হেতুপদের অবস্থানের ভিত্তিতে যে চার ধরনের বিন্যাস পাওয়া যায়, তাকে ন্যায়ের সংস্থান বলে।
৫০. ন্যায় অনুমানে হেতুপদের কাজ কী?
উত্তর: হেতুপদ পক্ষপদ ও সাধ্যপদের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে এবং সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করে।
৫১. ন্যায় অনুমানের মূর্তি কাকে বলে?
উত্তর: ন্যায়ের তিনটি বচনের গুণ ও পরিমাণের নির্দিষ্ট বিন্যাসকে ন্যায়ের মূর্তি বলে।
৫২. ন্যায়ে গঠনগত নিয়ম কয়টি ও কী কী?
উত্তর: গঠনগত নিয়মের মধ্যে প্রধানত পদ ও বচনের বিন্যাস-সংক্রান্ত নিয়ম অন্তর্ভুক্ত।
৫৩. ন্যায়ে বৈধতাগত নিয়ম কয়টি ও কী কী?
উত্তর: বৈধতাগত নিয়মের মধ্যে হেতুপদের ব্যাপ্তি, পদব্যাপ্তি এবং আশ্রয়বাক্যের গুণ-পরিমাণ সংক্রান্ত নিয়ম অন্তর্ভুক্ত।
৫৪. ন্যায়ে অনুসিদ্ধান্তগত নিয়ম কয়টি ও কী কী?
উত্তর: অনুসিদ্ধান্তগত নিয়মের মাধ্যমে আশ্রয়বাক্য থেকে বৈধভাবে সিদ্ধান্ত নির্ণয়ের শর্তগুলি নির্ধারিত হয়।
৫৫. অব্যাপ্য হেতুদোষ কাকে বলে?
উত্তর: যে ক্ষেত্রে হেতুপদকে এমনভাবে ব্যবহার করা হয় যে তার ব্যাপ্তি যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় না, তাকে অব্যাপ্য হেতুদোষ বলে।
৫৬. অবৈধ সাধ্যদোষ কাকে বলে?
উত্তর: সিদ্ধান্তে সাধ্যপদকে অবৈধভাবে ব্যাপ্য করার ফলে যে দোষ ঘটে, তাকে অবৈধ সাধ্যদোষ বলে।
৫৭. চারিপদ ঘটিত দোষ কাকে বলে?
উত্তর: ন্যায়ে তিনটির পরিবর্তে চারটি পৃথক পদ ব্যবহৃত হলে তাকে চারিপদ ঘটিত দোষ বলে।
৫৮. অবৈধ পক্ষদোষ কাকে বলে?
উত্তর: সিদ্ধান্তে পক্ষপদকে অবৈধভাবে ব্যাপ্য করার ফলে যে দোষ ঘটে, তাকে অবৈধ পক্ষদোষ বলে।
৫৯. দুটি আশ্রয়বাক্য নঞর্থক হলে কী দোষ হয়?
উত্তর: দুটি আশ্রয়বাক্য নঞর্থক হলে দুটি নঞর্থক আশ্রয়বাক্যজনিত দোষ হয় এবং বৈধ সিদ্ধান্ত পাওয়া যায় না।
৬০. দুটি আশ্রয়বাক্য বিশেষ হলে কী দোষ হয়?
উত্তর: দুটি আশ্রয়বাক্য বিশেষ হলে সাধারণত দুটি বিশেষ আশ্রয়বাক্যজনিত দোষ হয় এবং বৈধ সিদ্ধান্ত পাওয়া যায় না।
৬১. সংক্ষিপ্ত ন্যায় কাকে বলে?
উত্তর: যে ন্যায়ে কোনো একটি আশ্রয়বাক্য বা সিদ্ধান্ত উহ্য থাকে, তাকে সংক্ষিপ্ত ন্যায় বলে।
৬২. সফল ন্যায় কাকে বলে?
উত্তর: যে ন্যায়ের মাধ্যমে সঠিক ও বৈধ সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়, তাকে সফল ন্যায় বলে।
৬৩. মৌলিক ন্যায় কাকে বলে?
উত্তর: যে ন্যায় মূল বা প্রাথমিক আশ্রয়বাক্যের ভিত্তিতে গঠিত, তাকে মৌলিক ন্যায় বলে।
৬৪. প্রথম সংস্থানে শুদ্ধ মূর্তির সংখ্যা কত?
উত্তর: প্রথম সংস্থানে চারটি শুদ্ধ মূর্তি আছে।
৬৫. তৃতীয় সংস্থানে শুদ্ধ মূর্তির সংখ্যা কত?
উত্তর: তৃতীয় সংস্থানে ছয়টি শুদ্ধ মূর্তি আছে।
৬৬. দ্বিতীয় সংস্থানে শুদ্ধ মূর্তির সংখ্যা কত?
উত্তর: দ্বিতীয় সংস্থানে চারটি শুদ্ধ মূর্তি আছে।
৬৭. চতুর্থ সংস্থানে শুদ্ধ মূর্তির সংখ্যা কত?
উত্তর: চতুর্থ সংস্থানে চারটি শুদ্ধ মূর্তি আছে।
৬৮. প্রথম সংস্থানে হেতুপদ, সাধ্যবাক্য ও পক্ষবাক্যের অবস্থান কোথায়?
উত্তর: প্রথম সংস্থানে হেতুপদ প্রধান আশ্রয়বাক্যের বিধেয় ও অপ্রধান আশ্রয়বাক্যের কর্তা, সাধ্যপদ প্রধান আশ্রয়বাক্যের বিধেয় এবং পক্ষপদ অপ্রধান আশ্রয়বাক্যের কর্তা।
৬৯. চতুর্থ সংস্থানে হেতুপদ, প্রধান আশ্রয়বাক্য ও অপ্রধান আশ্রয়বাক্যের অবস্থান কী?
উত্তর: চতুর্থ সংস্থানে হেতুপদ প্রধান আশ্রয়বাক্যের কর্তা ও অপ্রধান আশ্রয়বাক্যের বিধেয় হিসেবে অবস্থান করে।
৭০. তৃতীয় সংস্থানে হেতুপদ, সাধ্যবাক্য ও পক্ষবাক্যের অবস্থান কোথায়?
উত্তর: তৃতীয় সংস্থানে হেতুপদ উভয় আশ্রয়বাক্যে কর্তা, পক্ষপদ অপ্রধান আশ্রয়বাক্যের বিধেয় এবং সাধ্যপদ প্রধান আশ্রয়বাক্যের বিধেয়।
৭১. দ্বিতীয় সংস্থানে হেতুপদ, সাধ্যবাক্য ও পক্ষবাক্যের অবস্থান কোথায়?
উত্তর: দ্বিতীয় সংস্থানে হেতুপদ উভয় আশ্রয়বাক্যের বিধেয় হিসেবে থাকে।
৭২. যুক্তিবাক্য সত্য কিন্তু সিদ্ধান্ত মিথ্যা— এরূপ একটি অবৈধ নিরপেক্ষ যুক্তির মূর্ত দৃষ্টান্ত দাও।
উত্তর: সকল মানুষ মরণশীল।
সকল ঘোড়া মরণশীল।
অতএব, কোনো কোনো ঘোড়া মানুষ।
এখানে আশ্রয়বাক্য সত্য হলেও সিদ্ধান্ত সত্য নয়; তাই যুক্তিটি অবৈধ।
৭৩. যুক্তিবাক্য সত্য এবং সিদ্ধান্ত সত্য— এরূপ একটি বৈধ নিরপেক্ষ যুক্তির মূর্ত দৃষ্টান্ত দাও।
উত্তর: সকল মানুষ মরণশীল।
সকল বাঙালি মানুষ।
অতএব, সকল বাঙালি মরণশীল।
এটি একটি বৈধ নিরপেক্ষ যুক্তির উদাহরণ।
৭৪. যুক্তিবাক্য মিথ্যা কিন্তু সিদ্ধান্ত সত্য— এরূপ একটি বৈধ নিরপেক্ষ যুক্তির মূর্ত দৃষ্টান্ত দাও।
উত্তর: সকল মানুষ অমর।
সকল বাঙালি মানুষ।
অতএব, সকল বাঙালি অমর।
এখানে আশ্রয়বাক্য মিথ্যা হওয়া সত্ত্বেও যুক্তির আকার বৈধ হতে পারে।
৭৫. যুক্তিবাক্য মিথ্যা এবং সিদ্ধান্ত মিথ্যা— এরূপ একটি বৈধ নিরপেক্ষ যুক্তির মূর্ত দৃষ্টান্ত দাও।
উত্তর: সকল মানুষ অমর।
সকল বাঙালি মানুষ।
অতএব, সকল বাঙালি অমর।
এখানে আশ্রয়বাক্যের বক্তব্য বাস্তবে মিথ্যা; তবে যুক্তির রূপ/আকারের বৈধতা আলাদাভাবে বিচার করতে হয়।

নিরপেক্ষ ন্যায় – এর গুরুত্বপূর্ণ বড় প্রশ্ন মান 5
1. নিরপেক্ষ ন্যায় কাকে বলে? নিরপেক্ষ ন্যায়ের বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা কর।
উত্তর:
যে ন্যায়ে একটি মাত্র আশ্রয়বাক্য থেকে কোনো অতিরিক্ত আশ্রয়বাক্যের সাহায্য ছাড়াই সরাসরি একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়, তাকে নিরপেক্ষ ন্যায় বলে। নিরপেক্ষ ন্যায়কে অমাধ্যম ন্যায়ও বলা হয়। এখানে আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের মধ্যে সরাসরি যৌক্তিক সম্পর্ক থাকে।
নিরপেক্ষ ন্যায়ের বৈশিষ্ট্যগুলি হল—
১. একটি মাত্র আশ্রয়বাক্য: নিরপেক্ষ ন্যায়ে একটি মাত্র আশ্রয়বাক্য থাকে।
২. সরাসরি সিদ্ধান্ত: কোনো মধ্যবর্তী আশ্রয়বাক্যের সাহায্য ছাড়াই সরাসরি সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়।
৩. মধ্যপদের অনুপস্থিতি: মাধ্যম ন্যায়ের মতো এখানে মধ্যপদের সাহায্যে সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয় না।
৪. আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের সরাসরি সম্পর্ক: আশ্রয়বাক্য এবং সিদ্ধান্তের মধ্যে সরাসরি যৌক্তিক সম্পর্ক থাকে।
৫. বচনের পরিবর্তন: বচনের গুণ, পরিমাণ বা পদের পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন সিদ্ধান্ত গঠন করা যায়।
৬. বিরোধিতার সম্পর্ক: অনেক ক্ষেত্রে বচনের পারস্পরিক বিরোধিতার সম্পর্কের ভিত্তিতেও সিদ্ধান্ত নির্ণয় করা হয়।
৭. বৈধতার গুরুত্ব: নিরপেক্ষ ন্যায়ে আশ্রয়বাক্য থেকে সিদ্ধান্তের নির্ভুল যৌক্তিক সম্পর্ক থাকা প্রয়োজন।
উদাহরণ:
সকল মানুষ মরণশীল।
অতএব, কোনো কোনো মানুষ মরণশীল।
এখানে একটি মাত্র আশ্রয়বাক্য থেকে সরাসরি সিদ্ধান্ত পাওয়া যাচ্ছে। তাই এটি নিরপেক্ষ ন্যায়ের উদাহরণ।
2. ন্যায়ের সংস্থান কাকে বলে? উদাহরণসহ প্রতিটি সংস্থান ব্যাখ্যা কর।
উত্তর:
ন্যায়ের দুটি আশ্রয়বাক্যে হেতুপদের অবস্থানের পার্থক্যের ভিত্তিতে ন্যায়ের যে চারটি বিন্যাস পাওয়া যায়, তাকে ন্যায়ের সংস্থান বলে। ন্যায়ের সংস্থান চারটি।
প্রথম সংস্থান:
প্রধান আশ্রয়বাক্যে হেতুপদ বিধেয় এবং অপ্রধান আশ্রয়বাক্যে হেতুপদ কর্তা হিসেবে থাকে।
উদাহরণ:
সকল মানুষ মরণশীল।
রাম একজন মানুষ।
অতএব, রাম মরণশীল।
এখানে ‘মানুষ’ হেতুপদটি প্রথম আশ্রয়বাক্যে বিধেয় এবং দ্বিতীয় আশ্রয়বাক্যে কর্তা।
দ্বিতীয় সংস্থান:
উভয় আশ্রয়বাক্যেই হেতুপদ বিধেয় হিসেবে থাকে।
উদাহরণ:
কোনো মানুষ অমর নয়।
সকল দেবতা অমর।
অতএব, কোনো দেবতা মানুষ নয়।
এখানে হেতুপদ উভয় আশ্রয়বাক্যের বিধেয়।
তৃতীয় সংস্থান:
উভয় আশ্রয়বাক্যেই হেতুপদ কর্তা হিসেবে থাকে।
উদাহরণ:
সকল মানুষ যুক্তিবাদী।
কোনো কোনো মানুষ শিক্ষক।
অতএব, কোনো কোনো শিক্ষক যুক্তিবাদী।
এখানে হেতুপদ ‘মানুষ’ উভয় আশ্রয়বাক্যের কর্তা।
চতুর্থ সংস্থান:
প্রধান আশ্রয়বাক্যে হেতুপদ কর্তা এবং অপ্রধান আশ্রয়বাক্যে হেতুপদ বিধেয় হিসেবে থাকে।
এইভাবে হেতুপদের অবস্থান অনুসারে ন্যায়ের চারটি সংস্থান নির্ধারিত হয়।
3. মূর্তি বলতে কী বোঝো? ১৯টি বৈধ মূর্তি সংস্থানসহ আলোচনা কর।
উত্তর:
ন্যায়ের তিনটি বচনের গুণ ও পরিমাণের নির্দিষ্ট বিন্যাসকে মূর্তি বলে। অর্থাৎ, প্রধান আশ্রয়বাক্য, অপ্রধান আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের A, E, I, O রূপের নির্দিষ্ট সমন্বয়কে ন্যায়ের মূর্তি বলা হয়।
ন্যায়ের চারটি সংস্থানে মোট ১৯টি বৈধ মূর্তি রয়েছে।
প্রথম সংস্থান — ৪টি:
১. BARBARA — AAA
২. CELARENT — EAE
৩. DARII — AII
৪. FERIO — EIO
দ্বিতীয় সংস্থান — ৪টি:
১. CESARE — EAE
২. CAMESTRES — AEE
৩. FESTINO — EIO
৪. BAROCO — AOO
তৃতীয় সংস্থান — ৬টি:
১. DARAPTI — AAI
২. DISAMIS — IAI
৩. DATISI — AII
৪. BOCARDO — OAO
৫. FERISON — EIO
৬. FELAPTON — EAO
চতুর্থ সংস্থান — ৫টি:
১. BRAMANTIP — AAI
২. CAMENES — AEE
৩. DIMARIS — IAI
৪. FESAPO — EAO
৫. FRESISON — EIO
অতএব, মোট বৈধ মূর্তি = ৪ + ৪ + ৬ + ৫ = ১৯টি।
4. নিরপেক্ষ ন্যায়ের বৈধতার নিয়মগুলি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর:
কোনো নিরপেক্ষ ন্যায়কে বৈধ বলে গ্রহণ করার জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম পালন করতে হয়। এই নিয়মগুলি অনুসরণ না করলে ন্যায়ে বিভিন্ন ধরনের দোষ দেখা দিতে পারে।
১. তিনটি পদ থাকতে হবে: ন্যায়ে মোট তিনটি পদ থাকবে— পক্ষপদ, হেতুপদ ও সাধ্যপদ।
২. হেতুপদ অন্তত একবার ব্যাপ্য হবে: হেতুপদ কোনো আশ্রয়বাক্যেই যদি ব্যাপ্য না হয়, তাহলে বৈধ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।
৩. সিদ্ধান্তে ব্যাপ্য পদ আশ্রয়বাক্যেও ব্যাপ্য হবে: যে পদ সিদ্ধান্তে ব্যাপ্য হয়েছে, সেই পদকে আশ্রয়বাক্যেও ব্যাপ্য হতে হবে।
৪. দুটি নঞর্থক আশ্রয়বাক্য থেকে সিদ্ধান্ত হয় না: উভয় আশ্রয়বাক্য নঞর্থক হলে কোনো বৈধ সিদ্ধান্ত পাওয়া যায় না।
৫. একটি আশ্রয়বাক্য নঞর্থক হলে সিদ্ধান্ত নঞর্থক হবে: একটি আশ্রয়বাক্য নঞর্থক হলে সিদ্ধান্তও নঞর্থক হতে হবে।
৬. দুটি বিশেষ আশ্রয়বাক্য থেকে বৈধ সিদ্ধান্ত হয় না: উভয় আশ্রয়বাক্য বিশেষ হলে বৈধ সিদ্ধান্ত পাওয়া যায় না।
৭. একটি আশ্রয়বাক্য বিশেষ হলে সিদ্ধান্ত বিশেষ হবে: বিশেষ আশ্রয়বাক্য থেকে সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় না।
৮. দুটি সদর্থক আশ্রয়বাক্য থেকে নঞর্থক সিদ্ধান্ত হয় না: উভয় আশ্রয়বাক্য সদর্থক হলে সিদ্ধান্ত নঞর্থক হতে পারে না।
৯. হেতুপদ সিদ্ধান্তে থাকে না: হেতুপদ শুধু দুটি আশ্রয়বাক্যে থাকে; সিদ্ধান্তে থাকে পক্ষপদ ও সাধ্যপদ।
১০. চারটি পৃথক পদ থাকা যাবে না: ন্যায়ে তিনটির বেশি পৃথক পদ থাকলে চারিপদ ঘটিত দোষ হয়।
সুতরাং, উপরোক্ত নিয়মগুলি যথাযথভাবে পালন করলেই একটি নিরপেক্ষ ন্যায় বৈধ বলে গণ্য হয়।
5. সংক্ষিপ্ত ন্যায় কাকে বলে? উদাহরণসহ এই ন্যায়টি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর:
যে ন্যায়ে প্রধান আশ্রয়বাক্য, অপ্রধান আশ্রয়বাক্য অথবা সিদ্ধান্তের কোনো একটি অংশ উহ্য থাকে, তাকে সংক্ষিপ্ত ন্যায় বলে। অর্থাৎ, যুক্তির কোনো অংশ সরাসরি প্রকাশ না করেও প্রসঙ্গ থেকে তার অর্থ বোঝা যায়।
উদাহরণ:
“রাম একজন মানুষ, তাই রাম মরণশীল।”
এখানে প্রকাশিত আশ্রয়বাক্য হলো—
রাম একজন মানুষ।
সিদ্ধান্ত হলো—
রাম মরণশীল।
কিন্তু এখানে “সকল মানুষ মরণশীল”— এই প্রধান আশ্রয়বাক্যটি প্রকাশ করা হয়নি। তা উহ্য রয়েছে।
সম্পূর্ণ ন্যায়টি হবে—
প্রধান আশ্রয়বাক্য: সকল মানুষ মরণশীল।
অপ্রধান আশ্রয়বাক্য: রাম একজন মানুষ।
সিদ্ধান্ত: অতএব, রাম মরণশীল।
এখানে একটি আশ্রয়বাক্য উহ্য থাকায় এটি সংক্ষিপ্ত ন্যায়। সংক্ষিপ্ত ন্যায়ে যুক্তির কোনো অংশ বাদ থাকলেও প্রসঙ্গের মাধ্যমে সেই উহ্য অংশ বোঝা যায়।

নিরপেক্ষ ন্যায় – এর গুরুত্বপূর্ণ টীকা
1. চারিপদঘটিত দোষ কাকে বলে? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর:
একটি ন্যায়ে মোট তিনটি পদ—পক্ষপদ, সাধ্যপদ ও হেতুপদ—থাকার কথা। কিন্তু কোনো পদ একই অর্থে ব্যবহৃত না হয়ে ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হলে কার্যত চারটি পদ হয়ে যায়। এর ফলে যে দোষ সৃষ্টি হয়, তাকে চারিপদঘটিত দোষ বলে।
উদাহরণ:
সব কলম লেখে।
সব লেখা কলমের কাজ।
অতএব, সব লেখা কলম।
এখানে ‘কলম’ ও ‘লেখা’ পদগুলি যথাযথ অর্থে একই সম্পর্ক বজায় রাখেনি। ফলে ন্যায়টি বৈধ হয়নি এবং চারিপদঘটিত দোষ দেখা দিয়েছে।
2. অব্যাপ্য হেতুদোষ কাকে বলে? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর:
ন্যায়ে হেতুপদকে অন্তত একবার ব্যাপ্য হতে হয়। হেতুপদ যদি কোনো আশ্রয়বাক্যেই ব্যাপ্য না হয়, তাহলে যে দোষ ঘটে তাকে অব্যাপ্য হেতুদোষ বলে।
উদাহরণ:
সকল কবি শিক্ষিত।
সকল শিক্ষক শিক্ষিত।
অতএব, সকল শিক্ষক কবি।
এখানে ‘শিক্ষিত’ হেতুপদটি কোনো আশ্রয়বাক্যেই যথাযথভাবে ব্যাপ্য নয়। তাই এখানে অব্যাপ্য হেতুদোষ ঘটেছে।
3. অবৈধ পক্ষদোষ কাকে বলে? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর:
ন্যায়ে যে পদটি সিদ্ধান্তে পক্ষপদ হিসেবে থাকে, তাকে আশ্রয়বাক্যে এমনভাবে ব্যাপ্য করা যাবে না যাতে সিদ্ধান্তে তার ব্যাপ্তির তুলনায় অতিরিক্ত ব্যাপ্তি ঘটে। এই নিয়ম ভঙ্গ হলে যে দোষ হয় তাকে অবৈধ পক্ষদোষ বলে।
উদাহরণ:
সকল মানুষ মরণশীল।
কোনো কোনো মানুষ দার্শনিক।
অতএব, সকল দার্শনিক মানুষ।
এখানে সিদ্ধান্তে ‘দার্শনিক’ পদটি সার্বিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, কিন্তু আশ্রয়বাক্যে তা সার্বিকভাবে ব্যবহৃত হয়নি। তাই অবৈধ পক্ষদোষ ঘটেছে।
4. অবৈধ সাধ্যদোষ কাকে বলে? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর:
ন্যায়ের সিদ্ধান্তে সাধ্যপদ যদি ব্যাপ্য হয়, তাহলে যে আশ্রয়বাক্যে সাধ্যপদ থাকে সেখানেও তাকে ব্যাপ্য হতে হবে। এই নিয়ম ভঙ্গ হলে যে দোষ ঘটে তাকে অবৈধ সাধ্যদোষ বলে।
উদাহরণ:
সকল মানুষ জীব।
কোনো জীব পাথর নয়।
অতএব, কোনো মানুষ পাথর।
এখানে সিদ্ধান্তে ‘পাথর’ পদটি ব্যাপ্য হয়েছে, কিন্তু সংশ্লিষ্ট আশ্রয়বাক্যে তা যথাযথভাবে ব্যাপ্য নয়। তাই এখানে অবৈধ সাধ্যদোষ দেখা দেয়।
5. দুটি আশ্রয়বাক্য নঞর্থক-জনিত দোষ উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর:
ন্যায়ের দুটি আশ্রয়বাক্যই যদি নঞর্থক হয়, তাহলে তাদের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয় না। ফলে কোনো বৈধ সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় না। একে দুটি নঞর্থক আশ্রয়বাক্যজনিত দোষ বলে।
উদাহরণ:
কোনো মানুষ অমর নয়।
কোনো দেবতা মানুষ নয়।
অতএব, কোনো দেবতা অমর নয়।
এখানে উভয় আশ্রয়বাক্যই নঞর্থক। তাই এই যুক্তি থেকে বৈধ সিদ্ধান্ত পাওয়া যায় না।
6. দুটি আশ্রয়বাক্য বিশেষ-জনিত দোষ উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর:
ন্যায়ের দুটি আশ্রয়বাক্যই যদি বিশেষ বচন হয়, তাহলে তাদের থেকে সাধারণত বৈধ সিদ্ধান্ত নির্ণয় করা যায় না। এই কারণে যে দোষ সৃষ্টি হয় তাকে দুটি বিশেষ আশ্রয়বাক্যজনিত দোষ বলে।
উদাহরণ:
কোনো কোনো মানুষ কবি।
কোনো কোনো কবি শিক্ষক।
অতএব, কোনো কোনো মানুষ শিক্ষক।
এখানে দুটি আশ্রয়বাক্যই বিশেষ। কিন্তু তাদের মধ্যে এমন কোনো নিশ্চিত যৌক্তিক সম্পর্ক নেই যার ভিত্তিতে সিদ্ধান্তটি আবশ্যিকভাবে সত্য হবে। তাই এখানে দুটি বিশেষ আশ্রয়বাক্যজনিত দোষ রয়েছে।
7. অনেকার্থ হেতুদোষ কাকে বলে? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর:
ন্যায়ে একই হেতুপদ যদি একাধিক অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং সেই অর্থের পরিবর্তনের কারণে যুক্তির প্রকৃত সম্পর্ক নষ্ট হয়, তাহলে তাকে অনেকার্থ হেতুদোষ বলে।
উদাহরণ:
“সে ভারী, তাই সে জ্ঞানী।”
এখানে ‘ভারী’ শব্দটি ওজনের অর্থে বা গুরুত্বের অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে। একই পদ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করলে যুক্তির সঠিক সম্পর্ক থাকে না। তাই এখানে অনেকার্থ হেতুদোষের উদাহরণ পাওয়া যায়।
8. অনেকার্থ পক্ষদোষ কাকে বলে? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর:
ন্যায়ে পক্ষপদ যদি একাধিক অর্থে ব্যবহৃত হয়, ফলে আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তে পক্ষপদের অর্থ এক না থাকে, তাহলে তাকে অনেকার্থ পক্ষদোষ বলে।
উদাহরণ:
“সোনা মূল্যবান।
মূল্যবান ব্যক্তি সম্মানিত।
অতএব, সোনা সম্মানিত।”
এখানে ‘মূল্যবান’ শব্দটি সম্পদের মূল্য এবং ব্যক্তির গুণ—দুই ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ফলে যুক্তির পদগুলির অর্থের ঐক্য নষ্ট হয়েছে।
9. অনেকার্থ সাধ্যদোষ কাকে বলে? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর:
ন্যায়ে সাধ্যপদ যদি একাধিক অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তে সাধ্যপদের অর্থের পরিবর্তন ঘটে, তাহলে তাকে অনেকার্থ সাধ্যদোষ বলে।
উদাহরণ:
“আলো উজ্জ্বল।
উজ্জ্বল ব্যক্তি বুদ্ধিমান।
অতএব, আলো বুদ্ধিমান।”
এখানে ‘উজ্জ্বল’ শব্দটি প্রথমে আলোর দীপ্তি এবং পরে ব্যক্তির গুণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ফলে একই পদ ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হওয়ায় যুক্তিতে অনেকার্থ সাধ্যদোষ দেখা যায়।
